একই ফ্রেমে চার বছর

অভি মঈনুদ্দীন

একই নাটকের আলো ছায়ায় চার বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন নন্দিত দুই কিংবদন্তি অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান ও খায়রুল আলম সবুজ। তাদের অভিনয় দক্ষতা মীর সাব্বির পরিচালিত আরটিভিতে প্রচার চলতি ধারাবাহিক নোয়াশালের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। এই গুণী দুই অভিনেতার অভিনয়ে বিশেষ দু’টি অঞ্চলের ভাষা পেয়েছে নতুনরূপ।

২০১৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আরটিভিতে প্রচার শুরু হয়েছিল এই ধারাবাহিকের প্রচার। সেই থেকে এখন পর্যন্ত সমান দর্শকপ্রিয়তা নিয়ে নাটকটি প্রচার হচ্ছে এখনো। দর্শকের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া এবং চ্যানেল কর্তৃপক্ষের আগ্রহে মীর সাব্বির নিয়মিত ধারাবাহিক এ নাটকটি নির্মাণ করে যাচ্ছেন। 

নাটকটির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এ টি এম শামসুজ্জামান ও খায়রুল আলম সবুজ নিয়মিত অভিনয় করে যাচ্ছেন। নোয়াশাল দুটি এলাকার দুটি পরিবারের গল্প নিয়ে আবর্তিত। নোয়াশাল পরিবারের প্রধান হিসেবে অভিনয় করছেন এ টি এম শামসুজ্জামান এবং বরিশাল পরিবারের প্রধান হিসেবে অভিনয় করছেন খায়রুল আলম সবুজ।

এ টি এম শামসুজ্জামান বলেন, এর আগে কোনো ধারাবাহিকে আমি এতদিন ধরে অভিনয় করিনি। মীর সাব্বিরকে সাধুবাদ জানাই যে, এতদিন ধরে ধৈর্য ধরে নাটকটি সাব্বির নির্মাণ করে যাচ্ছে। সাব্বির খুব মেধাবী একজন অভিনেতা। পাশাপাশি বেশ দক্ষ একজন নির্মাতা। আমি তার নির্মাণের উচ্ছসিত প্রশংসা করছি। আমি নিজেও প্রতিনিয়ত এই ধারাবাহিকে অভিনয়ের জন্য বেশ সাড়া পাই।

খায়রুল আলম সবুজ বলেন, নোয়াশালে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ভালো লাগছে অভিনয় করতে। অভিনয় করতে যেমন আনন্দ হয়, ঠিক তেমনি এই নাটকে অভিনয়ের জন্য যখন দর্শকের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া পাই তখন খুব ভালোলাগে। মীর সাব্বির নিঃসন্দেহে একজন ভালো নির্মাতা।

মীর সাব্বির বলেন, এ টি এম ভাই ও সবুজ ভাই দু’জনই এ দেশের কিংবদন্তি শিল্পী। আমার নির্দেশনায় তারা নিয়মিত কাজ করছেন, এটা আমার জন্য অনেক ভালোলাগার এবং সৌভাগ্যেরও বিষয়। দু’জনের কাছে আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞ। এটা সত্য যে, এই চার বছরে তাদের কাছ থেকে আমি অনেক স্নেহ, ভালোবাসা পেয়েছি। সেইসাথে অনেক কিছু শিখেছিও বটে।

মীর সাব্বির জানান, প্রতি সোম থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে আরটিভিতে নোয়াশাল প্রচার হয়। খায়রুল আলম সবুজ জানান, চলতি মাসের শেষেই তিনি তানভীর মোকাম্মেলের নতুন চলচ্চিত্র রূপসা নদীর বাঁকের শুটিং শুরু করবেন।

উল্লেখ্য, গত ২ ফেব্রুয়ারি নাটকটি প্রচারের চার বছর পূর্ণ হয়েছে। 

ছবি : আরিফ আহমেদ

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.