কিশোর মুসা রবিনের অভিযান

রকিব হাসান

এগার.

ধরালাম। মোমের আলোয় দেখলাম, ড্রয়ারে এ রকম আরো দুটো মোমবাতির গোড়া রয়েছে, আস্ত নেই একটাও। আর দিয়াশলাইয়ের বাক্সের, যেটা এখন আমার হাতেÑ বেশির ভাগ কাঠিই জ্বালিয়ে ফেলা হয়েছে।
একটা মোমের আলোয় কিছুই হচ্ছে না, তাই তিনটাই জ্বাললাম। একটা পিরিচ খুঁজে বের করে তার ওপর বসিয়ে দিলাম ওগুলো।
মোমের আলোয় অন্ধকার খানিকটা তাড়াতে পেরে কিছুটা স্বস্তি বোধ করলাম। কিটুর দিকে তাকিয়ে বললাম, ‘এ রকম ভূত সেজেছ কেন? বিশ্রী লাগছে। তুমি সুন্দর, সুন্দর কোনো পোশাক পরা উচিত ছিল...।’
‘কিন্তু এই পোশাকটা আমার খুবই পছন্দ’! কিটু বলল।
‘বেশ, পছন্দ হলে পরে থাকো। তবে তোমার মুখ থেকে মেকআপটা ধুয়ে ফেলো। আমার ভালো লাগছে না।’
‘ঠিক আছে, তা-ই করব,’ রাজি হলো কিটু। ‘হাজার হোক, তুমি এখন আমার বস, বেবিসিটার, তোমার কথা শোনা উচিত।’
ও আমাকে বাথরুমে নিয়ে এলো। হাতঘড়ির দিকে তাকালাম। বিশ্বাসই হচ্ছে না, আটটা বাজার পর মাত্র ২০ মিনিট পেরিয়েছে। মাঝরাত এখনো অনেক দূরে।
কিটু মুখ ধুয়ে পরিষ্কার করে তোয়ালে দিয়ে মুছল। আলখেল্লাটা যদিও ওর বয়সী ছেলের পরনে বেমানান, তবে এখন আর ওকে হরর ছবির ভূতের মতো লাগছে না।
‘এরপর তুমি কী করবে, জানি আমি,’ কিটু বলল। ‘খেতে চাইবে। চলো, নাশতা করি!’
(চলবে)

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.