ইডিইউতে খুদে মেধাবীদের একদিন

চট্টগ্রাম ব্যুরো

ক্যাম্পাসের ফটক দিয়ে ভেতরে ঢুকেই ভীষণ উচ্ছ্বসিত সবাই। এত বড় ভবন! কারো কারো চোখ উঁকি মারছিল কাসরুমে। কেউবা আবার দৃষ্টি এড়িয়ে বারবার দেখছিল লাইব্রেরিটা। সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতেই একজন তো দৌড়ে চলে গেল প্রাণবন্ত আড্ডায়। চট্টগ্রামের তারুণ্যমুখর বিশ্ববিদ্যালয় ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি (ইডিইউ) ঘুরতে এসে ঠিক এভাবেই আনন্দঘন পরিবেশে একটি দিন কাটালেন লিটল জুয়েলস স্কুলের খুদে শিার্থীরা। বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিার পরিবেশের সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের পরিচিত করতেই স্কুল কর্তৃপ নিয়েছিলেন এমন প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আর তাই বেছে নেয়া হয়েছিল নগরীর খুলশীর পূর্ব নাসিরাবাদের নোমান সোসাইটির পাহাড়ঘেরা ইডিইউর দৃষ্টিনন্দন স্থায়ী ক্যাম্পাসটি।
সম্প্রতি স্কুলটির ‘ও লেভেল’ পড়–য়া একঝাঁক খুদে শিার্থী এখানে এসে কাটিয়ে গেল তাদের প্রিয় মুহূর্তটি। ইউনিভার্সিটির ‘বড়’ শিার্থীদের সঙ্গে তারা দিয়েছে প্রাণখুলে আড্ডা। একসঙ্গে করেছে খাওয়া-দাওয়া। ঘুরেফিরে দেখেছে কিভাবে বড় ভাই আর আপুদের কাস-পরীা চলে দিনভর। এসব উচ্ছ্বাস দেখে তাদের অনেকেরই ইচ্ছে হয়েছে ইডিইউর মতো বড় ইউনিভার্সিটিতে পড়ার। বাবা-মায়ের কড়া বেস্টনি থেকে বেরিয়ে কবে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে মুক্ত ডানার পাখি হবে তা নিয়ে জমে নানা স্বপ্নের কথার ফুলঝুরি। মাহাতাজ মাহি নামের একজন শিার্থী বলে, এত বড় অ্যাকাডেমিক ভবন আমি আগে কখনই দেখিনি। চমৎকার পরিবেশ। কাসরুমগুলো খুবই ভালো লেগেছে। খোলামেলা। কবে যে এখানে পড়ব! সাইফ আলতাব বলেন, একটা বিজনেস আইডিয়া কমপিটিশন দেখতে পেলাম একটু আগে। বড় ভাইয়ারা সেখানে তুমুল লড়াই করছেন। আমাদের স্কুলেও হয়। তবে এখানকার আয়োজনটা বড় পরিসরে। ইউনিভার্সিটি বলে কথা! শিার্থীদের সঙ্গে ইডিইউর ক্যাম্পাস পরিদর্শনে এসেছিলেন লিটল জুয়েলস স্কুলের শিকেরাও। হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক প্রবাল ঘোষ বলেন, কর্তৃপকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এমন সুন্দর ক্যাম্পাস উপহার দেয়ার জন্য। আমাদের খুদে শিার্থীরা পুরো ভবনটি ঘুরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। শিকিা সামিনা আরেফীন দৃষ্টিনন্দন ক্যাম্পাস গড়ার জন্য ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমানের পরিকল্পনার প্রশংসা করেন। ইডিইউর ভিসি প্রফেসর মুহাম্মদ সিকান্দার খান খুদে শিার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ স্কুলের ছেলেমেয়েদের উচ্চশিায় এগিয়ে নিতে অনেক বেশি উৎসাহিত করবে। ভালো কিছু করার খোরাক জোগাবে তাদের চিন্তা, মেধা ও মননে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.