রানে জবাব দিতে চান সৌম্য

ক্রীড়া প্রতিবেদক

সবে ৯ টেস্ট খেলেছেন সৌম্য সরকার। এরই মধ্যে নিজেকে অনেকটাই ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন! ওয়ান ডাউন, মিডল অর্ডার, লোয়ার মিডল অর্ডারে কে ব্যাটিং করবেন সেটা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ হলেও ওপেনিং নিয়ে কারো মাথা ব্যথা নেই। ৯ টেস্টেই নিজেকে সে আত্মবিশ্বাসটা দিতে পেরেছেন নির্বাচকদের। অথচ তার টেস্ট ম্যাচের পরিসংখ্যানে নেই কোনো সেঞ্চুরি। ৯ ম্যাচের ১৭ ইনিংসে চারটি হাফ সেঞ্চুরি মাত্র। মোট রান ৩২.১১ গড়ে ৫৪৬। তবু নির্বাচক ও কোচ নির্ভার সৌম্যে। এর বিশদ আলোচনা বহু হয়েছে, তবু যথারীতি আছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজেও চার ইনিংসে তার স্কোর ৮, ১৫, ৩৩ ও ৯। একজন ওপেনারের এমন ব্যাটিং চিত্র মানেই সূচনাতে চাপে পড়ে যাওয়া। তবে নিজের এমন অবস্থা থেকে বের হতে চান এ ওপেনার। তার ক্যারিয়ারে যে চারটি হাফ সেঞ্চুরি তা দেশের বাইরে। ক্রাইস্টচার্চ, গল, গল, কলম্বো। মানে গলে রয়েছে দু’টি হাফ সেঞ্চুরি।
এবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে রয়েছেন স্কোয়াডে। এ সফরে নিজের ক্যারিয়ারের দুর্বল চিত্রটা বদলে দিতে চান সৌম্য। কাল তিনি বলেন, ‘কঠিন সময়ের মধ্যে ভালো করতে পারলে নিজের মধ্যেও অন্যরকম তৃপ্তি কাজ করে। ওদের (দক্ষিণ আফ্রিকা) কন্ডিশনে ভালো করার অন্য অনুভূতি। চেষ্টা করব অতীত ভুলে সেখানে ভালো কিছু করার।’
বাংলাদেশ দল আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর যাবে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশ্যে। ফলে এ সময়টা বিশ্রামেই কাটাচ্ছেন ক্রিকেটারেরা। যেটুকু সময় পাওয়া যাবে সেটা দক্ষিণ আফ্রিকাতেই করবে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারেরা। এর বাইরে গিয়েও কেউ কেউ ব্যস্ত অনুশীলনে। ইমরুল, সৌম্যরা রয়েছেন এ তালিকাতে। সৌম্য জানেন, দেশে অনুষ্ঠিত সিরিজে পারফর্ম না করতে পারায় সমালোচনা হচ্ছে। সোশ্যালমিডিয়ায় প্রচুর সমালোচনা হচ্ছে ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স নিয়ে। বিশেষ করে যারা রান পাননি তাদের নিয়ে। কাল তিনি বলেন, ‘চেষ্টা করি এ সময়ে সোশ্যালমিডিয়ায় নজর কম দিতে। বরং চিন্তা থাকে ইতিবাচক কিছু করার। কারণ সমালোচনা শুনলে বা দেখলে হয়তো মানসিক শক্তি হ্রাস হতে পারে, এ ভেবেই ওই দূরে থাকা।’
তিনি বলেন, ‘এটা ঠিক দর্শকদের কাজই- ভালো খেললে প্রশংসা করা, আর খারাব করলে সমালোচনা। এটা মেনে নিতে হবে। কথা বলার রাইটস সবারই রয়েছে। তবে এর উত্তর একটাই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে জবাব দান। সেটাই হবে সবচেয়ে ভালো মাধ্যম।’ বাংলাদেশের এ ওপেনার বলেন, আমি চাই, পেছনের ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে। আর সেটা রান করতে পারলেই সম্ভব। সেটা করার আপ্রাণ চেষ্টা থাকবে এ সফরে।’

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.