ইরমার আঘাতে যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ ফোরিডার দ্বীপাঞ্চলের ৯০ শতাংশ বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত

রয়টার্স

হারিকেন ইরমার তাণ্ডবে যুক্তরাষ্ট্রের ফোরিডা অঙ্গরাজ্যের দ্বীপগুলোর বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ধ্বংসাবশেষ দেখে হতবাক হয়ে পড়েছেন আশ্রয়কেন্দ্রগুলো থেকে ফিরে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার পর্যন্ত ঝড়টির প্রভাবে ফোরিডা, জর্জিয়া ও সাউথ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইরমায় ধ্বংস হয়েছে ফোরিডার ৯০ শতাংশ ঘরবাড়ি। ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি প্রশাসক ব্রুক লং জানান, ফোরিডার দ্বীপগুলোতে কমপে ২৫ শতাংশ ঘরবাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস এবং ৬৫ শতাংশ ঘরবাড়ি মারাত্মকভাবে তিগ্রস্ত হয়েছে।
কর্তৃপ জানিয়েছে, আটলান্টিক মহাসাগর থেকে সৃষ্ট এ ভয়াবহ ঝড়ের তাণ্ডবে ‘ফোরিডা কি’ নামে পরিচিত দ্বীপগুলোর অন্তত ২৫ শতাংশ বসতবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে, ৬৫ শতাংশ ঘরবাড়ির বড় ধরনের য়তি হয়েছে। সপ্তাহখানেক ধরে ক্যারিবীয় অঞ্চলে তাণ্ডব চালানোর পর রোববার সকালে ফোরিডা কি-র কেন্দ্র বরাবর আঘাত হানে কিছুটা দুর্বল হয়ে চার মাত্রার হারিকেনে পরিণত হওয়া ইরমা।
এতে ওই প্রবাল দ্বীপগুলোর দৃশ্যপট বদলে যায়। ঝড়ের দুই দিন পর মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের দ্বীপগুলোতে প্রবেশের অনুমতি দেয় কর্তৃপ। তারা দেখতে পান, বেশির ভাগ বাড়ির দেয়াল ধসে পড়ে ভেতরের অংশ উন্মুক্ত হয়ে রয়েছে। ঝড়ে কমবেশি সব বাড়িঘরেরই তি হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থার কর্মকর্তা ব্রুক লং জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ফোরিডা ও আশপাশের অঙ্গরাজ্যের প্রায় ৫৮ লাখ বাড়ি বিদ্যুৎহীন অবস্থায় ছিল। সোমবার পর্যন্ত এই সংখ্যা ৭৪ লাখ ছিল। ফোরিডা পাওয়ার অ্যান্ড লাইট করপোরেশন জানিয়েছে, অঙ্গরাজ্যের পশ্চিম দিকে বিদ্যুৎব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্রের অভাবে ঘরের ভেতর অবস্থান করাও কষ্টকর হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন অনেকে।

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.