হাজীগঞ্জে কোল্ড স্টোরেজের কয়েক হাজার বস্তা আলু পচে যাচ্ছে

হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) সংবাদদাতা

উৎপাদিত আলু নিয়ে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক। অবিরাম বর্ষণে ক্ষেতের আলু এক দফা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এবার আলুর মূল্য না পাওয়ায় কোল্ড স্টোরেজ থেকে আলু নিচ্ছে না কৃষক। অন্যদিকে আলু চাষের জন্য জমি প্রস্তুত হয়নি। হাজীগঞ্জের মান্নান কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষ ভাড়া না কমানোর কারণে কৃষকেরা কোল্ড স্টোরেজ থেকে আলু বের করতে পারছেননা। কারণ আলুর বাজারদর থেকে মান্নান কোল্ড স্টোরেজের ভাড়া প্রায় বস্তা প্রতি ১০০ টাকা বেশি। সে জন্য কৃষকেরা কোল্ড স্টোরেজ থেকে আলু বের করছেননা। ফলে প্রায় কৃষকদের কয়েক হাজার বস্তা আলু নষ্ট হওয়ার পথে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, বাজারে প্রতি বস্তা আলু (৮০কেজি) ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর কোল্ড স্টোরেজের লেবার ও গাড়ি ভাড়াসহ প্রায় বস্তা প্রতি ৪০০ টাকা পড়ে। সেজন্যই তারা কোল্ড স্টোরেজ থেকে আলু বের করছেননা। এ ছাড়াও কোল্ড স্টোরেজে রাখা আলুর প্রতি বস্তার ওজন প্রায় ২০ থেকে ২৫ কেজি কম। এর কারণ হলো এ কোল্ড স্টোরেজে ধারণ ক্ষমতা হলো ৬০ হাজার বস্তার। কিন্তু ধারণ ক্ষমতার চেয়ে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার বস্তা আলু বেশি রাখার কারণে বস্তার ওজন কমে যায়।
মান্নান কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার দিলিপ সাহা জানান, জেলার অন্যান্য কোল্ড স্টোরেজ থেকে তাদের কোল্ড স্টোরেজের ভাড়া অনেকটাই কম। বাজারে আলুর দাম কম হয়ে যাওয়ার কারণে কৃষকেরা আলু বের করছেননা। এ ছাড়া এ বছর তাদের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা লোকসান হয়েছে।
হাজীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ম মনি সুত্রধর জানান, এবার অধিক বৃষ্টির কারণে সব ফসল রোপন ও কর্তন পিছিয়ে পড়ছে। কৃষক আগেভাগে আলু এনে কী করবে। বাজার মূল্য কম থাকায় খাবার আলু কোল্ড স্টোরেজ থেকে তারা বাজারজাত করার জন্য হয়তো সংগ্রহ করছে না।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.