অবৈধ সম্পদ অর্জন

মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা দায়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্টনের একটি ফ্ল্যাট থেকে পাঁচ বস্তা দেশি-বিদেশি মুদ্রা ও স্বর্ণসহ আটক হওয়া মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ সোমবার দুদকের উপ-পরিচালক জালাল উদ্দিন আহাম্মদ বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় মামলা এ মামলা দায়ের করেন।

দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শেখ মোহাম্মদ আলী ওরফে এস কে মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায় ৪০ কোটি ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৩৭৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের অর্জনের অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে। ২০১৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর পুরানা পল্টনের ২৯/১ নম্বর বাড়ির সাততলায় মোহাম্মদ আলীর বাসায় অভিযান চালিয়ে মোট আট কোটি ৫৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা সমপরিমান পাঁচ বস্তা দেশি-বিদেশি মুদ্রা ও ৩০ কোটি টাকা মূল্যের দেড় মণ স্বর্ণ জব্দ করে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর গত বছরের ১২ জুলাই সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য মোহাম্মদ আলীকে নোটিস দেয় দুদক। তিনি একই বছরের ৩১ অগাস্ট সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি মোহাম্মদ আলী দুদকে দাখিল করা তার সম্পদ বিবরণীতে ৩০ কোটি ৭৮ লাখ ৯৬ হাজার ৬২৩ টাকার সম্পদ থাকার কথা উল্লেখ করেন।

কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে তার গোপন ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ৪০ কোটি ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৩৭৫ টাকার সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়।

এসব সম্পদের মধ্যে রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে ৩০ লাখ টাকার ১০ কাঠা জমি, সিলেট শহরে ৯৫ লাখ ১১ হাজার ৩৭৫ টাকা মূল্যের ছয়তলা বাড়ি, ৬১ দশমিক ৫৩৮ কেজি স্বর্ণ, যার মূল্য ৩০ কোটি ৭৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা, সৌদি রিয়াল তিন কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও দেশি মুদ্রায় পাঁচ কোটি ৫৯ লাখ ৯০ হাজার টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৭১ কোটি ৭০ লাখ ৭৭ হাজার ৯৯৮ টাকার সম্পদ পায় দুদক।

এসব সম্পদের মধ্যে ৪০ কোটি ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৩৭৫ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত, যা তার অবৈধ সম্পদ বলে এজাহারে বলা হয়।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.