মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় বক্তারা

নজিবুর রহমান ছিলেন সমাজ সচেতন উদারনৈতিক সাহিত্যিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

নয়াদিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন বলেছেন, মুসলমানদের সামনে বারবার চ্যালেঞ্জ আসছে। সে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য কেউ না কেউ জেগে উঠেছে। তিনি যে সময় সাহিত্য চর্চা শুরু করেন তখন বাঙ্গালী মুসলিম সমাজ রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সাহিত্য সংস্কৃতিতে নিন্মগামী ছিল। তিনি তার লেখনির মাধ্যমে স্বজাতিকে উন্নতির পথে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছেন। নজিবর রহমান সাহিত্যসেবা ও শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে বাঙ্গালি মুসলমানদের উন্নতি ও নবজাগরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ছিলেন গ্রাম বাংলার একজন প্রতিবাদী জনদরদী সমাজহিতৈষী অসাম্প্রদায়িক সমাজ সচেতন উদারনৈতিক সাহিত্যিক।

আজ শুক্রবার বাংলা কথা সাহিত্যের অমর কথাশিল্পী নজিবুর রহমানের ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন উপন্যাস জানতে মুসলমানদের পথ দেখিয়েছেন। তৎকালীন প্রেক্ষাপটে তিনি ছিলেন প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। ব্রিটিশরা যখন ভারত দখল করেছিল তখন তাদের পরিকল্পনা ছিল মগজ ধোলাই করে পরাধীন জাতিকে অনুগত দাসে পরিণত করে রাখা। এজন্য তারা তিন ধরণের শিক্ষাব্যবস্থা চালু করেছিল। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, এখনও সেই শিক্ষা ব্যবস্থা চালু আছে।

কুটনৈতিক ও প্রাবন্ধিক ড. মুহাম্মদ সিদ্দিকের সভাপতিত্বে ও ছড়াকার এইচএস সরোয়ারদীর পরিচালনায় আলোচনায় অংশ নেন নতুন একমাত্রা সম্পাদক ড. ফজলুল হক তুহিন, শিক্ষাবিদ হাসান আহমেদ চৌধুরী, অধ্যাপক রোকেয়া পারভীন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল হান্নান, ইতিহাসবিদ মোহাম্মদ আশরাফুল, গবেষক নাসির হেলাল, অধ্যাপক জাসিম উদ্দিন, সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও লেখকের অ্যাডভোকেট গোলাম হাসনায়েন, অ্যাডভোকেট ফাহিম ফয়সাল প্রমুখ।

বক্তারা আরো বলেন, নজিবুর রহমান বাংলা সাহিত্যের সার্থক কথাশিল্পী। একসময়ে তার রচিত আনোয়ারা উপন্যাস শিক্ষিত বাঙ্গালী মুসলিম পরিবারে ঘরে ঘরে পঠিত হত। পরে উপন্যাসটি নিয়ে ছায়াছবি নির্মিত হয়েছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.