মইনুল হোসেন ও তার ‘রাজনৈতিক সাহিত্য’

মাসুদ মজুমদার

দেশে অনেক জ্ঞানীগুণী মানুষ রয়েছেন। আছেন অনেক বুদ্ধিজীবী। অনেকের পক্ষেই দেশ-জাতির চাহিদা অনুযায়ী ভূমিকা পালন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। অনেকের সেই মানসিকতাও নেই। কেউ কেউ আছেন মতান্ধ। দলভাবনার ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় কর্তব্য পালনে তাদের আগ্রহ কম। অনেকেই আছেন জাতীয় কর্তব্য সম্পর্কে ভাবার দায়ও বোধ করেন না। এত সীমাবদ্ধতার ভেতরও কিছু মানুষ জাতীয় কর্তব্য পালনে এগিয়ে থাকেন, আমাদের আলোচনা তেমন একজন মানুষকে নিয়ে।
মইনুল হোসেন, জাতীয় ব্যক্তিত্ব। জাতীয় সমস্যা সঙ্কটে নীতিনির্ধারণী বক্তব্য উপস্থাপন কিংবা লেখার মাধ্যমে দেশ-জাতিকে সঠিক পথ দেখানোর ক্ষেত্রে তার ভূমিকা বিবেচনায় নেয়ার মতো। তার ঋজু মন্তব্য ও পরামর্শগুলো নির্দেশনামূলক। ‘আমার জীবন আমাদের স্বাধীনতা’Ñ সম্প্রতি প্রকাশিত তার বইটি আমাদের হাতে পৌঁছেছে। নিজের কথা বলতে গিয়ে তিনি ইতিহাস ঐতিহ্য ও স্মৃতিজাগানিয়া অনেক জাতীয় ঘটনা তুলে এনেছেন। সব সময় খেয়াল রেখেছেন দেশ ও জাতির প্রতি দায়বদ্ধতার কথা। এ বিষয় নিয়ে তার লেখা মুখবন্ধ উপস্থাপিত হওয়া জরুরি ভেবে তুলে ধরছি।
কারণ মুখবন্ধের আত্মকথনে তিনি অকপটে জাতীয় জীবনের মৌলিক কিছু সমস্যা-সঙ্কট তুলে ধরেছেন। এই আত্মকথনে তিনি আছেন, আছে জাতীয় জীবনের অনেক অকথিত কথা। মইনুল হোসেন তার মুখবন্ধটি শুরু করেছেন এভাবেÑ
‘শুরুতেই বলে নেয়া ভালো যে, বই লেখার পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে বইটি লেখা হয়নি। আমার শিক্ষাজীবন, কর্মজীবন এবং রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতাকে স্বাধীনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এই বইটির মধ্যে। জীবনে চলার পথে যাদের সান্নিধ্যে এসেছি, যাদের স্নেহ-ভালোবাসা পেয়েছি, তাদের কথা বলার চেষ্টা করেছি। অনুরাগ-বিরাগের বশবর্তী না হয়ে বস্তুনিষ্ঠ থেকে ঘটনার বিবরণ, বিশ্লেষণ ও মতামত দিয়েছি। আমি দলীয় রাজনীতি করার সুযোগ খুব বেশি দিন পাইনি। বঙ্গবন্ধুর ইচ্ছায় সংসদ সদস্য হয়েছিলাম। কিন্তু দু’বছর যেতে না যেতেই সম্পূর্ণ রাজনীতিই পাল্টে গেল। আমাকেও দলীয় রাজনীতি ছাড়তে হলো। এরপর দলীয় রাজনীতির প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলি। তবে স্বাধীন বাংলাদেশ হবে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশÑ জনগণের এই স্বপ্নকে সঙ্কটমুক্ত করার জন্য ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি। এটা আমার দৃঢ়বিশ্বাস, গণতন্ত্র ব্যতীত স্বাধীনতা অর্থবহ হয় না।’ গণতন্ত্রহীন স্বাধীনতা, শাসকদের স্বাধীনতা। পাকিস্তান আমলের পর আমাদের এ কথা বোঝা অত্যন্ত সহজ ছিল।
আব্বা সাংবাদিক হলেন গণতান্ত্রিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য। প্রথমে সাপ্তাহিক ইত্তেফাক এবং পরে দৈনিক ইত্তেফাক প্রকাশ করেছিলেন জনগণের পক্ষে কেবল তাদের অভাব-অনটন ও কষ্টের কথা তুলে ধরার জন্য নয়। যদিও তাদের কথা তিনি বলিষ্ঠভাবেই তুলে ধরেছিলেন। তিনি শোষণ, অপশাসন এবং অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ করেই ক্ষান্ত হননি। তিনি তার সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনগণের মুক্তির পথ হিসেবে তাদের জন্য গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা অর্জনের সংগ্রাম গড়ে তোলেন।
তাই ছোটবেলা থেকেই দেশ ও জনগণের স্বার্থরক্ষার রাজনৈতিক সচেতনতা আমার জীবনেরই অংশ হয়ে ওঠে। রাজনৈতিক পদ-পদবির প্রতি আকর্ষণ ছিল না। কারণ, বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে যারা রাজনৈতিক নেতৃত্বে এসেছেন তাদের দলীয় রাজনীতিতে যোগ দেয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখিনি। তবুও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে পারিনি। কারণ, আমার মধ্যে যে বিশ্বাসটি কাজ করেছে তা হলোÑ স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব সব সচেতন নাগরিককে গ্রহণ করতে হবে। ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও শান্তির বাংলাদেশই হবে আমাদের গর্ব। নেতৃত্বের যোগ্যতা ছাড়া যারা দেশের ব্যাপারে স্বপ্ন দেখান, তারা ঠিক জানেন নাÑ কী বলছেন।
যে বক্তব্য দিয়ে শুরু করেছিলাম সেখানে ফিরে আাসি। মুক্তিযুদ্ধসহ এ দেশের মানুষের রাজনৈতিক সংগ্রামের যতটুকু যেভাবে দেখেছি, সে সম্পর্কে আমার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ নির্মাণকারী তরুণদের জন্য রেখে যেতে চেয়েছি। এ দেশে জনগণের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম শেষ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের রূপ নিতে গিয়ে আমাদের রাজনৈতিক মূল্যবোধ ও অনুভূতি নানা ধরনের হোঁচট খেয়ে চলেছে। জাতি হিসেবে আমরা অসহায়ভাবে ধোঁকাবাজির শিকার হয়ে চলেছি। অনেকেই স্বীকার করবেন যে, আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের যে পথ সেখানো হয়েছিল, সেই বাংলাদেশ গড়ার পথে বাধাই সৃষ্টি হয়ে চলছে। শুধু বাধা নয়, দেশের রাজনীতি বড় ধরনের বাণিজ্যিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভারতে থেকে ভারতের সহযোগিতায় মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হওয়ায় দেশে একধরনের শ্রেণী সংগ্রাম শুরু হলো। একটি ঐক্যবদ্ধ জাতিকে বিভক্ত করা হয়েছে। নিজেদের মধ্যে স্বাধীনতার শত্রু খোঁজা হচ্ছে। কিছু লোকের মধ্যে একধরনের দখলদারিত্বের মানসিকতা লক্ষ করা যাচ্ছে।
আমি পাকিস্তানের ভাঙ্গা-গড়া এবং বাংলাদেশের উত্থান-পতনের রাজনীতি কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি। মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের রাজনৈতিক আবর্তন-পরিবর্তন যেভাবে দেখেছি সেভাবেই তুলে ধরেছি। শুধু ঘটনাবলি তুলে ধরার জন্য তুলে ধরিনি। ঘটনাবলির নিজস্ব বিশ্লেষণও দিতে চেষ্টা করেছি। জনগণের চাওয়া-পাওয়ার আলোকে আমি আমার নিজস্ব চিন্তাভাবনা খোলামেলা এবং অকপটভাবেই ব্যক্ত করেছি।
আমার কাছে মনে হয়েছে, স্বাধীনতাযুদ্ধকে শুধু যুদ্ধের বিজয় হিসেবে দেখতে গিয়ে আমাদের সমগ্র গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য ভুলে যাওয়া হচ্ছে। আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধ ছিল মানুষের মুক্তি অর্জনের যুদ্ধ, কোনো দেশ বিজয়ের যুদ্ধ নয়, কোনো দেশ ভাঙারও যুদ্ধ নয়।
বইটিতে ঘটনাপ্রবাহের কালানুক্রমিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় অসুবিধা দেখা দেয়ার কারণ, আমি কোনো ডাইরি রক্ষা করতে পারিনি। এমনকি কোনো ধরনের বই লেখার চিন্তাভাবনাও ছিল না। কিন্তু ইতিহাসের কিছু ঘটনা এবং নিজের লব্ধ অভিজ্ঞতার কিছু বিবরণ, সেই সঙ্গে নিজস্ব বিশ্লেষণ ও মতামত দলিল হিসেবে রেখে যেতে চেয়েছি। আমার মতামত ও বিশ্লেষণ সবাই গ্রহণ করবেন, এমনটি আমি আশা করছি না। বরঞ্চ অন্যেরা যাতে যুক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে জাতিকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারেন, সেটাই আমি চেয়েছি।
বিশেষ করে রাজনীতির ক্ষেত্রে অতীতেকে মৃত হিসেবে ভুলে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এটা করতে গিয়ে আমরা কিন্তু কম মূল্য দিচ্ছি না। একটু চিন্তা-ভাবনা করলেই সেটা বুঝতে অসুবিধা হবে না। তবে আমি অতীতকে অনুসরণের কথা মোটেও বলছি না। কিন্তু একটি জাতির অগ্রগতির ক্ষেত্রে বর্তমানের সাথে অতীতের একটা যৌক্তিক সঙ্গতি তো থাকতে হবে।
বইটি কিন্তু সার্বিক বিচারে রাজনৈতিক নয়। আমার জীবনের বিভিন্ন ব্যক্তিগত বা পেশাগত অভিজ্ঞতার কথাও এর মধ্যে বলা হয়েছে। বেশির ভাগ অভিজ্ঞতার মধ্যে আমি নীতি ও মূল্যবোধের প্রশ্নটি এনেছি। আমি আমার আইন ব্যবসার কথা কিছুটা উল্লেখ করেছি, যাতে তরুণ আইনজীবীরা শিক্ষণীয় কিছু পেতে পারেন। আব্বার এবং আমাদের জীবনে পরিবর্তন আনতে আমার আম্মার অবদানের কথাও কিছু লিখেছি। লিখেছি এ জন্য যে, সাংবাদিকতার ব্যাপারে আপস না করার জন্য শুধু যে আব্বার ব্যক্তিজীবনে অনেক কষ্ট পেতে হয়েছে তা নয়, ছেলেমেয়েদের অসুবিধাও তাকে ব্যথিত করেছে। আমার পারিবারিক জীবনের ব্যক্তিগত কিছু কিছু ঘটনাও বইটিতে স্থান পেয়েছে। আমাদের জীবন জাতীয় জীবনের আপদ-বিপদ থেকে মোটেই বিচ্ছিন্ন ছিল না। বিপদ এসেছে, কিন্তু আব্বা সাহস হারাননি। বরঞ্চ প্রতিটি দিবসের পর তিনি অধিকতর শক্তি নিয়ে দাঁড়িয়েছেন।
বিভিন্নভাবে নানা ধরনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছি এই উদ্দেশ্যে যে, তরুণদের মনে ও মননে বিভিন্ন প্রশ্ন জাগুক, প্রশ্নের উত্তর তারা খোঁজ করুক। নিজের দেশকে বাদ দিয়ে বিদেশে ভালো থাকার মন-মানসিকতা দেশপ্রেম নয়। দেশে যে নিরাপত্তাহীন অবস্থা বিরাজ করছে, তার জন্য দায়ী কিছু লোকের দেশপ্রেমের মারাত্মক অভাব। দেশপ্রেম ভিন্ন যে, স্বাধীনতা রক্ষা পায় না সে বিষয়টির ওপরও সবিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। বিভিন্ন বিষয়ে যে প্রিয়-অপ্রিয় মতামত রেখেছি, তা আমার অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস ও উপলব্ধি থেকে বলেছি।’
বইটির লেখক নিজেই যখন পাঠককে তার বিষয়বস্তু জানিয়ে মুখবন্ধ লিখেনÑ তখন বাড়তি কিছু বলা অসঙ্গত। তাই তাকে শুধু উদ্ধৃত করলাম না; পাঠকের সাথে লেখকের সেতুবন্ধের চেষ্টাও করলাম। ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন খ্যাতনামা ও কিংবদন্তিতুল্য সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার পুত্র। একই সাথে তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মানসসন্তান ও বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য। লেখক পেশায় আইনজীবী। নেশায় জাতীয় মন মননের অনুসন্ধিৎসু রাষ্ট্র, সমাজ ও রাজনীতি চিন্তক। মইনুল হোসেন সব সময় আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে থাকেন। কারণ, দেশ-জাতি ও জাতীয় রাজনীতির শূন্যতার জায়গাটা তিনি চিহ্নিত করে অকপটে বলতে পারেন। শূন্যতা পূরণে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে পরামর্শ দিতে পারেন। বইটি গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে উৎসর্গ করতে গিয়ে বলেছেনÑ ‘যিনি আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন।’ সম্ভবত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসনের প্রতি গুরুত্বারোপ এবং প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নেয়ার জন্য এই মোড় ঘুরিয়ে দেয়ার বিষয়টি অধিকতর অবদান রেখেছে। সংবিধান চর্চা ও সংবিধান অনুযায়ী দেশ পরিচালিত হোক, বিচার বিভাগ স্বাধীনতা পাক, গণতন্ত্র চর্চা অবারিত থাকুক, দলবাজি বন্ধ হোক, লেখকের নিত্য চাওয়ার বিষয়গুলো পাঠককে তার ব্যাপারে আগ্রহী করে। সম্ভবত এটি তার শ্রেণী চরিত্রকে অন্য যেকোনো মানুষ থেকে আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। তাই তিনি অনেকের মাঝে থেকেও ব্যতিক্রম। চিন্তাচেতনা, মন-মননে কিছুটা আলাদাও বটে। এখন তিনি পরিণত বয়সের মানুষ। যশ-খ্যাতির মোহ তারুণ্যের মতো তাঁর থাকার কথা নয়। তা ছাড়া সম্মান ছাড়া সম্ভবত তিনি মানুষের দোয়াটাই চান। আর চান-দেশ জাতির কল্যাণ। ফলে তার লেখার মধ্যে পরিণত বয়স ও অভিজ্ঞতার ছাপ যেমন স্পষ্ট, তেমনি সুনির্দিষ্ট করে পরামর্শগুলো উপস্থাপন এবং সঙ্কট সমস্যা চিহ্নিত করার প্রয়াসও অনেক বেশি সুচিন্তিত। আশা করি, বইটি সবার কাছে সুখপাঠ্য হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সব শ্রেণীর পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণ করবে। একজন পাঠক হিসেবে বলতে পারি, স্মৃতিকথাও রাজনীতির মেলবন্ধনে রাজনৈতিক সাহিত্যের মর্যাদায় উন্নীত হতে পারে, ‘আমার জীবন আমাদের স্বাধীনতা’ তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ। লেখকের অন্য বইগুলোর বিষয়বস্তুও প্রায় অভিন্ন। মইনুল হোসেন এর আগে লিখেছেন বাংলাদেশ : বাস্তবতা ও প্রত্যাশা, ব্যক্তি স্বাধীনতা ও জাতীয় মর্যাদা, গণতন্ত্রের সাফল্য চাহিয়াছি, গণতন্ত্রের সংগ্রামে বাংলাদেশ, নতজানু থাকা স্বাধীনতা নয়, ঘুরে দাঁড়াতে হবে। সব লেখার মূল সুর দেশাত্মবোধে উজ্জীবিত লেখকের মন-মননের প্রতিধ্বনি, যা বাংলাদেশের মানুষের শূন্যতা ঘুচাতে সাহায্য করে।
লেখকের শেষ বাক্যÑ ‘হতাশার কারণ, অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতৃত্বের অভাবে শাসনতন্ত্র নিয়ে বিশ্লেষণ করার আগ্রহ কারও নেই। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভোগ-বিলাসই যেন সব কিছু।’ এই মন্তব্য যেন ষোলো কোটি মানুষের মনের কথা এবং বাংলাদেশের আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতাও। শ্রদ্ধাভাজন লেখকের প্রতি রইল একরাশ শুভেচ্ছা। সেই সাথে সর্বাবস্থায় জনগণের প্রত্যাশা জাগিয়ে রাখার অনুরোধটুকুও রইল।
masud2151@gmail.com

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.