সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ;বাসস
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ;বাসস

বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে বিশেষ উদ্যোগ নয় : প্রধানমন্ত্রী

বাসস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তার ব্যক্তিগত তরফ থেকে কোনো রকম উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভবনাকে নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সংসদীয় গণতন্ত্রের রীতি অনুযায়ী যেভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, ঠিক সেভাবেই ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রত্যেকটি দলেরই কর্তব্য।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আর অপাত্রে ঘি ঢালতে যাব না। আর নির্বাচনও কারো জন্য অপেক্ষা করে থাকবে না।’ তিনি গতকাল বিকেলে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কম্বোডিয়া সফর নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হলেও আগামীর সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ এবং সৌদি আরবের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যানুযায়ী জিয়া পরিবারের প্রায় ৫০০ কোটি টাকা সেখানকার ধনকুবেরদের ব্যবসায়ে লগ্নীকরণের বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকেরা তাকে প্রশ্ন করেন। তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টিও সাংবাদিকদের প্রশ্নে স্থান পায়। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে মিয়ানমারের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণার মতো আন্তর্জাতিক বিষয়গুলোও উঠে আসে সাংবাদিকদের প্রশ্নে।
প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ সম্পর্কে বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নিজেদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তারা নির্বাচন করবে কি না। তবে, আমার মনে হয় বিএনপি ২০১৪ সালের মতো ভুল আর করবে না’Ñ বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বিএনপিকে ২০১৪ সালের নির্বাচনে আনতে গিয়ে দলটির চেয়ারপারসনের কাছ থেকে প্রাপ্ত অশালীন ও অমানবিক আচরণের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, যাদের মধ্যে এতটুকু ভদ্রতা জ্ঞান নেই তাদের সাথে কথা বলার প্রয়োজন মনে করি না।
বেগম জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর পর সহানুভূতি জানাতে গেলে তাকে ভবনে প্রবেশ পর্যন্ত করতে না দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়ার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেই ফেলেন, তাকে আবার তাদের (বিএনপি ও বেগম জিয়া) দরজায় কোনো অনুরোধ নিয়ে যাওয়ার মতো জুলুম যেন আর করা না হয়। সেই সাথে নির্বাচনে না এসে অতীতের মতো যদি বিএনপি কোনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর চেষ্টা করে তাহলে জনগণই তাদের প্রতিরোধ করবে বলেও তিনি বিএনপিকে সতর্ক করে দেন।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক কম্বোডিয়া সফরের সাফল্য নিয়ে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন। আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনাকেও নাকচ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি যে, আমাদের আগাম নির্বাচনে যেতে হবে।’
রোহিঙ্গা সঙ্কটসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার এই ইস্যুতে অব্যাহতভাবে বিপুল বৈশ্বিক সমর্থন পাচ্ছে এবং তিনি তার কম্বোডিয়া সফরকালে নমপেনকে রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে আসিয়ান নেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টির অনুরোধ জানিয়েছেন।
বিএনপি ক্ষমতায় এলে ক্ষমা করে দেয়া সংক্রান্ত খালেদা জিয়ার সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার কাছে এ মন্তব্যটি দ্ব্যর্থক মনে হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি সম্পূর্ণ পরিষ্কার নই, বিএনপি চেয়ারপারসন ক্ষমা করছেন, নাকি ২০০৪ সালে আমাকে হত্যা করতে গ্রেনেড হামলা চালানোর জন্য ক্ষমা চাচ্ছেন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কি অপরাধ করেছি যে, আমার তার ক্ষমা প্রয়োজন?’ তিনি বলেন, ‘বরং সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া, আহসানউল্লাহ মাস্টার এমপি, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা এবং ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর কয়েক হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের ক্ষমা চাওয়া উচিত।’ প্রধানমন্ত্রী তার প্রাণনাশের সব প্রচেষ্টার জন্য বিএনপিকে অভিযুক্ত করে বলেন, ‘প্রতিটি ঘটনাই তাদের উসকানি ও হুমকির পরপর ঘটেছে।’ তিনি বলেন, ‘তারা আমি কখনো প্রধানমন্ত্রী বা বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারব না ঘোষণা দেয়ার পর আমাকে হত্যার জন্য ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রেখেছিল।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও দায়ের করেনি। অথচ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর তার (শেখ হাসিনা) বিরুদ্ধে ডজনখানেক মামলা দায়ের করেছিল।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির সব অভিযোগ এনেছে গত তত্ত্বাবধায়ক সরকার, যে সরকারে রাষ্ট্রপতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান ও তৎকালীন সেনাপ্রধানের মতো লোক ছিল, যাদের সবাই খালেদা জিয়ার প্রিয়ভাজন ছিলেন।
খালেদা জিয়ার বিচার এড়ানোর মানসিকতার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি একটি দুর্নীতির মামলা স্থগিত করতে দেড়শ’বারের বেশি আবেদন করেছেন এবং বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে ২২/২৩টি রিট পিটিশন দায়ের করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এমপি ছবি বিশ্বাস ও পুলিশের ওপর বিএনপি সমর্থকদের হামলার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘প্রতিবার আদালতে যাওয়ার পথে তিনি (খালেদা) নগর জীবনে বিশৃঙ্খলা ও গণ্ডগোল সৃষ্টি করেছেন।’
শেখ হাসিনা ২০১৩-১৪ ও ১৫ সালে সারা দেশে বিএনপি-জামায়াতের আগুন সন্ত্রাসের কথা স্মরণ করে বলেন, সেসব অপকর্মের জন্য খালেদা জিয়ার নিজের জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিপুল সম্পদ সৌদি আরবে পাচারের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুঃখের বিষয় যে, বিদেশী সংবাদ মাধ্যমে খবর এসেছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে আসেনি। তিনি বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক যে, দু’টি টিভি চ্যানেল ও দু’টি সংবাদপত্র ছাড়া এ খবর প্রকাশের ব্যাপারে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কোনো আগ্রহ দেখায়নি। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, দেশে বর্তমানে চালু আছে এমন বেশির ভাগ সংবাদপত্র ও টিভি চ্যানেলের লাইসেন্স তার সরকারই দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের মালিক ও সাংবাদিকদের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট এমন সংবাদের ওপর মনোনিবেশ করার ক্ষেত্রে আরো সাহস দেখানো আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মিডিয়া খুনিদের পৃষ্ঠপোষক ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির প্রতি এত দুর্বল কেন তা আমি বুঝতে পারি না।’
কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের আমন্ত্রণে গত ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়া সফর করেন। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারের অন্যান্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তার সফরসঙ্গী ছিলেন। এ ছাড়া ৮-সদস্যের বৌদ্ধ ধর্মীয় ভিুদের একটি প্রতিনিধিদল এবং একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলও প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের ল্েয সহায়তা করার ব্যাপারে আমার অনুরোধে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। তিনি আসিয়ানের ‘সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার’ হওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার পে সমর্থন ব্যক্ত করেন। তা ছাড়া, ‘মেকং-গঙ্গা সহযোগিতা ফোরাম’-এ বাংলাদেশের যোগ দেয়ার ব্যাপারে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কম্বোডিয়া দণি-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশের অন্যতম বন্ধুপ্রতিম দেশ। প্রাচীনকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। দুই দেশই ১৯৭০-এর দশকে ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণের শৃঙ্খল ভেঙে রক্তয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। উভয় দেশই গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের শিকার হয়েছে এবং স্বীয় প্রচেষ্টায় ধ্বংসস্তূপ থেকে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোটনিরপে শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর সাথে কম্বোডিয়ার প্রয়াত রাজা প্রিন্স নরোদম সিহানুকের সাাতের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের যাত্রা শুরু হয়। দুই দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের মধ্যেও সাদৃশ্য রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও কম্বোডিয়া মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার ল্য অর্জনের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এ কারণে দুই দেশের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে আমরা উভয়ই লাভবান হবো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার আমন্ত্রণে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেন ২০১৪ সালের ১৬ থেকে ১৮ জুন বাংলাদেশ সফর করেন। সে সময় দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
এবারের সফরে সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পিস প্যালেসে দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সাথে তার একান্ত বৈঠক শেষে একটি চুক্তি ও ৯টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, মৎস্য, পর্যটন, তথ্যযোগাযোগ প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন েেত্র দ্বিপীয় সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
তিনি বলেন, ‘আমরা উভয় দেশই কূটনৈতিক সম্পর্ক গভীরতর করার ল্েয পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে জয়েন্ট কমিশনের প্রথম বৈঠক আগামী বছরের প্রথম ভাগে করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। এ ছাড়া বাণিজ্য সম্পর্ক গতিশীল করার উদ্দেশ্যে গঠিত বাণিজ্যমন্ত্রী পর্যায়ে জয়েন্ট ট্রেড কাউন্সিলের প্রথম সভাও আগামী বছর অনুষ্ঠানের ব্যাপারে উভয়প সম্মত হই। কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ে নিয়মিত পর্যালোচনা বৈঠকের প্রস্তাব করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর কম্বোডিয়ার রাজা নরদম সিহামনির সাথে তিনি সৌজন্য সাাৎ করেন। সেদিন বিকেলেই কম্বোডিয়ার চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত একটি ‘বিজনেস ডায়ালগ’-এ প্রধান অতিথি হিসেবেও তিনি যোগদান করে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের উভয় দেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। এ ছাড়া তিনি কম্বোডিয়ার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট হেং স্যামরিন এবং সিনেটের প্রেসিডেন্ট পিকদে সে চুমের সাথে বৈঠক করেন।
দুই দেশের পার্লামেন্টের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত নৈশভোজেও অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সফরকালে কম্বোডিয়া সরকার নমপেনের ৩৩৭ নম্বর সড়কটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নামকরণের ঘোষণা দেয়। আমরাও ঢাকার বারিধারা কূটনৈতিক এলাকায় অবস্থিত ‘পার্ক রোড’ রাস্তাটি কম্বোডিয়ার প্রয়াত রাজা নরোদম সিহানুকের নামে নামকরণের ঘোষণা দেই’, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.