বাংলাদেশ আসছেন ইন্দোনেশিয়া সুইজারল্যান্ড ও ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম ও সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্টরা বাংলাদেশ সফরে আসছেন।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকে উইদোদো চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে এবং ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ট্রুং তান সাং ও সুইজাল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট এলেন বার্সেট আগামী মাসে আসছেন। শীর্ষ পর্যায়ের এসব সফর নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ রাখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সফরের বিস্তারিত নিয়ে কাজ চলছে।

এদিকে ২০১৭ সালে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছে এবং ২০১৮ সালের সম্ভাব্য বিশ্ব পরিস্থিতিতে সরকারের অবস্থান কি হবে - তা নিয়ে গতকাল রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দিনব্যাপী উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।

পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ও তদুর্ধ পদমর্যাদার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সকাল ১০টা শুরু হওয়া এই বৈঠক সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলে।

বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকরা তাদের অনুবিভাগের কর্মকাণ্ড বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রভাব বিস্তারে বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, জনশক্তি রফতানির অগ্রগতিসহ সার্বিক ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবেলায় বাংলাদেশের নেয়া পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করা হয়েছে। এছাড়া চলতি বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিদেশী কূটনীতিকদের চলমান ও সম্ভাব্য তৎপরতার ওপরেও আলোকপাত করা হয়েছে।

এতে ২০১৭ সালে জাতিসঙ্ঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। একইসাথে চলতি বছর এ তৎপরতা আরো জোরদার করতে অংশীদারদের সাথে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভবন ২০ তলা হচ্ছে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিদ্যামান ভবনকে ভেঙে একটি নতুন ২০ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের প্রবেশ মুখের কাছে অপর একটি আটতলা ভবন নির্মিত হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বর্তমান ভবন ভেঙে প্রথমে আটতলা ভবনে মন্ত্রণালয়ের দফতরগুলোর সরিয়ে নেয়া হবে। এরপর ২০ তলা ভবন নির্মাণ কাজে হাত দেয়া হবে। পরে দুটি ভবনেই দফতরগুলোর বিন্যাস করা হবে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক তৎপরতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে দফতর সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনা সুচারুভাবে বাস্তবায়নের জন্য দফায় দফায় বৈঠক চলছে।

মন্ত্রণালয় ছাড়াও বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও হাইকমিশনগুলো নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর ও প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্বের নানা প্রান্তে বাংলাদেশ মিশনের সম্প্রসারনের ওপরেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.