তাপমাত্রার উন্নতি হলেও অব্যাহত আছে শৈত্য প্রবাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশব্যাপি নিম্ন তাপমাত্রার সামান্য উন্নতি হলেও এখনো অব্যাহত আছে শৈত্য প্রবাহ। আজও তিন বিভাগে এবং কয়েকটি জেলায় মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রার সামান্য উন্নতি হলেও শীতের অনুভূতি মোটেও হ্রাস পায়নি। মানুষ এখনো সকাল বেলা ঠাণ্ডায় কাঁপছে। নভেম্বরের দিকে অনেকেই বলতো কেন শীত আসছে না। কিন্তু এ মুহূর্তে কায়োমনোবাক্যে চাচ্ছে যে শীতটা দ্রুত চলে যাক।

রামপুরা এলাকার রিকসা চালক কামাল হোসেনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, আর ভালো লাগছে না। ১৫/২০ দিন আগেও আফসোস করতাম কেন শীত আসছে না। আর এখন মনে প্রাণে চাচ্ছি শীতটা যেন চলে যায়। শীতের কারণে মানুষের চলাফেলা কমে গেছে। আমি সাধারণত: বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত রিকসা চালাই। রাতের বেলা এখন যাত্রী পাওয়াই যায় না। ফলে সংসারে টানা-পোড়েন লেগে গেছে। শীতে দুর্বলও হয়ে গেছি।

আজ শনিবার দেশের পাঁচ বিভাগে শৈত্য প্রবাহ বয়ে চললেও তা হ্রাস পেয়েছে অনেক এলাকা থেকে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামীকাল রোববার আরো কিছু অঞ্চল থেকে শৈত্য প্রবাহ উঠে যাবে। কাল দিনের তাপমাত্রা আজকের চেয়ে সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। রাতের তাপমাত্রার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে সামনের পাঁচ দিন।

আজ শনিবার দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনের বেশির ভাগ সময় সূর্য ঢাকা থাকে ঘন কুয়াশায়। যে কারণে বিকেল বেলা বেশ ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। তারপরেও গত শুক্রবারের চেয়ে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গড়ে কিছুটা বেশিই ছিল। নিম্ন তাপমাত্রাও ছিল শুক্রবারের চেয়ে উপরের দিকে। এটা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রার উন্নতি হবে।

এছাড়া জেট স্ট্রেম সম্বলিত উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয় আজ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এটা সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ থেকে আরো বিহারের দিকে উঠে যেতে পারে।

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যশোর ও তেতুলয়ায় সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ২৫ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কাল রোববার শৈত্য প্রবাহ থাকবে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ বিভাগে এবং টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল, সিতাকুন্ড ও রাঙ্গামাটিতে। এসব এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের শৈত্য প্রবাহ থাকবে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.