আওতা কমেছে শৈত্য প্রবাহের, কমেনি ঠাণ্ডা

নিজস্ব প্রতিবেদক

শৈত্য প্রবাহের আওতা কমে আসছে। এর সাথে দেশব্যাপি নিম্ন তাপমাত্রারও উন্নতি হচ্ছে ধীরে ধীরে। আজ রোববার দেশের মাত্র দুটি অঞ্চল ছাড়া দেশের সর্বত্র নিম্ন তাপমাত্রা আট ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে ছিল। আট ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে ছিল যশোর ও রংপুরে। যশোরে আজ দেশের মধ্যে ছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সাত দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রংপুরে ছিল সাত দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া দেশের সর্বত্র তাপমাত্রা আজ বেশ সহনীয় পর্যায়ে ছিল। তবে ঘন কুয়াশার কারণে সূর্য কিরণ ভূপৃষ্ঠে পতিত হতে বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় শীতের অনুভূতি কোথাও কোথাও বেড়েছে।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল সোমবার দেশের অনেক স্থান থেকে শৈত্য প্রবাহ উঠে যাবে এবং স্বাভাবিক তাপমাত্রা বিরাজ করবে। এর কারণ হিসাবে বলা হচ্ছে উপমহাদেশীয় উচ্চ তাপ বলয় বা সাইবেরিয়া থেকে আসা শীতল বায়ু প্রবাহে গতি বেশ হ্রাস পেয়েছে। এটা গত কয়েকদিন ধরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত অবস্থান করছে। বাংলাদেশে তীব্র শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাওয়ার সময় সাইবেরিয়ার শীতল বায়ু দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল। এ কারণে গত ৮ জানুয়ারি পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় বাংলাদেশের ইতিহাসে তাপমাত্রা নেমে যায় দুই দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটা বাংলাদেশের ৫০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সিলেটে ২৫ দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আগামীকাল সোমবার রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের শৈত্য প্রবাহ থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এর বাইরে টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলেও মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের শৈত্য প্রবাহ থাকবে। তবে আবহাওয়া বিভাগ বলেছে, আগামীকাল সোমবার এই অঞ্চলগুলোর অনেকগুলো শৈত্য প্রবাহ সরে যাবে।

কালও সারাদেশে মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা থাকবে শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কিন্তু কোথাও কোথাও কুয়াশা থাকবে দুপুর পর্যন্ত। সারাদেশের রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকলেও কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে আকাশ মেঘলা থাকতে পারে।

আজ রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ১৮ দশমিক নয় ও ১২ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নয় দশমিক, খুলনায় ১০ দশমিক পাঁচ, বরিশালে ১১, সিলেটে ১৩ দশমিক পাঁচ, ময়মনসিংহে ১০ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.