সেই ছেলেটিই বিনয় ভদ্র

বিনোদন প্রতিবেদক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে ভর্তির সুযোগ হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসেন তখন টিএসসিতে নাটকের পরিবেশ তাকে মুগ্ধ করে এবং তখনই সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়বেন তিনি। সুযোগ হলো সংস্কৃত বিভাগে ভর্তি হওয়ার। রসায়ন বাদ দিয়ে বিনয় ভদ্র ভর্তি হলেন প্রিয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। পড়াশুনার পাশাপাশি ১৯৮৪ সালে তিনি ম. হামিদের নাটকের দল ‘নাট্যচক্র’তে যোগ দেন। এই দলের হয়ে তিনি মঞ্চে ‘চকসার্কেল’,‘লেট দেয়ার বি লাইট’,‘হায়েনা’, ‘প্রতীক্ষার প্রহর’,‘ভদ্দরনোক’ নাটকে অভিনয় করেন। টেলিভিশনে তাকে অভিনয়ে প্রথম দেখা যায় ম. হামিদের প্রযোজনায় ‘আমি নই’ নাটকে। ধারাবাহিক নাটকে তাকে প্রথম দেখা যায় ফাল্গুনী হামিদেও নির্দেশনায় ‘মন হারাবার দিন’ নাটকে। ১৯৮৯ সালে তিনি বিটিভির তালিকাভুক্ত শিল্পী হন। ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া থানার বাঁশবুনিয়া গ্রামে জন্ম বিনয়ের। তার বাবা মাভন চন্দ্র ভদ্র ১০৭ বছর বয়সে ৯ বছর আগে মারা যান। তার মা নির্মলা ভদ্র। বিনয় ভ্রদ্রের একমাত্র সন্তান বীণা রানী। শুধু টিভি নাটক বা মঞ্চেই নয় চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। আমজাদ হোসেনের নির্দেশনায় তিনি প্রথম ‘প্রাণের মানুষ’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তবে তার আগে তিনি রেজানুর রহমানের নির্দেশনায় শর্টফিল্ম ‘ঠিকানা’তে অভিনয় করেন। বিনয় ভদ্র অভিনীত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হচ্ছে সোহেল আরমানের ‘এইতো প্রেম’, ওয়াহিদুজ্জামান ডায়মন্ডের ‘অন্তর্ধান’, নোমান রবিনের ‘কমন জেন্ডার’, ‘পাইরেটস অব দি সিক্রেট’ ও সৈকত নাসিরের ‘দেশা দ্য লিডার’।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.