ক্যারিয়ার গড়তে ডিআইইউতে ব্যবসায় প্রশাসন কোর্স

১৯৯৫ সালে শিাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. এ বি এম মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করেন। আইন, ইংরেজি, ব্যবসায় প্রশাসন, সমাজবিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিভাগের মোট ১৬৮ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এখানে প্রায় আট হাজার ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করছেন। তার মধ্যে কয়েক শ’ বিদেশী ছাত্রছাত্রী রয়েছেন। এখানে যেসব কোর্স পড়ানো হয় তা হলোÑ কম্পিউটার বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন, ফার্মেসি, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ও মাস্টার্স অব হিউম্যান রাইটস। এখানে পূর্ণকালীন শিকের সংখ্যা ১৬০ জন। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, জাহাঙ্গীরনগর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকেরা খণ্ডকালীন পাঠদান দিয়ে থাকেন। এখানকার ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে পাস করা ছাত্রছাত্রীরা বিসিএস প্রশাসনসহ দেশ-বিদেশে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমনÑ ব্যাংক, বীমা, পুঁজিবাজার, রিয়েল এস্টেট ও মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিসহ ব্যবসায় বাণিজ্যে কর্মরত রয়েছেন। এখানে সুপরিকল্পিত, সুশৃঙ্খল, তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দৃষ্টিকোণ থেকে পাঠদান করা হয়। আর এর দিকনির্দেশনায় আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ও এ ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের উপদেষ্টা অধ্যাপক মো: সেলিম ভূইয়া। এ অনুষদের ডিনের দায়িত্বে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সাবেক অধ্যাপক মো: আব্দুল কুদ্দুস। এ ছাড়া রয়েছেন মেধাবী ও পরিশ্রমী ২৫ জন পূর্ণকালীন শিক ও কিছুসংখ্যক খণ্ডকালীন অধ্যাপক, যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। এ ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক কে এম মহসীনের তত্ত্বাবধানে এ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের শিক্ষকদের সমন্বয়ে যুগোপযোগী বিবিএ এবং এমবিএ প্রোগ্রামের সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। কোর কোর্সের পাশাপাশি রয়েছে অনেকগুলো মেজর কোর্স। এ ইউনিভার্সিটিতে নিয়মিত শিার্থীদের পাশাপাশি চাকরিজীবী এবং বিএমএ ডিপ্লোমা পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য সান্ধ্যকালীন শিফট চালু রয়েছে। এখানে প্রতিটি সেমিস্টারে ছাত্রছাত্রীদের মিডটার্ম ও ফাইনাল পরীক্ষার জন্য কোর্স শিক্ষকেরা পর্যাপ্ত কেস স্টাডি, চলমান বিষয়ের ওপর অ্যাসাইনমেন্ট, বাধ্যতামূলক কাস পার্টিসিপেশন, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এখানে প্রতি বছর বিবিএ ও এমবিএ ফাইনাল সেমিস্টারে স্টাডি ট্যুর ও বিভিন্ন সেমিস্টারে শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্ডাস্ট্্িরয়াল ভিজিটের ব্যবস্থা করা হয়। প্রতি ২ সেমিস্টার পরপর ভাইভা ও ফাইনাল সেমিস্টারে ইন্টার্নশিপ ছাত্রছাত্রীদের জন্য বাধ্যতামূলক। ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক কে এম মহসীন বলেন, এ ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. এ বি এম মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী স্বল্পবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাই এখানে অন্যান্য ভার্সিটির তুলনায় টিউশন ফি কম; কিন্তু গুণগত ও মানসম্পন্ন লেখাপড়া নিশ্চিত করা হয়। বর্তমানে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে ২৫০০ ছাত্রছাত্রী অধ্যয়নরত। এ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি ফাউন্ডেশন কোর্স বাধ্যতামূলক। এ ইউনিভার্সিটিতে ছাত্রদের জন্য তিনটি এবং মেয়েদের জন্য দু’টি হোস্টেল রয়েছে। শিার্থীদের ইংরেজি ভাষার ওপর দতা অর্জনের ল্েয ইতোমধ্যে ইন্টারন্যাশনাল ল্যাংগুয়েজ ইনস্টিটিউটের সাথে এ ইউনিভার্সিটি এমওইউ স্বার করেছে। এ ইউনিভার্সিটির সাথে মালয়েশিয়ার ক্যাবাংসন ইউনিভার্সিটি, ভারতের দয়ানন্দ সাগর ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ অ্যাডভান্সড্ বিজনেস অ্যাকাডেমিকের, ইউনাটেড ন্যাশনস ্গ্লোবাল কম্প্যাক্ট ও ইউনাইটেড ন্যাশনস অ্যাকাডেমিক ইম্প্যাক্টসের অ্যাকাডেমিক স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। যোগাযোগ : স্থায়ী ক্যাম্পাস : সাঁতারকুল, বাড্ডা, ঢাকা। ফোন : ০১৯৩৯৮৫১০৬০। ক্যাম্পাস : ৬৬, গ্রিনরোড, ঢাকা। ফোন: ০১৬১১৩৪৮৩৪৪-৮।
ক্যাম্পাস : বাড়ি-০৪, সড়ক-০১, ব্লক-এফ, বনানী, ঢাকা। ফোন: ০১৯৩৯৮৫১০৬১-৪

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.