২৫৮ করেও ম্যাচ জেতাতে পারেনি মুমিনুল। ড্র নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণীতে কিছুটা মলিন লাগছে এই ক্রিকেটারকে : এএফপি
২৫৮ করেও ম্যাচ জেতাতে পারেনি মুমিনুল। ড্র নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণীতে কিছুটা মলিন লাগছে এই ক্রিকেটারকে : এএফপি

নর্থের জয়ের দিনে ইস্ট সাউথ ম্যাচ ড্র

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) প্রথম রাউন্ডে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হওয়া ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনকে ৯ উইকেটে হারিয়ে প্রথম জয় তুলে নেয় বিসিবি নর্থ জোন। এ দিকে বিকেএসপি ৪ নম্বর মাঠে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন ও প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোনের ম্যাচটিতে জয়ের দেখা পায়নি কেউ। কুয়াশার কারণে খেলা দেরিতে শুরু হলে শেষ পর্যন্ত ড্র মেনে নিয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নিল ইস্ট ও সাউথ দল।
তবে বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে এই ম্যাচে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে অনেকেই উজ্জ্বল ছিলেন। উভয় দলেই হয়েছে দু’টি করে সেঞ্চুরি। মুমিনুলের তো ডাবল। ইস্ট জোন প্রথমে ব্যাট করে মুমিনুল হকের ২৫৮ ও জাকির হাসানের ১১৯ রানে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৫৪৬ রান করে। জবাবে প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোন প্রথম ইনিংসে তুষার ইমরান (১০৫) ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের (১১০) সেঞ্চুরিতে ৩৯৫ রান করে।
১৫১ রানের লিড নিয়ে ইস্ট জোন গতকাল দুপুরে আবার ব্যাট করতে নেমে ২৯ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৯৩ রান তোলার পর ড্র মেনে নেয় উভয় দল। এই ইনিংসে ইস্ট জোনের লিটন কুমার দাস অপরাজিত ৫১ রান করেন। বল হাতে ইস্ট জোনের চারটি উইকেটের ৩টিই নেন আব্দুর রাজ্জাক।
তবে গতকাল কুয়াশার কারণে নির্ধারিত সময়ে খেলা শুরু করতে পারেননি আম্পায়াররা। বেলা সাড়ে ১১টায় মাঠে নামেন তারা। আগের দিন ৫ উইকেট হারিয়ে ৩১৮ রান তোলা সাউথ জোন গতকাল ফের ব্যাট করতে নামে। শেষ পর্যন্ত বাকি পাঁচ উইকেট হারিয়ে ৭৭ রানই যোগ করতে পারে দলটি। আগের দিন ১৭ রানে অপরাজিত থাকা আল আমিন অপরাজিত ছিলেন ৪৯ রানে। বল হাতে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের সোহাগ গাজী নেন ৫টি উইকেট। ৩টি উইকেট নেন নাজমুল অপু ও একটি নিয়েছেন অলক কাপালি। ম্যাচসেরা হন ডাবল সেঞ্চুরিয়ান ইস্ট জোনের মুমিনুল হক।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো করলেও প্রথম ইনিংসের ব্যাটিং ব্যর্থতা ডুবিয়েছে সেন্ট্রাল জোনকে। প্রথম ইনিংসে ওয়ালটন ১৮৮ রানে অল আউটের পর ৪৫৭ রানের বড় পুঁজি পায় বিসিবি নর্থ জোন। এরপর রাকিবুল হাসানের সেঞ্চুরি ও অধিনায়ক মোশারফ হোসেন দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়ালটনের ৩৩৬ রানও হার এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।
২৩৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে গতকাল তৃতীয় দিন শেষ করেছিল সেন্ট্রাল জোন। দলীয় ২৬৯ রানে অষ্টম উইকেটের পতন হয়। আগের দিনে ৭ রানে অপরাজিত থাকা মেহরাব হোসেন জুনিয়র গতাকল ১৮ রানে সোহরাওয়ার্দী শুভর শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন। এরপর ব্যক্তিগত ৬১ রানে অধিনায়ক মোশারফকে প্যাভিলিয়নে পাঠান আরিফুল হক। শেষদিকে ২৪ রান করেন শরীফ। দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়ালটন ৩৩৬ রানে অল আউট হলে জয়ের জন্য ৬৮ রানের লক্ষ্য পায় বিসিবি নর্থ জোন। শেষদিনে ছোট লক্ষ্য তাড়া করে এক উইকেট হারিয়ে সহজেই ৯ উইকেটের জয় তুলে নেয় বিসিবি নর্থ জোন।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.