চট্টগ্রামে লাইসেন্স বন্ধ তবুও বাড়ছে রিকশা

ওমর ফারুক চট্টগ্রাম ব্যুরো

দুই যুগ ধরে চট্টগ্রাম মহানগরে রিকশার নতুন কোনো লাইসেন্স দিচ্ছে না চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি)। অথচ নগরীতে দিন দিন বেড়েই চলেছে রিকশা। এগুলোর বেশির ভাগই চলছে বিভিন্ন সংগঠনের সাইনবোর্ড ও প্লেট লাগিয়ে। সিসিসি সর্বশেষ লাইসেন্স দেয় ১৯৮৮ সালে। তখন লাইসেন্সকৃত রিকশা ছিল ৩৫ হাজার। বর্তমানে রিকশার সংখ্যা ১ লাখ ৮৫ হাজার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিসিসির হুইল ট্যাক্স শাখার একাধিক কর্মী জানান, সিসিসির লাইসেন্স দেয়ার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সিসিসি বছরে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ একাধিক সংগঠনের নামে রিকশার প্লেট বিক্রি হচ্ছে। এভাবে সংগঠনগুলো লাখ লাখ টাকা কামাচ্ছে।
রিকশা নিয়ে শহরজুড়ে চলছে চরম অরাজকতা। থেমে নেই নতুন রিকশা নামানো। দিন দিন বেড়েই চলেছে অবৈধ রিকশা। রিকশার লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত সিটি করপোরেশনের প থেকে ৩৫ হাজার রিকশার লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছিল। প্রায় ২৫ বছর ধরে নগরীতে রিকশার লাইসেন্স প্রদান বন্ধ। ১৯৮৮ সালের পর থেকে নতুন করে আর কোনো রিকশার লাইসেন্স দেয়া হয়নি।
সূত্র জানায়, একাধিক শ্রমিক সংগঠনের নামে প্রতি রিকশা থেকে মাসে ২০০ টাকা হারে চাঁদা আদায় করে একাধিক রিকশা-ভ্যান মালিক সংগঠন। তাদের নেপথ্যে আছেন বিভিন্ন এলাকার জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য। সংশ্লিষ্টরা জানান, সিসিসি থেকে নিয়ম মোতাবেক রিকশার লাইসেন্স দেয়া হলে অরাজকতা অনেকটাই কমে আসত।
এডিসি ট্রাফিক ওয়াহিদুল হক চৌধুরী জানান, বর্তমানে প্রায় দেড় লাখেরও বেশি রিকশা নগরীর বিভিন্ন রাস্তায় চলাচল করছে। নগরীর যানজটের প্রধান কারণ এসব রিকশা। মহানগরীর ধারণমতার চেয়ে বেশি রিকশা চলাচল করায় যানজট সমস্যাও বাড়ছে। এদের নিয়ন্ত্রণ করতে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে ট্রাফিক বিভাগকে।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.