ময়মনসিংহ ও গোপালগঞ্জে ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্রসহ ২ জন নিহত

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

ময়মনসিংহ ও গোপালগঞ্জের কাশিয়ানিতে ছুরিকাঘাতে দুইজন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে এক স্কুল ছাত্র রয়েছে।
ময়মনসিংহ অফিস জানায়, ময়মনসিংহে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে হরিপদ দাস নামে এক বিকাশ এজেন্ট নিহত হয়েছেন। গত সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে শহরের মরাখোলায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দু’জনকে আটক করেছে। ছিনতাইকারীরা প্রায় আড়াই লাখ টাকা ও কয়েকটি মোবাইল সেট ছিনিয়ে নিয়ে নেয়।
কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শহরের পাটগুদাম ব্রিজেরমোড় মসজিদ মার্কেটে বিএল টেলিকম নামে একটি দোকানে মোবাইল সেট বিক্রয়, বিকাশ ও ফেক্সিলোডের ব্যবসায় করে আসছেন সুদেব দাসের ছেলে হরিপদ দাস। প্রতি দিনের মতো সোমবার রাত সোয়া ১২টার দিকে দোকান বন্ধ করে হরিপদ টাকা ও বিকাশের কয়েকটি মোবাইল সেট নিয়ে বাইসাইকেলে কেওয়াটখালীর বাসায় যাওয়ার পথে মরাখোলায় পৌঁছলে কয়েকজন ছিনতাইকারী হরিপদকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ও কয়েকটি মোবাইল সেট নিয়ে যায়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে রাতেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য শব ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায়। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানায় পুলিশ।
গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে বরকত উল্লাহ প্রিন্স (১৩) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার কাশিয়ানী উপজেলার রামদিয়া শশীকমল বিদ্যাপীঠ স্কুলের সামনে এই ঘটনা ঘটে। প্রিন্স কাশিয়ানীর জোতকুরা গ্রামের হানিফ মোল্লা ওরফে দুলু মোল্লার ছেলে ও রামদিয়া শ্রীকৃষ্ণ শশীকমল বিদ্যাপীঠের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র।
প্রিন্সের বাবা দুলু মোল্লা রামদিয়া বাজারের ভাড়াবাড়িতে থাকেন ও রামদিয়া বাজারে মুদি ব্যবসা করেন।
রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো: হাদি আব্দুল্লাহ জানান, মঙ্গলবার সকালে রামদিয়া ব্রাইট কোচিং সেন্টারে পড়তে যায় প্রিন্স। সেখানে সহপাঠী শাহ আলমের সঙ্গে প্রিন্সের কথাকাটাকাটি হয়। প্রিন্স ১০টার দিকে স্কুলে যায়। সাড়ে ১০টার দিকে প্রিন্সকে ডেকে স্কুলের বাইরে নিয়ে যায় শাহ আলম। সেখানে ছুরি দিয়ে পেটে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায় শাহ আলম।
সহপাঠী ও শিকরা রক্তাক্ত আহতাবস্থায় প্রিন্সকে উদ্ধার করে দ্রুত গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রিন্স মারা যায়।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনার মূল অভিযুক্তকে ধরতে পুলিশি অভিযান শুরু করেছে। তবে হত্যার কারণ সম্পর্কে ওই পুলিশ কর্মকর্তা কিছুই জানাতে পারেননি।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.