কাপ্তাই হ্রদ ঘুরে এলেন ইডিইউর শিার্থীরা

চট্টগ্রাম ব্যুরো

কাস-পরীা নিয়ে বছরজুড়ে মাতামাতি। ঘুম থেকে উঠে রিকশায় চড়ে সোজা ইউনিভার্সিটিতে। সারাদিন জ্ঞানের রাজ্যে ডুবে থাকার পর পিঠে ব্যাগ ঝুলিয়ে ফের সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরা। তারুণ্যমাখা ব্যস্ত জীবনে আনন্দময় একটি দিনের জন্য অনেক দিন থেকেই যেন অপো সবার। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রানী কাপ্তাইয়ে মনোরম পরিবেশে তেমনি একটি দিন কাটালেন চট্টগ্রামের ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউর) অর্থনীতি বিভাগের একঝাঁক শিার্থী। পাহাড় আর হ্রদের মিতালী দেখতে সম্প্রতি ক্যাম্পাস থেকে প্রকৃতির কাছে ছুটে গিয়েছিলেন এই বিভাগের ছাত্রছাত্রী ও শিকেরা। সেখানে চড়েছেন নৌকতে। করেছেন হই হুল্লোড়। মেতেছিলেন কথামালায়। চমৎকার দিনটি স্মৃতি হয়ে থাকল ক্যালেন্ডারের পাতায়। ইডিইউর বাসে চড়ে ঠাসাঠাসি করে যাত্রা পথে সবাই গান ধরেছিলেন আপনমনে। ‘আজ মন চেয়েছে/আমি হারিয়ে যাব/হারিয়ে যাব আমি/তোমার সাথে।’ কাপ্তাই লেকের নৌকাতে তারুণ্যের জোয়ারে একটু পরপরই দুলে উঠছিল মনপ্রাণ। কেউ কেউ বাইরের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করে রাখতে ভুললেন না। সেলফি তুলতে দেখা গেল আবার অনেককে।
আমন্ত্রিত অতিথি ইডিইউর অ্যাসোসিয়েট ডিন ড. মোহাম্মদ রকিবুল কবির ও ইংরেজি বিভাগের লেকচারার সাবরিন সরোয়ার সবার সঙ্গে মেতেছিলেন গানের আড্ডায়। অর্থনীতি প্রোগ্রামের কোর্স কো-অর্ডিনেটর লেকচারার অনন্যা নন্দী বলেন, ভ্রমণের পুরনো ঐতিহ্য হলো পিকনিক। তবে এটা কেবল নিছক আনন্দের জন্য নয়, আমার কাছে মনে হয় এখান থেকে শেখারও আছে অনেক কিছু। বিভাগের অপর শিক লেকচারার তাসমিন চৌধুরী বহ্নি বলেন, প্রকৃতি আমাকে খুব টানে। পাহাড় দেখলে মনটা অভিমানী হয়ে ওঠে। কাসের বাইরে শিকদের কাছে পেয়ে দুষ্টমিতে মেতে উঠতে ভুল করলেন না উঠতি অর্থনীতিবিদেরা।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.