ভারতের চাল রফতানি বন্ধের সংবাদটি সঠিক নয় : তোফায়েল

নয়া দিগন্ত অনলাইন

ভারত কর্তৃক চাল রফতানি বন্ধের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মওজুদ রয়েছে।

তিনি বলেন, একটি চক্র অতি মুনাফা লাভের জন্য এ মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

আজ বৃহস্পতিবার সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে জাতীয় পার্টির সদস্য নূরুল ইসলাম ওমর ভারত কর্তৃক চাল রফতানির বিষয়টি উত্থাপন করলে এর জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারের সাথে কথা বলে আমি নিশ্চিত হয়েছি যে, তারা চাল রফতানি বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। এছাড়া বেনাপোলে যোগাযোগ করে জানা গেছে, সেখান দিয়ে ট্রাকে-ট্রাকে চাল বাংলাদেশে আসছে।’

তিনি বলেন, দেশে চালসহ খাদ্যপণ্যের কোনো ঘাটতি নেই। কেউ কেউ মুনাফা লাভের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। দু-একটি সংবাদপত্রও এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করছে। এ ব্যাপারে তিনি দেশের সচেতন সব নাগরিককে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, দেশে কৃষকের ঘরে এখন প্রায় এক কোটি টন চাল সংরক্ষিত রয়েছে। পাশাপাশি ভারত, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনাম থেকে চাল আমদানি করা হচ্ছে।

আগামী মঙ্গলবার মিল মালিকদের সাথে চালের বিষয়ে বৈঠক হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০ সেপ্টেম্বর থেকে দরিদ্রবান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে ১০ টাকা কেজি চাল বিক্রি শুরু হবে। পাশাপাশি খোলা বাজারে চাল বিক্রি শুরু হবে।

কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বলেন, গত ৩ বছরে আউশ ধানে প্রণোদনা দেয়ায় উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, গত আউশ মওসুমে ১০ লাখ ৭৫ হাজার হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ করা হয়। এতে ৭৫ লাখ নয় হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হয়, যা গত বছরের তুলনায় পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার টন বেশি। ফলে দেশে এখন কোনো খাদ্য সংকট নেই।

কৃষিমন্ত্রী আসন্ন আমন মওসুমেও ভালো ফলনের আশা করছেন।

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.