আগডুম বাগডুম কবিতা

নিয়ে মিঠাইর হাঁড়ি
খান মোহাম্মদ খালেদ

কুটুম এলেন সেদিন বাড়ি
সঙ্গে নিয়ে মিঠাইর হাঁড়ি,
হাঁড়িখানা মাটির গড়া
রসগোল্লায় ছিল ভরা।
কুটুম ছিলেন প্রিয় নানী
হাঁড়ি নিয়ে তাই টানাটানি
করতে গিয়ে নাতনী-নাতি
বাধায় কেমন হাতাহাতি!
হাতাহাতি-কাড়াকাড়ি...
ভাঙল শেষে মিঠাইর হাঁড়ি,
মিঠাইর এখন ছড়াছড়ি
উঠোনজুড়ে গড়াগড়ি।
হতভম্ব হলেন নানী...
চোখ দিয়ে তার গড়ায় পানি,
মিঠাই খাওয়া হবে কার আর
বরং খেলো বকুনি মা-র।

খোকা খুকুর খেলা
সৈয়দ মাশহুদুল হক

খোকার আছে নাটাইঘুড়ি
খুকুর পুতুল দুটি
খোকা খুকু যায় খেলতে
যখন মেলে ছুটি।
খোকা উড়ায় রঙিন ঘুড়ি
নাটাই রাখে হাতে
সঙ্গী-সাথী দস্যিরা সব
খোকার সঙ্গে মাতে।
খোকার ঘুড়ি উড়ে উড়ে
আকাশ পানে ছুটে
সঙ্গী-সাথী ছেলের দলে
হাসে খুশির চোটে।
খোকার ঘুড়ি ডিগবাজি খায়
সুতা গেলে কেটে
দৌড়ে গিয়ে খুঁজে আনে
ঝোপঝাড় ঘেঁটে।
দাওয়ায় বসে খুকুমণি
পুতুল খেলে একা
দোয়েল টিয়া ময়না এসে
দেয় তখনি দেখা।
খুকু হাসে ফোকলা দাঁতে
দোয়েল দেয় শিস
ময়না টিয়া হেসে বলে
আমার আশিস নিস।
সন্ধ্যার আগেই খোকাখুকি
ঘরে ফিরে আসে
দু’জন মিলে পড়তে বসে
মা দেখে তা হাসে।


পায়রার ছড়া
মামুন সারওয়ার

কে এঁকেছে পায়রা দু’টি
কে এঁকেছে কাক-
খোকন সোনা আঁকছে বুঝি
একটু কাছে ডাক।

এসব শুনে পায়রা দু’টি
দেয় যে বাকুম ডাক-
কাণ্ড দেখে খোকার দাদা
হয় যে হতবাক।

হারিয়ে যাবো
ফরিদ আহমেদ হৃদয়

আজকে আমি হারিয়ে যাবো
দূর অজানার গাঁয়
যেথায় নদী চলছে ছুটে
আপন ঠিকানায়। বন-বনানি ঘুরে ঘুরে পাখির মতো উড়ে উড়ে স্বপ্ন মোহনায় মনটা যেতে চায়। আজকে আমি ফড়িং হবো শাখায় শাখায় বসে রবো উড়ব দক্ষিণ বায়।


রাইকার পুতুল
আবদুস সালাম

রাইকা মনির পুতুল দুটো
একটা বড় একটা ছোট
দুষ্টু বেজায় অতি
যখন তখন ঝগড়াঝাটি
জিনিস ভেঙে করছে মাটি
করছে অনেক ক্ষতি।

ভাঙছে শিশি ভাঙছে বাসন
মানছে নাকো কোনোই শাসন
রাইকার ভীষণ চিন্তা
বই পড়ে না থাকে বসে
যতই ধরি কানটা কষে
নাচলে খুশি ধিনতা।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.