নৌবাহিনীতে নাবিক ও এমওডিসি (নৌ) শাখায় নিয়োগ


বাংলাদেশ নৌবাহিনী নাবিক ও এমওডিসি শাখায় লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। ডিই/ইউসি (সিম্যান, কমিউনিকেশন, টেকনিক্যাল), মেডিক্যাল, পেট্রলম্যান, রাইটার, স্টোর, কুক, স্টুয়ার্ড ও এমওডিসি (নৌ) ও টোপাস শাখায় লোক নিয়োগ/ভর্তি করা হবে। বাংলাদেশের নাগরিক পুরুষ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। লিখেছেন মাহমুদা সুলতানা
আবেদনের যোগ্যতা : প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক ও অবিবাহিত হতে হবে। সাঁতার জানা পুরুষ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা : ডিই/ইউসি (সিম্যান, কমিউনিকেশন ও টেকনিক্যাল) শাখায় আবেদনের জন্য প্রার্থীকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পাস হতে হবে ও কমপক্ষে জিপিএ ৩ থাকতে হবে। এসএসসিতে উচ্চতর গণিতধারী প্রার্থী ও বিএন ডকইয়ার্ড কো-অপারেটিভ সোসাইটি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে ন্যূনতম ‘এ’ গ্রেড পেলে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। মেডিক্যাল শাখায় আবেদনের জন্য প্রার্থীদের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞানসহ এসএসসি/সমমান পাস হতে হবে ও জিপিএ ৩ পেতে হবে। পেট্রলম্যান, রাইটার, স্টোর, কুক, স্টুয়ার্ড ও এমওডিসি (নৌ) শাখায় আবেদনের জন্য প্রার্থীদের এসএসসি/সমমান পাস ও জিপিএ ৩ পেতে হবে। আর টোপাস শাখায় পঞ্চম শ্রেণী পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
শারীরিক যোগ্যতা : সব শাখার আবেদনের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বুকের মাপ ৭৬ সেন্টিমিটার থেকে ৮১ সেন্টিমিটার বা ৩০ থেকে ৩২ ইঞ্চি থাকতে হবে। অর্থাৎ স্বাভাবিক অবস্থায় প্রার্থীদের বুকের মাপ ৭৬ সেন্টিমিটার বা ৩০ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৮১ সেন্টিমিটার বা ৩২ ইঞ্চি থাকতে হবে। চোখের দৃষ্টি থাকতে হবে কমপক্ষে ৬/৬। সিম্যান প্রার্থীদের উচ্চতা কমপক্ষে ১৬৭.৫ সেন্টিমিটার বা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি হতে হবে। পেট্রলম্যান শাখায় প্রার্থীদের উচ্চতা ১৭২.৫ সেন্টিমিটার বা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি, কমিউনিকেশন ও টেকনিক্যাল, মেডিক্যাল, রাইটার, স্টোর, কুক, স্টুয়ার্ড ও টোপাস শাখায় প্রার্থীদের উচ্চতা ১৬২.৫ সেন্টিমিটার বা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হতে হবে। এমওডিসি (নৌ) শাখায় প্রার্থীদের উচ্চতা ১৬৭.৫ সেন্টিমিটার বা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি হতে হবে।
বয়সসীমা : ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে নাবিক পদে প্রার্থীদের বয়স ১৭ থেকে ২০ বছর হতে হবে। আর এমওডিসি (নৌ) পদে প্রার্থীর বয়সসীমা ১৭ থেকে ২২ বছর।
যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবে : এসএসসি পাস প্রার্থীদের মূল সনদ অথবা শিক্ষা বোর্ড থেকে ইস্যু করা সাময়িক সনদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান স্বাক্ষরিত প্রশংসাপত্র, মূল মার্কশিট বা প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক মূল মার্কশিটের সত্যায়িত ফটোকপি, মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও অ্যাডমিট কার্ড। পঞ্চম শ্রেণী পাস প্রার্থীদের স্কুল পাসের সনদপত্র ও মার্কশিট জমা দিতে হবে। এছাড়া প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের ১০ কপি রঙিন ছবি, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/ পৌরসভার মেয়র অথবা চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড কাউন্সিলর বা কমিশনারের কাছ থেকে পাওয়া জাতীয়তা ও চারিত্রিক সনদ, জন্মনিবন্ধন বা ভোটার আইডি কার্ডের সত্যায়িত কপি ও অভিভাবকের সম্মতিপত্র, যা নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/ পৌরসভার মেয়র/ চেয়ারম্যান/ ওয়ার্ড কাউন্সিলর বা কমিশনার কর্তৃক প্রতি স্বাক্ষরিত হতে হবে।
ভর্তি পরীক্ষার জন্য যে তারিখে প্রার্থীদের নিজ জেলার যেসব ভর্তিকেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে : প্রয়োজনীয় সনদ ও কাগজপত্রসহ প্রার্থীদের নিজ জেলার ভর্তিকেন্দ্রে নির্ধারিত তারিখে সকাল ৯টায় উপস্থিত থাকতে হবে। নৌবাহিনীতে কর্মরত/ অবসরপ্রাপ্ত/মৃত সামরিক/বেসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তান ও নৌ স্কাউট প্রার্থীদের ৫ অক্টোবর ঢাকার নৌ ইউনিট খিলক্ষেতে উপস্থিত থাকতে হবে। ঢাকা, মানিকগঞ্জ ও গাজীপুরের প্রার্থীদের ৯ অক্টোবর এবং নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জের প্রার্থীদের ১২ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জের ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার প্রার্থীদের ১৬ অক্টোবর, জামালপুর ও টাঙ্গাইল জেলার প্রার্থীদের ১৯ অক্টোবর এবং নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার প্রার্থীদের ২২ অক্টোবর ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার প্রার্থীদের ২৭ অক্টোবর ও গাইবান্ধা, নীলফামারী এবং লালমনিরহাট জেলার প্রার্থীদের ৩০ অক্টোবর রংপুর জেলা স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ের প্রার্থীদের ৩ নভেম্বর দিনাজপুর জেলা স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার প্রার্থীদের ৭ নভেম্বর বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। ওপরের ২২টি জেলার জেলা কোটার অবশিষ্ট শূন্যপদ (যদি থাকে) পূরণের জন্য প্রার্থীদের ১২ নভেম্বর ঢাকার খিলক্ষেতের নৌ ইউনিটে উপস্থিত থাকতে হবে। ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জের প্রার্থীদের ৩ অক্টোবর গোপালগঞ্জের শেখ মনি স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের প্রার্থীদের ৭ অক্টোবর মাদারীপুরের আচমত আলী খান স্টেডিয়ামে উপস্থিত হতে হবে। বরিশাল ও পিরোজপুর জেলার প্রার্থীদের ১১ অক্টোবর আর ঝালকাঠি, পটুয়াখালী ও বরগুনার প্রার্থীদের ১৩ অক্টোবর বরিশালের শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। ভোলা জেলার প্রার্থীদের ১৭ অক্টোবর কোস্টগার্ড বেস ভোলায় উপস্থিত থাকতে হবে। খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার প্রার্থীদের ২০ অক্টোবর ও যশোর ও নড়াইলের প্রার্থীদের ২৩ অক্টোবর খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে উপস্থিত থাকতে হবে। ঝিনাইদহ ও মাগুরার প্রার্থীদের ২৭ অক্টোবর এবং চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া ও মেহেরপুরের প্রার্থীদের ২৯ অক্টোবর কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে উপস্থিত থাকতে হবে। রাজশাহী ও নাটোর জেলার প্রার্থীদের ২ নভেম্বর এবং নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রার্থীদের ৪ নভেম্বর রাজশাহী জেলা মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। পাবনা ও সিরাজগঞ্জের প্রার্থীদের ৮ নভেম্বর পাবনার অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। ওপরের ২৭টি জেলার জেলা কোটার অবশিষ্ট শূন্যপদ (যদি থাকে) পূরণের জন্য প্রার্থীদের ১২ নভেম্বর খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে উপস্থিত থাকতে হবে।
সিলেট ও সুনামগঞ্জের প্রার্থীদের ১২ অক্টোবর এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের প্রার্থীদের ১৫ অক্টোবর সিলেটের আবুল মাল আবদুল মুহিত ক্রীড়া কমপ্লেক্সে উপস্থিত থাকতে হবে। কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রার্থীদের ২০ অক্টোবর কুমিল্লার ভাষাসৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। নোয়াখালীর প্রার্থীদের ২৪ অক্টোবর এবং ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের প্রার্থীদের ২৬ অক্টোবর নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। চট্টগ্রামের প্রার্থীদের ৩০ অক্টোবর চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে এবং রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার প্রার্থীদের ৩ নভেম্বর রাঙ্গামাটি জেলা স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। কক্সবাজার ও বান্দরবানের প্রার্থীদের ৭ নভেম্বর কক্সবাজারের শহীদ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে। ওপরের ১৫টি জেলার জেলা কোটার অবশিষ্ট শূন্যপদ (যদি থাকে) পূরণের জন্য প্রার্থীদের ১২ নভেম্বর চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে।
আবেদনপত্র সংগ্রহ ও ভর্তি ফি জমা দেয়া : টিবিএমএম অ্যাকাউন্টধারীদের জন্য : ট্রাস্ট ব্যাংক মোবাইল মানির (টিবিএমএম) মাধ্যমে নাবিক পদে ভর্তি ফি জমা দিতে হবে। টিবিএমএমধারী প্রার্থীদের টিবিএমএম অ্যাকাউন্টে ১২০ টাকা থাকতে হবে। আবেদনকারী যদি টিবিএমএম-এর গ্রাহক হন তবে তাকে মোবাইলের অবশনে গিয়ে এসএমএস-এর মাধ্যমে ফি বাবদ ১০০ টাকা ০৩৫৯০০১৬২০১ নম্বরে পাঠাতে হবে। টিবিএমএম অ্যাকাউন্টধারী নন : প্রার্থীদের টিবিএমএম অ্যাকাউন্ট না থাকলে ট্রাস্ট ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে ‘বিএন রিক্রুটমেন্ট ফান্ড’, ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, প্রিন্সিপাল ব্রাঞ্চ, ঢাকার অনুকূলে ১০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।
টাকা জমা দেয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে একটি নোটিফিকেশন এসএমএস ও মানিরিসিপ্ট পাবেন যাতে ট্রানজেকশন আইডি থাকবে। ওই মানিরিসিপ্টটি নৌবাহিনীর যেকোনো ভর্তি ও তথ্যকেন্দ্রে দেখিয়ে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করা যাবে।
আবেদনপত্র বা ভর্তি ফরম সংগ্রহের স্থান : ১. নৌবাহিনী ভর্তি ও তথ্যকেন্দ্র ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রংপুর।
২. বানৌজা তিতুমীর (খুলনা), মংলা (বাগেরহাট), ঈশা খাঁন (চট্টগ্রাম) ও শহীদ মোয়াজ্জেম (কাপ্তাই)।
৩. সিজি স্টেশন, চাঁদপুর, পালপাড়া, নিউ ট্রাংক রোড, চাঁদপুর।
৪. কোস্টগার্ড বেইজ ভোলা, মংলা ও চট্টগ্রাম।
৫. সিজি স্টেশন বরিশাল, পটুয়াখালী, হাতিয়া, পাথরঘাটা, কয়রা, শরণখোলা ও টেকনাফ।
৬. সিজি আউট পোস্ট, রামগতি (লক্ষ্মীপুর)।
৭. সব জেলার সশস্ত্রবাহিনীর বোর্ডের অফিস।
৮. ওপরের ঠিকানা থেকে এসএমএস ও ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে না পারা প্রার্থীরা ভর্তির দিন নিজ নিজ ভর্তিকেন্দ্রে সকাল ৮টায় ১০০ টাকা জমা দিয়ে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।
৯. িি.িলড়রহহধাু.হধাু.সরষ.নফ ওপেন করে ঝধরষড়ৎং ঝবপঃরড়হ-এ ক্লিক করলে নাবিক ভর্তির আবেদনপত্র পাওয়া যাবে।
প্রার্থী নির্বাচন : প্রথমে প্রার্থীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা নেয়া হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজি, বাংলা, গণিত, বিজ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তার ওপর প্রশ্ন করা হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের চূড়ান্ত স্বাস্থ্য ও মৌখিক পরীক্ষা দিতে হবে। এ পর্বে উত্তীর্ণরা নাবিক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হবেন।
বেতন ও সুযোগ-সুবিধা : নিয়োগপ্রাপ্তরা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সশস্ত্রবাহিনীর বেতনক্রম অনুযায়ী বেতন ও ভাতা পাবেন। এছাড়া বিনা মূল্যে পোশাক, থাকা, খাওয়া, রেশন ও চিকিৎসাসুবিধা, অবসর ভাতা ও গ্র্যাচুইটির সুবিধা রয়েছে। চাকরিকালীন যোগ্যতা অনুসারে নন কমিশন্ড অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার, ও বিশেষ যোগ্যতার ক্ষেত্রে কমিশন্ড অফিসার পদে পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে। চাকরিকালীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে অথবা পঙ্গু হলে পদবীভিত্তিক বীমা সুবিধা, পরিবারের জন্য বেনেভোলেন্ট ফান্ডের আর্থিক সুবিধা, বিদেশে প্রশিক্ষণ, বিদেশ ভ্রমণ, বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসে নিয়োগ ও জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যাওয়ার সুযোগও পাবেন নাবিকেরা। এ ছাড়া নিজ সন্তানদের যোগ্যতার ভিত্তিতে ক্যাডেট কলেজ, আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজ, এমআইএসটি এবং নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত স্কুল/কলেজে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
যোগাযোগ : পরিচালক, পার্সোনেল সার্ভিসেস পরিদফতর, নৌবাহিনী সদর দফতর, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ওয়েবসাইট : িি.িলড়রহহধাু.হধাু.সরষ.নফ

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.