কোনো সাম্প্রদায়িক অপশক্তিই দু’দেশের মেলবন্ধনে হুমকি হতে পারে না : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি ও ভারতীয় সেনাদের দেয়া রক্তে পদ্মা-মেঘনা-যমুনার পানি আজো লাল। কোনো সাম্প্রদায়িক অপশক্তিই দু’দেশের এ মেলবন্ধনের প্রতি হুমকি হতে পারে না। সাম্প্রদায়িকতা নির্মূল করতে পারলেই শান্তি ও উন্নয়নের পথে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পথ সুগম হবে।

চলচ্চিত্রকে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি নির্মূলের হাতিয়ার হিসেবে বর্ণনা করে কলকাতায় চারদিনব্যাপী বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করে হাসানুল হক ইনু একথা বলেন।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় কলকাতার নন্দন চলচ্চিত্র কেন্দ্রের দু'নম্বর প্রেক্ষাগৃহে, কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন তিনি।

ইনু আরো বলেন, চলচ্চিত্র মাধ্যমটি মানুষকে সবচেয়ে বেশি কাছে টানে, মানুষের মাঝে আবেগ সঞ্চার করে, তাকে ভাবতে শেখায়, আর আলোকচিত্র হচ্ছে কালের প্রতিচ্ছবি। বাংলাদেশ ও ভারতে দু’দেশের চলচ্চিত্র ও আলোকচিত্রের নিয়মিত প্রদর্শনী দু’দেশের সম্পর্ককে আরো গভীর করবে, বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিদ্যুৎ ও অচিরাচরিত শক্তি উৎস বিভাগের মন্ত্রী শ্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সম্মানিত অতিথির বক্তৃতায় বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন না হলে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশ এপর্যায়ে উন্নীত হতো না।
নয়াদিল্লীতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

৫ থেকে ৮ জানুয়ারি কোলকাতার নন্দ কেন্দ্র ও নজরুল তীর্থে বাংলাদেশের ২৪টি সিনেমা এবং ৮৩টি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: মনজুরুর রহমানের সঞ্চালনায় ও কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসানের সভাপতিত্বে প্রখ্যাত ভারতীয় সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব বিভাস চক্রবর্তী, চলচ্চিত্রশিল্পী প্রসেনজিৎ, কোয়েল মল্লিক, গার্গী রায়, কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) মো: মোফাখখারুল ইকবাল, উৎসবের কর্মব্যবস্থাপনা সংস্থা অনার্য কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিক রহমান ও উপদেষ্টা সুনীত কুমার পালধিসহ বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.