ল²ীছড়িতে কোটি টাকার ব্রিজ নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার

আবদুল মান্নান মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি)

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার অনুন্নত উপজেলা ল²ীছড়ি। যোগাযোগব্যবস্থায় বেশি পিছিয়ে থাকা এ জনপদে অবশেষে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগতে শুরু করেছে। উপজেলা থেকে জেলায় যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম মানিকছড়ি-ল²ীছড়ি সড়কে এখন চলছে কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রিজের নির্মাণকাজ। অথচ এসব স্থাপনা নির্মাণে অনায়াসে ব্যবহার হচ্ছে নিম্নমানের বালু, পাথর, রড ও কংক্রিট (খোয়া)। শুধু তা-ই নয়, এখানে ব্রিজের ঢালাই শুরু হয় সন্ধ্যার পর। এসব অনিয়ম দেখার যেন কেউ নেই।
সরজমিনে দেখা গেছে, ল²ীছড়ি থেকে জেলা শহরে যাতায়াতের প্রধান উপায় ল²ীছড়ি-মানিকছড়ি সড়ক। সড়কটি দীর্ঘকাল যোগাযোগ অনুপযোগী। ফলে সম্প্রতি সড়ক ও জনপদ বিভাগ একই প্যাকেজে জেলার ল²ীছড়ি সড়কে ছয়টি এবং অন্যত্র ছয়টি ব্রিজ নির্মাণে ১৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দে উন্নয়ন প্রকল্পের শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ওই প্যাকেজের কাজটি পেয়েছেন কুমিল্লার ‘মেসার্স জাকির এন্টারপ্রাইজ’। ল²ীছড়ি-মানিকছড়ি সড়কের ব্রিজ নির্মাণে স্থানীয় বালু, পাথর, রড ও ইটের কংক্রিট ব্যবহার হচ্ছে অবাধে। শুধু নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করেই ঠিকাদার ক্ষান্ত থাকেনি। সেখানে যাবতীয় ঢালাই কাজ শুরু হয় সন্ধ্যার পর। এতে অনুন্নত উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থায় নির্মিত ব্রিজগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত সচেতন মহল। এ প্রসঙ্গে ল²ীছড়ি উপজেলা পরিষদ উপজেলা চেয়ারম্যান সুপার জ্যোতি চাকমা বলেন, কাজে অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ এসেছে, বিশেষ করে ঠিকাদার রাতে ঢালাই কাজ করেন বলে শুনেছি। ঘটনার সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা নিব।
মেসার্স জাকির এটারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো: জাকির হোসেন ৫০ ভাগ লোকাল বালু ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, সিলেট সেন্ট থেকে এখানকার বালু অনেক ভালো। তাই শতভাগ লোকাল সেন্ট ব্যবহার করলেও সমস্যা হবে না! একই সুরে সাফাই গাইলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো: দিদারুল আলম। তিনি বলেন, পাইলিং, ও ঢালাই কাজে লোকাল ও সিলেট সেন্ট ব্যবহার হচ্ছে। এতে সমস্যা নেই।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.