নূহাশপল্লীতে হুমায়ুন আহমেদের জন্মবার্ষিকী পালন

মোহাম্মদ আলী ঝিলন, গাজীপুর

নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে গাজীপুরের নূহাশপল্লীতে সোমবার পালিত হয়েছে মরহুম কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ’র ৬৯তম জন্ম বার্ষিকী।

এ উপলক্ষে রোববার রাতে নূহাশপল্লীতে মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়। ভোর পৌনে চারটার দিকে হুমায়ুন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ছেলে নিষাদ ও নিনিতকে নিয়ে নূহাশ পল্লীতে আসেন। সকাল সোয়া ১০টার দিকে শাওন ছেলে নিষাদ ও নিনিতকে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ’র কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ এবং ফাতেহা পাঠ করেন ও মোজানাতে অংশ নেন। মোনাজাত শেষে নূহাশপল্লীতে স্থাপিত হুমায়ুন আহমেদের ম্যুরালের সামনে আপেল তলায় কেক কাটেন তার দুই ছেলে নিষিদ ও নিনিত। এসময় লেখকের ভক্ত, গণমাধ্যমকর্মী ও এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

এসময় হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন বলেন, হুমায়ূন আহমেদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র, তাঁর হাতে লেখা বই নিয়ে খুব শীঘ্রই নূহাশ পল্লীতে স্মৃতি যাদুঘর নির্মাণ করা হবে। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে আলোচনা হয়েছে। হুমায়ুনের ইচ্ছানুযায়ী ক্যান্সার হাসপাতাল করার জন্য একটি কমিটি করে কাজ শুরু করতে হবে। এ জন্য তিনি দেশের সরকারী বেসরকারী গুনীজনদেও এগিয়ে আসার আহবান জানান

এদিকে সকাল থেকেই হুমায়ূন আহমেদ’র ভক্তরা নুহাশপল্লীতে আসেন। তাদের অনেকেই প্রিয় লেখকের কবরে ফুল দেন এবং নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থেকে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। আবার অনেকে ঘুরে ঘুরে দেখছেন নুহাশ পল্লী।

উল্লেখ্য, লেখক হুমায়ুন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই ৬৪ বছর বয়সে আমেরিকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। পরে ২৪ জুলাই গাজীপুরের হোতাপাড়া এলাকাস্থিত নুহাশ পল্লীর লিচুগাছ তলায় প্রয়াত হুমায়ুন আহমেদের মরদেহ দাফন করা হয়।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.