মেয়র আনিসুল হকের দুই জীবন

সমকালীন প্রসঙ্গ
গোলাম মাওলা রনি

ব্যবসায়িক কারণে আনিসুল হকের সাথে আমার প্রথম পরিচয় ঘটে আশির দশকের শেষ দিকে। আমি তখন মনডিয়াল নামের একটি প্রসিদ্ধ ইউরোপিয়ান বায়িং হাউজে চাকরি করতাম। আনিসুল হকের প্রতিষ্ঠান মনডিয়ালের সাপ্লায়ার হওয়ার সুবাদে তাদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজকর্ম করার অভিজ্ঞতায় ব্যবসায়িক আনিসুল হককে যেমন মূল্যায়ন করার সুযোগ পেয়েছি, তেমনি তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কেও ধারণা পেয়েছি মূলত দু’টি কারণে। আমাদের মনডিয়ালে জালাল নামের একজন সহকর্মী ছিলেন, যিনি দেশ গার্মেন্টে চাকরি করার সময়ে আনিসুল হকের সহকর্মী ছিলেন। আনিসুল হক তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন প্রখ্যাত সিএসপি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল কাদের প্রতিষ্ঠিত দেশ গার্মেন্টে চাকরির মাধ্যমে। আমি আমার সহকর্মী জালাল সাহেবের কাছ থেকে বহুবার আনিসুল হক সম্পর্কে বহু কথা শুনেছি।
দ্বিতীয় কারণের জন্য আমি আনিসুল হকের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশার সুযোগ পেয়েছিলাম ১৯৯৫ সালের দিকে। তার এক ব্যক্তিগত স্টাফ নানা আর্থিক অনিয়মের কারণে চাকরিচ্যুত হয়। বিষয়টি তার জন্য খুবই বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এমনকি তার ব্যবসায়িক পার্টনারদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। আনিসুল হক এ অবস্থায় তার ব্যক্তিগত স্টাফের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতি আরো জটিল আকার ধারণ করে। বিষয়টি আমার নজরে এলে আমি আনিসুল হকের সাথে একাধিকবার বৈঠক করে এবং তার পরামর্শে তার অন্যান্য পার্টনার এবং চাকরিচ্যুত স্টাফের সাথে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান দিতে সমর্থ হই। এই ঘটনার মাধ্যমে আমি আনিসুল হকের উদারতা, মানবতা এবং উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে ছাড় দেয়ার মানসিকতা দেখে যারপরনাই অভিভূত হয়ে পড়ি।
উল্লিখিত ঘটনার পর বহু দিন বহু বছর আনিসুল হকের সাথে আমার যোগাযোগ ছিল না। ১৯৯৫ থেকে ২০১০ সাল এই ১৫ বছরে আনিসুল হকের ব্যবসায় ক্রমান্বয়ে সঙ্কুচিত হয়ে পড়লেও তার মানসম্মান, মর্যাদা, পরিচিতি জাতীয়পর্যায়ে ব্যাপক বেড়ে যায়। বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের শীর্ষপর্যায়ে নেতৃত্বদানের পাশাপাশি দেশের শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি, বুদ্ধিজীবী মহলসহ রাজনীতিবিদদের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য সুহৃদ ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। আমি শুনতাম, তার বনানীর নতুন বাসায় প্রায়ই আড্ডার আয়োজন হতো। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পেশার শীর্ষব্যক্তিরা সেই আড্ডায় শামিল হতেন এবং আনিসুল হক ও তার মিসেস রুবানা হকের আন্তরিকতাপূর্ণ মেহমানদারিতে সন্তুষ্ট হয়ে নানান প্রশংসাসূচক বাক্য চার দিকে ছড়িয়ে দিতেন। ফলে তার বাসভবনের অতিথিসংখ্যা যেমন বাড়তে থাকে, তেমনি ওই ভবনের অতিথি হওয়ার বাসনাও অনেকের মনে জাগতে থাকে।
২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনে আমি দক্ষিণবঙ্গের পটুয়াখালী-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর আনিসুল হক তার অভ্যাসমতো টেলিফোনের খুদে বার্তার মাধ্যমে আমাকে স্বাগত জানান। কিন্তু তার সাথে আমার তখনো নতুন করে দেখা-সাক্ষাৎ বা কথাবার্তা হয়নি। ২০১০ অথবা ২০১১ সালের কোনো একসময় হঠাৎ করেই নাটকীয়ভাবে তার সাথে আমার সাক্ষাৎ হয় আরটিভির একটি টকশো প্রোগ্রামে, যেখানে তিনি আমার সহ-আলোচক ছিলেন। আরটিভির মালিকপক্ষ তার ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং এফবিসিসিআই রাজনীতিতে তার সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। সেবার তারা হঠাৎ করেই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্নে সরকারের বিরুদ্ধে এফবিসিসিআই নির্বাচনে ভিন্ন প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মূলত সেই নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত টকশোতে আমরা দু’জন আলোচক হিসেবে নিমন্ত্রণ পেয়েছিলাম।
এ যাত্রায় সাক্ষাতের সাথে সাথেই আনিসুল হক আমার সাথে এমন আন্তরিকতা ও সাবলীলতা দেখালেন, যার কারণে আমি ভুলেই গেলাম, প্রায় ১৫ বছর পর আমাদের দেখা-সাক্ষাৎ হলো। প্রথম দর্শনেই তিনি হাস্যমুখে বললেন, আমি আপনার টকশো নিয়মিত দেখিÑ তবে আমার স্ত্রী দেখেন বেশি। তিনি আপনাকে অনেক পছন্দ করেন। তারপর বললেন যে, অনেক দিন টেলিভিশনে উপস্থাপনা করেছি। দর্শকদের মনমানসিকতা বুঝি। এ কারণেই জসিমকে বলে (আরটিভির পরিচালক ও ব্যবসায়িক নেতা) আপনার সাথে এই বিশেষ টকশোর আয়োজন করেছি। লোকজন আপনাকে দেখে আরটিভির স্ক্রিনে থাকবে কিন্তু মূলত শুনবে আমার কথাÑ আপনি কিন্তু আমাকে কথা বলার বেশি সুযোগ দেবেন। আমি তার খোলামেলা কথা শুনে হেসে দিলাম। অনুষ্ঠান শেষে তিনি দারুণ খুশি হলেনÑ বিদায়বেলা করমর্দনের সময় বললেন, আমার বাসায় দাওয়াত দিলে ভাবীকে নিয়ে আসবেন তো! আমি ঘাড় নেড়ে মুচকি হাসি দিয়ে নিজের সম্মতি জানালাম ও বিদায় নিলাম।
কয়েক দিন পরেই একটি দাওয়াত কার্ড পেলাম। পরপর কয়েকটি এসএমএস ও ফোনকল। আমি আনিসুল হকের দাওয়াত করার পদ্ধতিতে যত বেশি আকৃষ্ট হয়েছিলাম, তার চেয়েও বেশি মুগ্ধ হয়েছিলাম তার আতিথেয়তায়। বহুবার তার বাসায় সস্ত্রীক গিয়েছি এবং শেষবার গিয়েছিলাম তার মেয়র পদে মনোনয়ন লাভের সপ্তাহখানেক আগে। তিনি আড্ডায় সাধারণত নিজে কথা বলতেন না। টিভি উপস্থাপকের মতো হুটহাট চমকপ্রদ প্রশ্ন করে সবাইকে কথা বলার সুযোগ করে দিতেন অথবা সবার মনের ভেতরকার কথাগুলো বের করে আনতেন। তার বিনয়, মাত্রাজ্ঞান এবং অতিথিদের সম্মান করার অসাধারণ সব দক্ষতার জন্য আড্ডা যেন কিছুতেই শেষ হতো নাÑ গভীর রাত পর্যন্ত চলত। তিনি প্রচণ্ডভাবে রাজনীতিসচেতন ছিলেন; কিন্তু মোটেও রাজনৈতিক পদ-পদবির অভিলাষী ছিলেন না। সবার মনের কথা শুনতেনÑ অভাবীদের সাহায্য করতেন এবং দুঃখী মানুষকে সান্ত্বনা জানাতেনÑ কিন্তু নিজের বেদনার কথা, প্রয়োজনের কথা সচরাচর কাউকে বলতেন না।
আনিসুল হক শুধু দাওয়াত দিতেই পছন্দ করতেন নাÑ নিয়মিতভাবে অন্যের দাওয়াতে অংশ নিতেন। বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম ঢাকা কাবে একসময় নিয়মিত আড্ডার অনুষ্ঠান বৃহৎ পরিসরে আয়োজন করতেন, সেখানে আনিসুল হক শুধু অংশই নিতেন না, নিয়মিত জমিয়ে রাখতেন। এ ধরনের আড্ডায় কেন জানি তিনি সঙ্গী হিসেবে আমাকে পছন্দ করতেন। আমরা সবসময় পাশাপাশি বসতাম এবং সমস্বরে কথা বলতাম। তার বক্তব্যের ধরন, সেন্স অব হিউমার এবং উপস্থাপন ভঙ্গিমা চৌম্বকের মতো মানুষকে আকর্ষণ করত। এক দিনের ঘটনা, সেদিন আমরা একত্র হয়েছিলাম গুলশানের একটি ঐতিহ্যবাহী মেজবানের অনুষ্ঠানে। হাতিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য এবং শিল্পপতি ফজলুল আজিম প্রতি বছর বেশ ঘটা করে কয়েক হাজার বিভিন্ন পেশার লোককে দাওয়াত করে তার গুলশানের বাসভবনে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানির খাবারে আপ্যায়ন করেন। ঘটনার দিন আরো অনেক আমন্ত্রিত অতিথির সাথে আমি, আনিসুল হক, ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ, ড. কামাল হোসেন, সাবেক রাষ্ট্রদূত মরহুম ফারুক চৌধুরীÑ একসাথে দাঁড়িয়ে ছিলাম একটি ফাঁকা টেবিলে একসাথে বসার জন্য। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও আমরা যেমন বসতে পারছিলাম না, তেমনি বহু গুরুত্বপূর্ণ মেহমানদের মধ্যে আমাদেরকে একটু আলাদা জায়গা করে দেয়ার চেষ্টা সত্ত্বেও ফজলুল আজিম বারবার ব্যর্থ হচ্ছিলেন। এ অবস্থায় আনিসুল হক কৌতুক করে বলে ওঠেনÑ গুলশানে যে দুর্ভিক্ষ চলছে এবং বুভুু মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেছে, তা এখানে না এলে টেরই পেতাম না।
ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে আনিসুল হকের মনোনয়ন পাওয়া, নির্বাচন এবং মেয়র হওয়া আমার কাছে একটি আকস্মিক ঘটনা এবং কিছুটা অলৌকিক বলেই মনে হয়, যেমনটি তিনি নিজেও মনে করতেন। তিনি সাধারণত ব্যতিক্রমী চিন্তার প্রথাবিরুদ্ধ মানুষ ছিলেন, যা আমাদের প্রচলিত রাজনীতিতে একেবারে বেমানান। তিনি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব পছন্দ করতেন এবং নিজের মতো করে কাজ করতে পছন্দ করতেন। আমাদের দেশের আমলাতন্ত্র, রাজনীতি এবং সরকারি কাজকর্ম বড়ই গতানুগতিক। ফলে নির্বাচন করতে গিয়ে আনিসুল হককে প্রচুর ঘাম ঝরাতে হয়। তার ও তার পরিবারের ওপর বয়ে যায় বহু অপ্রকাশিত ঝড়ঝাপটায় বেদনা ও বিপর্যয়। মেয়র পদে আসীন হওয়ার পর সেই বেদনা আরো বেড়ে যায়। নগরবাসী একজন হাস্যোজ্জ্বল, কর্মতৎপর এবং ছুটে চলা মেয়রকে দেখেছেন কিন্তু একটু লক্ষ করলেই দেখতেন যে, তার প্রতিটি হাসির পেছনে ছিল একরাশ কান্না, তার ছুটে চলার পেছনে ছিল শৃঙ্খলিত শিকলে বাঁধা বড় বড় জগদ্দল পাথর এবং কর্মকাণ্ডের পেছনে ছিল মন্দলোকদের হৃদয়বিদায়ক সমালোচনার বিষাক্ত তীরের আমিত্বের রক্তক্ষরণ।
আনিসুল হকের দুই জীবনের প্রথমটি অর্থাৎ কর্মময় জীবন সম্পর্কে আমি আর বিস্তারিত কিছু বলব না। কারণ, তিনি এই মহানগরীর গত প্রায় অর্ধশতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ও প্রিয়তম একজন ব্যক্তি। তার অনেক কাজ যেমন দৃশ্যমান, তেমনি অসংখ্য কাজ অগণিত মানুষের হৃদয়মন ও মস্তিষ্কে বংশপরম্পরায় প্রবাহিত হতে থাকবে অনাগত ভবিষ্যতে। তার ব্যবসায়, দাতব্য, সামাজিক কর্মকাণ্ড, টিভি উপস্থাপনা, নেতৃত্ব এবং মানবকল্যাণের ব্রতগুলোর পরিধিÑ ততই বৃহৎ ও ব্যাপক যে আমার মতো ুদ্র কলমসৈনিকের পক্ষে তার কর্মময় জীবন নিয়ে নিবন্ধ রচনা অনেকটা অন্ধের হাতি দেখার মতো। কাজেই এদিকে আর না এগিয়ে এবার তার মৃত্যু এবং মৃত্যু-পরবর্তী উপাখ্যান নিয়ে কিছু বলি।
আনিসুল হকের হঠাৎ মৃত্যু আমি এখনো মেনে নিতে পারছি না। তার মৃত্যুতে হঠাৎ বললাম এই কারণে যে, তার অসুস্থতাও আমি মানতে পারিনি। একজন তরতাজা উদ্যোমী মানুষÑ সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় লন্ডনে গেলেন এবং হঠাৎ অসুস্থ হয়ে একেবারে আইসিইউ! তারপর কয়েক মাস জ্ঞানহীন অবস্থায় কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে তিনি হাসপাতালে থাকলেন এবং লাশ হয়ে দেশে ফিরলেনÑ এ যেন রূপকথার এক মহা ট্র্যাজেডির অশ্রুসিক্ত উপাখ্যান। আমি মনে করতামÑ তিনি অবশ্যই সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন এবং কর্মবীর হিসেবে পুনরায় কর্মস্থলে যোগদান করবেন। আমি অনেক দিন ধরে পরিকল্পনা করছিলাম তার শুভকর্ম নিয়ে একটি নিবন্ধ লেখার জন্য। কিন্তু মৃত্যুর পর তার দুই জীবন নিয়ে আমাকে কলম চালাতে হবে এমন ভাগ্যাহত নিবন্ধকার আমি কোনো দিন হতে চাইনি।
লেখার এই অংশ লিখতে গিয়ে আমার হৃদয়ের মধ্যে কেন জানি বারবার তোলপাড় হচ্ছে। কী লিখব বা কী লিখছি তা নিজেই টের পাচ্ছি না। তার হাস্যময় অভিব্যক্তির বড় বড় ছবি, তার কর্মকাণ্ডের জীবন্ত সব দৃশ্য এবং আমার সাথে তার মধুরতম স্মৃতিগুলো বিরাট একেকটা পর্বতের মতো ভারী হয়ে আমার হৃদয়কে আচ্ছন্ন করে তুলছে। তিনি নেই এটা কেন যেন মানতে পারছি না। তার মৃত্যুকে আমার এখনো মনে হচ্ছে স্বপ্নের মতো। এমন একটি সম্মানজনক এবং আলোচিত- আলোড়ন সৃষ্টিকারী মৃত্যুর আকাক্সা যেন আমার জীবনের ব্রত হয়, সেই আগ্রহ সৃষ্টির জন্যই হয়তো প্রকৃতির দয়ায় আমি আনিসুল হকের মৃত্যু, ঢাকাবাসীর হাহাকার, দেশবাসীর আহাজারি, তার নামাজে জানাজা ও কুলখানিতে রেকর্ড ব্রেক করা জনসমাগমের দৃশ্য ঘুমন্ত অবস্থায় দেখছি। হয়তো কিছুক্ষণ পর আমার ঘুম ভেঙে যাবেÑ হয়তো আমি আবার আনিসুল হকের বাসায় নিমন্ত্রিত হবো। আগের মতো তিনি তার স্ত্রীকে নিয়ে ফুল হাতে আমি ও আমার স্ত্রীকে তার বাড়ির সদর দরজায় দাঁড়িয়ে স্বাগত জানাবেন। তার প্রিয় ছেলে আঙ্কেল বলে আমার দিকে এগিয়ে আসবেনÑ আমরা হাসব, জীবনের গল্প শুরু করব এবং একটি সুখী বাংলাদেশ বিনির্মাণে নতুন করে স্বপ্ন দেখব!

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.