আলোচনা সভায় বক্তারা জীববৈচিত্র্য রক্ষা করেই কৃষিকাজ করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

জীববৈচিত্র্য রক্ষা করেই কৃষিকাজ করতে হবে। অন্যথায় সাময়িকভাবে লাভ হলেও ভবিষ্যতে পরিবেশের জন্য তা ক্ষতির কারণ হবে।
রিসার্চ ইনিশিয়েটিভস, বাংলাদেশের উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন। সিরডাপ অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশে এগ্রো-ইকোলজির গুরুত্ব’ শীর্ষক একটি কনসালটেশন মিটিং আয়োজন করে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রিইবের প্রকল্প পরিচালক সুরাইয়া বেগম। সভাপতিত্ব করেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক এম এম আকাশ। রিইব বাংলাদেশের চারটি কৃষি-প্রতিবেশ এলাকায় (বগুড়া, নীলফামারী, চট্টগ্রাম ও সাতক্ষীরা) জার্মানির রোসা লাক্সেমবার্গ স্টিফটুংয়ের সহায়তায় জীববৈচিত্র্য নির্ভর চাষাবাদ (এগ্রো-ইকোলজি) সম্প্রসারণে ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জ্ঞানভিত্তিক কৃষি প্রতিবেশ : শিক্ষণ ও গণগবেষণা শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পের কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা জাতীয়পর্যায়ে কৃষিবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারক, রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে বিনিময় করার জন্য এবং রিইব প্রস্তুতকৃত ‘জীববৈচিত্র্য নির্ভর কৃষি ম্যানুয়াল’-এর মোড়ক উন্মোচনে আজকের কনসালটেশন মিটিং আয়োজন করা হয়। ম্যানুয়ালের মোড়ক উন্মোচন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক কৃষিবিদ হামিদুর রহমান।
বক্তারা আরো বলেন, বর্তমানে কৃষক বীজের জন্য বাজারের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। কৃষির যাবতীয় সরঞ্জাম ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, পাম্প, কীটনাশক, ছত্রাকনাশক, আগাছানাশক, সার প্রভৃতির জন্য হন্যে হয়ে কৃষককে ঘুরতে হচ্ছে। ষাটের দশক থেকে সবুজ বিপ্লবের মাধ্যমে তথাকথিত আধুনিক কৃষির প্রচলনের ফলে বাংলাদেশে মাটির উর্বরতা ক্রমে হারিয়ে যাচ্ছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি কৃষিবিদ অধ্যাপক ড. মো: সেকান্দার আলী, অ্যাডভোকেট শামসুল হক রেজা এবং লুপ্ত ধানের রক্ষক ইউসুফ মোল্লা। ম্যানুয়াল সম্পর্কে আলোচনা করেন কৃষিবিদ হামিদুর রহমান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার ড. রনজিৎ সেন, প্রাকৃতিক কৃষির সমন্বয়ক দেলোয়ার জাহান প্রমুখ।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.