ব্যস্ত ইলোরা

আলমগীর কবির

চলচ্চিত্রে ও টিভি নাটকে অভিনয়ে নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গুণী অভিনেত্রী ইলোরা গহর। স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত নয়ীম গহরের মেয়ে তিনি। ৭ অক্টোবর ছিল নয়ীম গহরের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। তার বাবার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অনেকেই দিনটিকে বিশেষভাবে স্মরণ করেছেন। এ কারণে ইলোরা কৃতজ্ঞ তাদের প্রতি।

ইলোরা বর্তমানে টিভি নাটকে ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ে ব্যস্ত। ইলোরা আলভী আহমেদের ‘নিউ জেনারেশন’, এসএ টিভিতে প্রচারিতব্য ‘তুমি আছো তাই’, অসীম গোমেজের ‘উথাল তরঙ্গ’ ধারাবাহিকের কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। এ ছাড়া সম্প্রতি তিনি শেষ করেছেন নাহিদ বাবুর নির্দেশনায় ‘তোমাকে চাই’ খণ্ডনাটকের কাজ। এ দিকে সম্প্রতি ইলোরা শেষ করেছেন সৈকত নাসিরের ‘পাষান’ চলচ্চিত্রের কাজ। এ ছাড়া শুটিং আটকে আছে সোহেল আরমান নির্দেশিত ‘ভ্রমর’ চলচ্চিত্রের কাজ। আসছে শীত মওসুমে আবারো চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হবে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন।

১৯৭৯ সালে মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী পরিচালিত ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন ইলোরা গহর। একই বছরে তিনি বাচসাস পুরস্কারও লাভ করেন। ইলোরা গহর প্রথম নাটকে অভিনয় করেন আব্দুল্লাহ আল মামুনের রচনায় ও আতিকুল হক চৌধুরীর প্রযোজনায় ‘তুমি সেই প্রজাপতি’ নাটকে। ১৯৮৯ সালে বিটিভিতে সর্বশেষ এ দু’জন মানুষের রচনায় ও প্রযোজনায় অভিনয় করেন ‘অসময়ের অতিথি’ নাটকে। বিরতির পর মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’ ও ‘চড়ুইভাতি’ সিনেমাতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বেশ আলোচনায় আসেন তিনি। দুটি সিনেমায় তিনি শিক্ষিকা ফাহমিদার চরিত্রে অভিনয় করেন। এরপর ইলোরা শঙ্খদাশ গুপ্তের ‘হ্যালো অমিত’ ও ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ‘মধুমতি’ সিনেমায় অভিনয় করেন।

এ দিকে  ৯ অক্টোবর ইলোরার জন্মদিন। জন্মদিনের আগের দিন এবং পরের দিন শুটিং রাখলেও জন্মদিনে তিনি কোনো শুটিং রাখেননি। ইলোরা বলেন, ‘জন্মদিনটি আসলে একান্তই নিজের আর নয় এখন। আমার যারা ভক্ত আছেন তারা আমাকে অনেক শুভেচ্ছা জানান, অনেকেই মুঠোফোনে কথা বলে তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। আবার অনেকেই দেশের বাইরে থেকেও শুভেচ্ছা জানান। আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ হয়েও মানুষের এত শ্রদ্ধা-ভালোবাসা পাই, মনে হয় এ যেন স্বার্থক জন্ম এই দেশের জন্ম নিয়ে। বাবার গানের কথার সূত্র ধরেই বলতে হয়- জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো...। সত্যিই জন্ম আমার ধন্য হলো এমন দেশে জন্মে।’

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.