স

নির্বাচন কমিশনের দ্বৈত নীতির প্রতিবাদ জিএম কাদেরের

সরকার মাজহারুল মান্নান রংপুর অফিস

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিষয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি নমনীয় হলেও অন্য প্রার্থীদের বেলায় তা কড়াকড়ি করা হচ্ছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের এই দ্বৈত নীতির প্রতিবাদ জানিয়েছি। নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে উদ্যোগ না নিলে সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে।

শনিবার রাত ৯ টায় রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার পক্ষে নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে তিনি নয়া দিগন্তকে একথা বলেন। এসময় তার সাথে ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক মহানগর জাতীয় পার্টির সেক্রেটারী এসএম ইয়াসির, যুগ্ম সম্পাদক হাজি আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর ছাত্র সমাজের সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন সুমন প্রমুখ।]

জিএম কাদের বলেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তফা মাটি ও মানুষের নেতা। রংপুর মহানগরীর প্রত্যেকটি মানুষ তাকে চেনে জানেন। তিনি একজন পরীক্ষিত দুর্নীতিমুক্ত মানুষ। তিনি নির্বাচিত হলে আগে যেমন ছিলেন পরেও ঠিক মাটি ও মানুষের নেতাই থাকবেন। তিনি বলেন, রংপুরের মানুষেল ভালোবাসা জাতীয় পার্টিকে বাঁচিয়ে রেখেছে। জাতীয় পার্টি আপনাদের ঋণ কখনই পরিশোধ করতে পারবে না। মোস্তফাকে মেয়র নির্বাচিত করার মাধ্যমে রংপুরের পরিকল্পিত উন্নয়ন করে আপনাদের পাশে দাঁড়াতে চায় জাতীয় পার্টি।

তিনি বলেন, মোস্তফার পক্ষে লাঙ্গলের পক্ষে গণ জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ ই গণজোয়ারকে কেউ রুখতে পারবে না। কিন্তু আমরা দুঃখের সাথে লক্ষ করছি, নৌকা প্রতীকের প্রতীকের প্রার্থী মঞ্চ সাজিয়ে, বহর নিয়ে, অটো ও ট্রাকে নৌকা ব্যবহার করে, নির্বাচন কমিশন ঘোরও করে, আমাদের দলের নেতাকে হুমকি দিয়ে মারাত্মকভাবে আচরণবিধি লংঘন করছেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাদের বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। এতে মানুষ আস্থা হারাতে পারেন। নির্বাচন কমিশনকে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে।

জিএম কাদের বলেন, ভোটের দিন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত ভোট কেন্দ্র পাহারা দেবে। প্রিজাইটিং অফিসারের কাছ থেকে ফলাফল শিট লিখে নিয়ে কেন্দ্র ত্যাগ করবে। এর বাইরে ভিন্ন কোন কিছু করার চেষ্টা করা হলে তা কঠোরভাবে মোকাবেলা করবে ভোটাররা।

জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে জিএম কাদের শনিবার সন্ধ্যায় রংপুর আসেন।
আগামী ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এই ভোট। প্রথমবার ভোট হয়েছিল ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর। ওই নির্বাচনে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাকে ২৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছিলেন সরফুদ্দীন আহম্মেদ ঝন্টু। এবার মোস্তফা জাতীয় পার্টির এবং ঝন্টু আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.