সংবাদ সম্মেলনে দাবি

হাওরে ‘টোকেন ফি’ নিয়ে জেলেদের মাছ ধরার সুযোগ দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশে খোলা জলমহাল যথা নদী, খাল, বিল, হাওর ‘বদ্ধ জলমহাল’ দেখিয়ে লিজ দেয়া বন্ধের দাবি জানিয়েছেন হাওরের দুর্যোগ প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির ব্যানারে পরিবেশ নদী পানি বিশেষজ্ঞরা। এর পাশাপাশি জলমহাল নীতির ২৯ ধারা মতে, জেলেদেরকে ‘টোকেন ফি’ নিয়ে মাছ ধরার সুযোগ দেয়ার দাবি জানান তারা।
রাজধানীর তোপখানা রোডের নির্মল সেন মিলনায়তন ‘হাওরের দুর্যোগ প্রতিরোধে এখনই যা করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী ম ইনামুল হক লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। উপস্থিত ছিলেন শামসুদ্দোহা শোয়েব, আমিনুর রসুল, মিহির বিশ্বাসসহ কমিটির সদস্যরা।
এতে বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রত্যেক জলাভূমির মাঝে নির্দিষ্ট খাসজমিতে মাছের মা-বাবাদের থাকার ‘অভয়াশ্রম’ তৈরি করতে হবে। জলাভূমিকে অতি নিষ্কাশন করে সম্পূর্ণ এলাকা ধান চাষের আওতায় আনা যাবে না। এ জন্য তারা মৎস্য এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেন। এ ছাড়া তারা কৃষি ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়কে হাওর ও বিলে ১৬০ দিন জীবনকালের বিআর ২৯ বা ওই-জাতীয় ধান, ১৪০ দিন জীবনকালের উফশী ধান ও স্থানীয় জাতের ধান কোন হাওরে কবে থেকে কী পরিমাণ আছে তা জরিপ করার তাগিদ দেন। হাওর অঞ্চলের বাঁধকে ফাল্গুন মাসের মধ্যে মেরামত করে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত বন্যা মোকাবেলা করার সুপারিশ করেন তারা।
তারা বলেন, ১ বৈশাখ খালের মুখ কেটে মাছের প্রজননের জন্য হাওরে পানি প্রবেশ করতে দিতে হবে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে এনজিওগুলো যাতে দেরিতে লাগানো বা বন্যার ঝুঁকিগ্রস্ত ধানের বিপরীতে ঋণ দিয়ে চাষিদের বিপদে ফেলতে না পারে সে দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখারও পরামর্শ দেন তারা।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.