হকি খেলোয়াড়দের অন্য উৎসাহ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

দলে নতুন মুখ চারজন। গোলরক্ষক সজিবুর রহমান, ফরোয়ার্ড প্রসেনজিৎ রায়, মিডফিল্ডার ও আশিক মাহমুদ সাগর ও নাজমুল ইসলাম। এর মাঝে নাজমুল সেনাবাহিনীর। অন্য তিনজন বিমান বাহিনীর। পুরনোদের চেয়ে তাদের উৎসাহ কিছুটা ভিন্ন বৈকি। যদিও তাদেরকে একেবারেই নতুন বললে ভুল হবে। অনেক আগ থেকেই তারা কোনো না কোনোভাবে জাতীয় দলের সাথে জড়িত ছিলেন। পরে বাদ পড়েছেন। এবার তারা ফের নতুন করে শুরু করে চূড়ান্ত দলে জায়গা করে নিতে চান। তাদের কথায়, ‘অনেক দিন পর যেহেতু প্রাথমিক ক্যাম্পে সুযোগ হলো সেহেতু চেষ্টা থাকবে চূড়ান্ত দলে জায়গা করে নিতে।’
হকি প্রাথমিক দলে জায়গা পেয়েছেন ৩৮ জন। গতকাল মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে রিপোর্টিং করেছেন ৩৬ জন। অন্য দু’জন আজ সকালে ক্যাম্পে যোগ দেয়ার কথা। প্রধান কোচ মাহবুব হারুন, সহকারী কোচ জহিরুল ইসলাম মিতুল ও আশিকুজ্জামান গতকাল খেলোয়াড়দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সন্ধ্যার পর বোর্ড রুমে খেলোয়াড়দের সাথে মতবিনিময় ও দিকনির্দেশনা দেয়া হয়। মাঠে শুরু থেকেই উপস্থিত ছিলেন অ্যাডহক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাদেক। কথা বলেন বিভিন্ন বিষয়ে, ‘আমার চেষ্টা থাকবে খেলোয়াড়দের একটা বিহিত করা। ক্লাবগুলোর সাথে আলোচনা করে লিগ করার ব্যাপারে যা ভালো হয়- সেপথেই এগোবো। খেলোয়াড়দের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে। দায়িত্ব যখন দেয়া হয়েছে তখন শতভাগ দিতে চেষ্টা করব। আজকে (গতকাল) ছেলেরা রিপোর্টিং করল। তারা এশিয়ান গেমসের জন্য ক্যাম্প করবে। সর্বাধিক সুযোগ সুবিধা দিয়েই প্রশিক্ষণ ক্যাম্প চালু হবে।’
জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার মামুনুর রহমান চয়ন জানান, ‘এশিয়া কাপের পর বলতে গেলে বেকারই ছিলাম। ফিটনেস ফিরতে একটু সময় লাগতে পারে। আশা করছি কয়েক দিনে ঠিক হয়ে যাবে। মাহবুব হারুনের অধীনে আমরা যত কোয়ালিফাইং খেলেছি বেশির ভাগই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। আশা করছি এশিয়ার গেমসের কোয়ালিফাইংয়েও চ্যাম্পিয়ন হবো। তবে ওমান আগের চেয়ে উন্নতি করেছে। পাশাপাশি আমাদের রুটি-রুজির ব্যবস্থা যেখান থেকে হয় সেই লিগ আমরা চাই। যত তাড়াতাড়ি সেটি হবে সব প্লেয়ারের জন্য ততই মঙ্গল।’

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.