আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটার!
আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটার!

আত্মহত্যার চিন্তা ভারতীয় ক্রিকেটারের!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম ভরসা কুলদীপ যাদব। রবীন্দ্র জাদেজার মতো অভিজ্ঞ বাঁ হাতি স্পিনারকে সরিয়ে দলে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। যুজবেন্দ্র চাহালের সঙ্গে জুটি বেঁধে মাত্র ২২ বছর বয়সেই বিপক্ষের ত্রাস হয়ে গিয়েছেন এই চায়নাম্যান বোলার। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে হ্যাটট্রিকও আছে কুলদীপের ঝুলিতে।

কিন্তু, জানলে অবাক হবেন সদা হাস্যময় এই ক্রিকেটারই এক বার সুযোগ না পেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন। কুলদীপের বয়স তখন ১৩। সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে কুলদীপ সে কথাই জানিয়েছেন। তার কথায়, ‘‘উত্তরপ্রদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দলে জায়গা পেতে প্রচুর পরিশ্রম করেছিলাম। যখন দেখলাম আমাকে নেয়া হয়নি, হতাশায় আত্মহত্যার কথাও ভেবেছি। রাগের মাথায় সকলেরই এমন অনুভূতি হয়।’

সাফল্যের জন্য বিরাটকে কৃতিত্ব দিলেন চাহাল

লেগ–স্পিনারদের সাফল্যের রহস্য কী?‌ অনেকেই অনেক যুক্তি দেখাবেন। কিন্তু লেগ–স্পিনারের ওপরে ক্যাপ্টেনের ভরসা যে এই সাফল্যের অন্যতম সূত্র, একথা কেউই অস্বীকার করতে পারবেন না। যজুবেন্দ্র চাহালও ব্যতিক্রম নন। তাই তো নিজের সাফল্যের জন্য অধিনায়ক বিরাট কোহলিকেই কৃতিত্ব দিলেন চাহাল।

কী বলেছেন তিনি?‌ ‘‌বিরাট ভাই সব সময় বলে, তুমি যদি রান বেশিও দিয়ে ফেলো, ক্ষতি নেই। কিন্তু মিডল ওভারে দুটো উইকেট তুলে নিতে পারলেই চলবে। টোয়েন্টি ২০–তেও ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে দুই বা তিনটে উইকেট নিতে পারলেই বিরাট ভাই খুশি। তিরুবনন্তপুরমের শেষ টি ২০ ম্যাচটার কথাই ধরুন। ওখানে যখন নিজের দ্বিতীয় ওভারটা করতে গেলাম, তখন আমার ওপর দায়িত্ব ছিল রান আটকানো। ওই সময় আমি যদি আক্রমণাত্মক হয়ে বলটা ফ্লাইট করাতাম, তা হলে হয় উইকেট পেতাম, না হয় আমার বলে ছয় মেরে বসত ব্যাটসম্যান!‌’‌ ছোটবেলায় দাবা খেলতেন। কিন্তু সেখান থেকে হঠাৎ করেই ক্রিকেটে এসেছেন। শুধু বিরাট কোহলি নন, ধোনির প্রশংসাও করেছেন যজুবেন্দ্র চাহাল।

বলেছেন, ‘‌মাঠের পরিস্থিতিটা মাহি ভাই দুর্দান্ত বোঝে। তাই কীভাবে পরিকল্পনা সাজানো উচিত, সেটা ভাইয়াই বুঝিয়ে দেয়। অফ–স্টাম্পের বাইরের বলে বৈচিত্র‌্য থাকে। আমার শক্তি হল, নির্দিষ্ট জায়গায় বলটা রাখা। ক্রমাগত একই জায়গায় হিট করে যাওয়া। আমি যখন একটু মন্থর বল করি, তখন খুব বেশি টার্ন থাকে না। ওই ধরনের মুহূর্তে লক্ষ্য করেছি, ব্যাটসম্যামনরা ধন্দে পড়ে যায়।’‌

চাহাল আরো বলেন, ‘‌বছরের এই সময়টায় শিশির পড়ে। কিন্তু আমি এটা নিয়ে খুব বেশি ভাবি না। কেন জানেন?‌ কারণ, নিজেকে অযথা চাপে ফেলে দিতে ভালোবাসি না। পরিস্থিতি যাই হোক, আমার কাজ ভাল বল করা।’‌

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.