৩ লাখ যুবক-যুবতীকে জাপান পাঠাচ্ছে ভারত
৩ লাখ যুবক-যুবতীকে জাপান পাঠাচ্ছে ভারত

যে কারণে ৩ লাখ যুবক-যুবতীকে জাপান পাঠাচ্ছে ভারত

নয়া দিগন্ত অনলাইন

অন-জব ট্রেনিংয়ের জন্যে তিন লাখ যুবক-যুবতীকে জাপানে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে ভারত সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের দক্ষতা উন্নয়ন প্রোগ্রামের অন্তর্গত তিন থেকে পাঁচ বছরের জন্যে এদের পাঠানো হবে বলে বুধবার জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ভারতের টেকনিকাল ইনটার্নদের এই প্রশিক্ষণের পুরো খরচ দেবে জাপান।

ভারতের দক্ষতা উন্নয়ন এবং উদ্যোক্তা মন্ত্রী জানিয়েছেন টেকনিকাল ইনটার্ন ট্রেনিং প্রোগ্রামকে (টিআইটিপি) বাস্তবায়িত করার জন্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয় দুই দেশের মধ্যে মেমোরান্ডাম অফ কোঅপারেশন সই করতে রাজি হয়েছে। ১৬ অক্টোবর তিন দিনের টোকিও সফরে গিয়ে এই চুক্তি সই করবেন বলে জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।

ট্যুইট করে প্রধান জানিয়েছেন, ‘টিআইটিপি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের অন্তর্গত যারা জাপানে যাবেন তারা জাপানি ইকোসিস্টেমে ট্রেনিং পাবেন। এছাড়াও ওই ৩-৫ বছরের মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার যুবক-যুবতী সেই দেশে কাজও করার সুযোগও পেয়ে যেতে পারেন। এছাড়াও পাবেন থাকার সুবিধা।’

এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি করবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

চাইলেই ১০ লাখ চাকরি দেওয়া সম্ভব: রেলমন্ত্রী
পর পর রেল দুর্ঘটনা। যার জেরে মন্ত্রণালয় থেকে সরতে হয় সুরেশ প্রভুকে। নয়া রেলমন্ত্রীর আমলেও বিতর্ক-মুক্তি ঘটেনি। মুম্বইয়ের রেলব্রিজে পদপিষ্টের ঘটনায় মুখ পুড়েছে ভারতীয় রেলের। কিন্তু, রেলের গুরুত্বকে খাটো করে দেখতে বারণ করছেন খোদ রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম-এর ভারতের সামিটে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সবচেয়ে বড় কর্মসংস্থান আসে রেল থেকেই।’ ভারতীয় রেলের পরিধি ও ক্ষমতা বোঝাতে রেলমন্ত্রী বলেন, ‘চাইলেই ১০ লাখ কর্মচারী নিযুক্ত করা যেতে পারে। কিন্তু, তার জন্য এখনও পুরোপুরি কাঠামোগত প্রস্তুতি নেই।’ পীযূষ গোয়েল-এর আক্ষেপ, ‘দেশে ২ হাজার রেল স্টেশন রয়েছে, যেখানে বুকিং অফিস নেই।’

তবে এক্ষেত্রে অন্য পরিকল্পনা রয়েছে মন্ত্রীর। তিনি বলেন, ‘একটি অফিস তৈরি না করে, স্থানীয়দের থেকেই কমিশন ভিত্তিক বুকিং অফিসার নিয়োগ করা যেতেই পারে।’ কিন্তু, ধীর গতির রেলে গতি আনতে অনেক সময় লাগবে বলেই আক্ষেপ রেলমন্ত্রী গোয়েল-এর।

বিগত সময়ে রেল মন্ত্রকের কাজের ধরন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে এখানে কাজের পদ্ধতি ধীর গতিতে চলছে। আর এর ফলেই সুযোগ থাকতেও বিনিয়োগ আসছে না রেলে। এই মানসিকতা বদলাতে সময় লাগবে।’

প্রসঙ্গত, ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম-এর ভারতের সামিটের আলোচনার মূল বক্তব্যই ছিল ‘ভারতে কর্মসংস্থান’।

এই সময়, ৫ অক্টোবর ২০১৭

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.