মেরিসা পাপেন
মেরিসা পাপেন

মিশরে ভিনদেশী মডেলের নগ্ন ফটোশ্যুট, অতঃপর...

নয়া দিগন্ত অনলাইন

মিশরীয় মন্দিরের প্রাচীন ভাষ্কর্যের সামনে নগ্ন ফটোশ্যুট করছিলেন বেলজিয়ামের মডেল মেরিসা পাপেন। মিশরের পুলিশ তাকে ধরে লক-আপে ঢুকিয়ে দেয়। সারা রাত তাদের সেখানেই কাটাতে হয়।

ব্রিটেনের ডেইলি মেইলের খবরে প্রকাশ, বেলজিয়ামের মডেল মেরিসা নিজেকে ‘বন্য’ ও ‘মুক্তমনা’ ভাবতেই ভালোবাসেন। গিজার পিরামিড ও মিশরীয় প্রাচীন মন্দিরের সামনে ফটোশ্যুট করতে গিয়েছিলেন মেরিসা। নগ্ন ফটোশ্যুটের জন্য স্থানীয় এক গাইডকে তাদের মোটা অঙ্কের ঘুষও দিতে হয়।

সব কিছু ঠিকঠাকই ছিল। হঠাত্‍‌ই মেরিসার ফটোশ্যুট দেখে ফেলেন চারজন নিরাপত্তারক্ষী। ঘটনাস্থলেই মেরিসা ও ফটোগ্রাফারকে গ্রেফতার করে তারা। ওই অবস্থাতেই দু’জনকে জেলে ঢুকিয়ে দেয়।

মেরিসার কথায়, ‘প্রায় দু’বছর ধরে বন্য ও মুক্ত হয়ে ঘুরেছি ৫০টি দেশে। কখনও এরকম হেনস্থা হতে হয়নি। মিশরে যা হলো।’

পাপেন বলছেন, ‘তীব্র ঠান্ডায় আমায় সারা রাত জেলে নগ্ন রাখা হয়। কারণ, ওদের চোখে, এটা নাকি পর্ন। মিশরীয় সংস্কৃতিকে আমরা কতটা শ্রদ্ধা করি, তা ওদের বোঝালাম। কিন্তু ওরা অবুঝ। কিছুতেই বোঝাতে পারলাম না, নগ্নতাও একটা শিল্প। কোনো রকমে মোটা টাকা জরিমানা দিয়ে ফিরলাম। এই দেশটাই নাকি ক্লিয়োপেট্রা নিয়ে গর্ব করে!’

 

এই জাপানি দ্বীপে ছেলেরা যান নগ্ন, মেয়েরা নিষিদ্ধ

এই দ্বীপে মহিলাদের প্রবেশ নিষেধ। আর পুরুষদের ঢুকতে হলে পরনে একটাও সুতো থাকলে চলবে না। অর্থাত্ সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে পা রাখতে হবে এখানে। জাপানের এই দ্বীপকে ইউনেসকোর পক্ষ থেকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের উপাধি দেয়া হয়েছে।

কোরিয়ান পেনিনসুলা এবং কিউশু দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত ওকিনোশিমা দ্বীপ। চতুর্থ শতকের সময় থেকে সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্যে প্রার্থনা করতে এখানেই আসতেন জাপানিরা। এখান থেকেই সম্পর্ক রাখা হতো চীন এবং কোরিয়ার সঙ্গেও।

পোল্যান্ডের ক্রাকো-তে আয়োজিত জাতিসঙ্ঘের বার্ষিক সামিটে ৭০০ স্কয়ার মিটার আয়তনের এই দ্বীপটিকে হেরিটেজ উপাধি দেওয়া হয়। এই নিয়ে জাপানের মোট ২১টি জায়গাকে ‘হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হল।

এই দ্বীপের ভিতরে অবস্থিত ওকিত্সুট মন্দিরে পূজা করার অধিকার রয়েছে শুধুমাত্র মুনাকাটা তাইশার পুরোহিতদের। প্রতি বছর মাত্র একটি দিন, ২৭ মে, এই দ্বীপে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় ২০০ পুরুষকে। ১৯০৪-০৫ সালে রুশো-জাপানি যুদ্ধে যে সব নাবিক প্রাণ হারিয়েছিলেন তাদের শ্রদ্ধা জানানো হয় ওই দিন।

তবে যেমন তেমনভাবে এই দ্বীপে পা রাখা যায় না। প্রত্যেক পুরুষকে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে সমুদ্রে স্নান সারতে হয় এখানে যাওয়ার আগে। তবে এখান থেকে কোনো রকম স্মারক তারা সঙ্গে নিয়ে ফিরতে পারেন না। এমনকি এককুচি ঘাস কিংবা পাথরের ছোট টুকরোও নয়।

যদিও খোলসা করে কোথাও বলা নেই কেন এই দ্বীপে মহিলাদের প্রবেশ নিষেদ্ধ, তবে একটি প্রচলিত তত্ত্ব অনুযায়ী জাপানিদের মধ্যে শিন্টোরা মনে করেন মেনস্ট্রুয়াল রক্ত অপবিত্র।

 

হাতকড়া পরিয়ে বন্দিদের সামনে মডেলকে নগ্ন করল পুলিশ

মডেলকে হাতকড়া পরিয়ে বন্দিদের সামনে তাকে নগ্ন হতে বাধ্য করল পুলিশ। করানো হল স্ট্রিপ টিজ। সেই ভিডিও অনলাইনে পোস্টও করে দেন পুলিশকর্মীরা। এরপরই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।

কলম্বিয়ার একটি পুলিশ স্টেশনে এই ঘটনার শিকার হয়েছেন পেশায় মডেল ক্যাথরিন মার্টিনেজ। বন্দিদের সামনেই তাকে নগ্ন হতে বাধ্য করে পুলিশ। এরপর তাকে দিয়ে স্ট্রিপ টিজ করানো হয়। গোটা ঘটনা ভিডিও করে অনলাইনে পোস্টও করা হয়েছে। এই কাজের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন অভিযুক্ত পুলিশকর্মীরা। পুলিশকর্মীদের মদতে বন্দিরাও তাকে নগ্ন হতে বলেন বলে অভিযোগ ক্যাথরিনের। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমার সবকিছু মনে নেই। এটুকু মনে আছে যে ওরা আমায় বলছিল, ওরা ভিডিও রেকর্ডিং করছে।’

ক্যাথরিন ইতোমধ্যেই এক আইনজীবীর সাহায্য নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ক্যালি পুলিশ কমান্ডার হুগো কাসাস এই ঘটনার কথা স্বীকার করে নিলেও, পুলিশ ওই মডেলকে ব্ল্যাকমেল করে নগ্ন হতে বাধ্য করেছে - এ কথা মানতে চাননি তিনি। ক্যালির মেয়র মৌরিস আর্মিতাজ পুলিশের এই কাজের তীব্র নিন্দা করেছেন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদের জনসমক্ষে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানিয়েছেন ক্যাথরিনের আইনজীবী।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.