আজ তৃতীয় দিন ৪৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা অসুস্থ হয়ে পড়েন।
আজ তৃতীয় দিন ৪৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা অসুস্থ হয়ে পড়েন।

আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আমরণ অনশন করছেন, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষিকারা। একে তো তীব্র শীত, তারওপর তিন দিনের একটানা অনাহার অবস্থায় দিনরাত রাজপথে অবস্থান করে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেক শিক্ষক।

আজ তৃতীয় দিন ৪৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। আগের দুই দিন মিলিয়ে গতকাল পর্যন্ত ৮১ জন অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন বলে জানান, স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্বপালনরত স্বতন্ত্র মাদরাসা শিক্ষক নিজাম উদ্দিন ও আবু সাঈদ।

মাদরাসা বোর্ড কর্তৃক রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণের দাবিতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক সমিতির নেতৃত্বে সারা দেশ থেকে কয়েক হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা যোগ দিয়েছেন অনশনে। গত ১ জানুয়ারি থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি থেকে গত ৯ জানুয়ারি থেকে আমরণ অনশন শুরু করেন তারা। অনশনে প্রতিদিন বাড়ছে শিক্ষকদের সংখ্যা। অনশনে যেসব শিক্ষক যোগ দিয়েছেন তাদের বেশির ভাগই বয়স্ক শিক্ষক যাদের অনেকে ২০ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষকতা করে আসছেন। যোগ দিয়েছেন অনেক নারী শিক্ষক।

শিক্ষকেরা জানান, সব সরকারের সময় তাদের আশা দেয়া হয়েছে এমপিওভুক্তি বা জাতীয়করণ বিষয়ে। এভাবে বছরের পর বছর পার হয়ে গেছে। সরকার পরিবর্তন হয়েছে বারবার। কিন্তু তাদের দিকে কেউ মনোযোগ দেয়নি।

এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে জাতীয়করণের ঘোষণা শুনতে চান তারা।

শিক্ষকেরা জানান, ১৯৯৪ সালে একই পরিপত্রে রেজিস্টার্ড প্রাইমারি স্কুল ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা ভাতার আওতায় আনার ঘোষণা দেয়ার পর সব রেজিস্ট্রার্ড প্রাইমারি স্কুল জাতীয়করণ করা হয় কিন্তু স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা জাতীয়করণ করা হয়নি।

১৯৮৪ সালে মাদরাসা বোর্ড ১৮ হাজার ১৯৪টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা রেজিস্ট্রেশন দেয়। বেতন ভাতার অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক মাদরাসা।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.