কলাপাড়ায় ওএমএসের আতপ চাল কেনায় আগ্রহ নেই

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে চালের বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে কলাপাড়ায় খোলা বাজারে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। ওএমএস কর্মসূচির আওতায় বিক্রি করা এসব চালের বেশির ভাগই আতপ চাল। এ এলাকার মানুষ আতপ চাল খাওয়ায় অভ্যস্ত না হওয়ায় খোলা বাজারে চাল ক্রয়ে তেমন একটা সাড়া নেই ক্রেতাদের। ফলে লোকসানের আশঙ্কায় অনেক ডিলারও আতপ চাল তুলতে চাইছেন না। আর এ অবস্থায় সাধারণ মানুষ খোলা বাজারে আতপ চালের পরিবর্তে সেদ্ধ চাল দেয়ার দাবি জানিয়েছেন।
খাদ্য অফিস সূত্র জানায়, জেলার আটটি উপজেলায় প্রতিদিন একজন ডিলারকে এক টন করে চাল দেয়। এসব ডিলারের কাছ থেকে প্রত্যেক ক্রেতা ৩০ টাকা কেজি দরে দৈনিক পাঁচ কেজি চাল কিনতে পারছেন। কিন্তু সরেজমিন বিভিন্ন ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, ডিলারদের কাছে ক্রেতারা ভিড় করলেও আতপ চাল দেয়ায় অনেকে চাল না কিনে ফিরে যাচ্ছেন। ফলে চাল বিক্রি কম হচ্ছে। ডিলারেরা চাল নিয়ে বসে আছেন।
কম দামে সরকারি চাল কিনতে আসা সুফিয়া বেগম জানান, তারা আতপ চাল দিয়ে পিঠা তৈরি করে থাকেন। ভাতের চাল হিসেবে সেদ্ধ চাল খেয়ে থাকেন। তিনি চাল না কিনে ফিরে যাচ্ছেন। ওএমএসের চাল কিনতে আসা রফিক মিয়া জানান, সরকার কম দামে চাল দিচ্ছে, তাতে তিনি খুশি। তবে আতপ চালের পরিবর্তে সেদ্ধ চাল দেয়ার দাবি জানান।
ডিলার শাহাজান মোল্লা জানান, এই চালের মান অনেক ভালো। তা সত্ত্বেও এই চাল কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না ক্রেতারা। কারণ তারা আতপ চালের ভাত খেতে অভ্যস্ত না। তারা সব সময় সেদ্ধ চালের ভাত খেয়ে থাকেন। ফলে ক্রেতারা আতপ চাল কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
আতপ চাল ক্রয়ে মানুষের আগ্রহ কমের বিষয়টি স্বীকার করেন পটুয়াখালী সদর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, আস্তে আস্তে মানুষ অভ্যস্ত হয়ে ওঠছে। আতপ চাল রান্নার কৌশল পাল্টে অনেক ক্রেতা ওএমএস ডিলারের কাছ থেকে আতপ চাল কিনছেন।

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.