হজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম

ধর্মমন্ত্রীর পিএস ও এপিএসকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

হজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে ধর্মমন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) ও এপিএসসহ চার কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বুধবার দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন- ধর্মমন্ত্রীর পিএস ড. আবুল কালাম আজাদ, এপিএস শফিকুর রহমান শফিক, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম ও আবু সাইদ।

অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্র জানায়, কমিশন ১৮টি হজ এজেন্সির অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর দুদকের সহকারী পরিচালক মাসুদুর রহমানকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়। অনুসন্ধান চলাকালে দুদকের পুরাতন অভিযোগের সাথে যোগ হয়েছে আরো কিছু নতুন অভিযোগ। এর মধ্যে ২০১৬ সালের বছর শেষে হজে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিষয়ে মোট ২২৮টি হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ে মন্ত্রণালয়ে। যা দুদকে পাঠানো হয়েছে।

এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, হাজিদের মানসম্মত ট্রলিব্যাগ না দেয়া, ভিসা থাকার পরও হজে পাঠাতে টালবাহানা, সৌদি আরবে তাসরিয়াবিহীন (চুক্তিহীন) বাড়িতে রাখা ও নিম্নমানের খাবার দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নভেম্বরে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ধর্ম মন্ত্রণালয়। কমিটির তদন্তেও হজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও প্রতারণার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। খুব শিগগরিই তাদের তদন্ত প্রতিবেদন দুদকে পাঠানো হবে।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল রাজধানীর পল্টন এলাকায় হজ এসেন্সির অফিসগুলোতে অভিযানে যায়। দুদকের টিম রাজধানীর পল্টনে উলামা-আউলিয়া হজ গ্রুপ, সাঈদ এয়ার ইন্টারন্যাশনাল ও ইউরোশিয়া হজ এজেন্সিসহ চার এজেন্সির অফিসে অভিযান চালায়। অভিযানকালে একমাত্র সাঈদ এয়ার ইন্টারন্যাশনাল ছাড়া অন্য এজেন্সিদের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। দুদকের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যান।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.