ঈশ্বরগঞ্জের ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাশে বড় বড় গাছের গুঁড়ি  : নয়া দিগন্ত
ঈশ্বরগঞ্জের ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাশে বড় বড় গাছের গুঁড়ি : নয়া দিগন্ত

অবৈধ স্থাপনা ও কাঠের গুঁড়ির দখলে ময়মনসিংহ কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক : বাড়ছে দুর্ঘটনা

মো: আব্দুল আউয়াল ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ)

ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের দুই পাশ অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ এবং কাঠের গুঁড়ি ফেলে রাখায় মহাসড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা। এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ ও রাস্তায় স’মিলের কাঠের গুঁড়ি রাখার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।
ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে কিশোরগঞ্জ সড়ক বিভাগ। ঈশ্বরগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের রঘুরামপুর থেকে কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত সড়কের ৩৭ কিলোমিটারে অবৈধ স্থাপনা রয়েছে ৫১২টি। পাকা, আধাপাকা, সেমিপাকা ও টিনশেড, টঙঘর করে সড়ক বিভাগের জমি দখলে নিয়েছে প্রভাবশালীরা। সড়ক বিভাগের তালিকা অনুযায়ী শম্ভুগঞ্জ মোড় থেকে শিবপুর বাজার পর্যন্ত ২০১টি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে (শম্ভুগঞ্জ মোড় এলাকা ৩৭টি, সাহেবকাচারি বাজারে ৪৫টি, চরশ্রীরামপুরে ১০টি, গাজীপুর বাজারে ৯টি, কলতাপাড়া বাজারে ৪১টি, রামগোপালপুরে ৩৯টি, শিবপুর বাজারে ২০টি। ঈশ^রগঞ্জের রহমতগঞ্জ থেকে গালাহার বাজার পর্যন্ত ২২১টি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। রহমতগঞ্জে ১১টি, ঈশ^রগঞ্জ সেতুর উত্তর ও দক্ষিণ পাশে ৯৫টি, হারুয়া বাজারে ২১টি, লক্ষ্মীগঞ্জ বাজারে ৩৯টি, মাইজবাগ বাজারে ৪০টি, বটতলা বাজারে ৭টি, গালাহার বাজারে ৮টি। নান্দাইল উপজেলার কানুরামপুর বাজার থেকে চামটাবাজার পর্যন্ত ৯০টি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে।
এ দিকে মহাসড়কের পাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স’মিলগুলোতে আনা কাঠ ব্যবসায়ীদের ফেলে রাখা গুঁড়ি সড়কে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করছে। সড়কের পাশে কাঠের গুঁড়ি রেখে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করায় ৬০ ব্যবসায়ীকে সড়ক বিভাগ এগুলো অপসারণের চিঠি দিলেও মহাসড়ক থেকে কাঠের গুঁড়ি সরানো হয়নি।
ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত সড়টি দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন ঈশ্বরগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও নান্দাইলে রয়েছে উপবিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয়। সড়ক বিভাগের অধীনে থাকা জমি দখলমুক্ত, সড়ক সংস্কার ও উন্নয়নের দায়িত্বে দুটি দফতর থাকলেও প্রকাশ্যে দখল হয়ে যাচ্ছে সড়ক বিভাগের জমি।
ঈশ্বরগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো: বাবুল হোসেন জানান, সড়কে অবৈধ স্থাপনা ও কাঠের গুঁড়ি রেখে সমস্যা সৃষ্টি করায় পৃথক তালিকা করা হয়েছে। মহাসড়ক থেকে গাছের কাণ্ড সরাতে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতরে তালিকা দেয়া হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.