ধর্ম অবমাননার শাস্তি সুরা মুখস্থ
ধর্ম অবমাননার শাস্তি সুরা মুখস্থ

মা মারিয়াম (আ:)-এর অবমাননা : অভিনব শাস্তি

আলআরাবিয়া

খ্রিষ্ট ধর্মের অবমাননার দায়ে তিন মুসলিম তরুণকে পবিত্র কুরআনের সুরা আলে ইমরান মুখস্থ করার নির্দেশ দিয়েছেন লেবাননের ত্রিপোলির একটি আদালত। ওই তিন তরুণ হজরত ঈসা (আ:)-এর মা হজরত মারিয়াম (আ:)-এর অবমাননা করেছিল।

সুরা আলে ইমরানে হজরত মারিয়াম (আ:) ও হজরত ঈসা (আ:)-এর সম্মান ও মর্যাদা সম্পর্কে বর্ণনা রয়েছে। গত সপ্তাহে উত্তর লেবাননের ত্রিপোলির একটি আদালতের বিচারক জোসেলিন মাত্তা জানিয়েছেন, তিনি এই রায়ের মাধ্যমে ওই তরুণকে সহনশীলতা এবং হজরত মারিয়াম (আ:)-এর প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসার বিষয়ে ইসলামের শিক্ষা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে চেয়েছেন। বিচারক বলেন, ‘আইন মানে কেবল কারাগার নয়, এটি একটি শিক্ষারও মাধ্যম।’


বিচারক মাত্তার এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি। তিনি এক টুইটার বার্তায় বলেছেন, এই রায় ন্যায়বিচারের উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত এবং ইসলাম ও খ্রিষ্ট ধর্মের মধ্যে যে সম্প্রীতির বিষয়টি রয়েছে তা শিক্ষা দেবে।

দেশটির দুর্নীতিবিরোধী প্রতিমন্ত্রী নিকোলাস তুয়েনিও রায়ের প্রশংসা করে বলেছেন, বিচারক মাত্তার রায় সামাজিক সমস্যা সমাধান ও ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা দূর করার ক্ষেত্রে অনুসরণযোগ্য।

সৌদি প্রিন্সদের কয়েদখানা হোটেল রিৎস-কার্লটন ফের চালু

বিবিসি

নভেম্বরে সৌদি আরবে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফার হওয়া প্রিন্স, মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীদের কয়েদখানা হিসেবে ব্যবহার হওয়া রিৎস-কার্লটন হোটেল সম্প্রতি খুলেছে।

রিয়াদে পাঁচ তারা হোটেলটির কর্মীরা জানিয়েছে, অতিথিদের জন্য হোটেলটি খুলে দেয়া হয়েছে। সৌদি আরবের প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয়ও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। জানুয়ারি মাস পর্যন্ত হোটেলটিতে কোনো অতিথি রাখা হয়নি। সৌদি আরবের প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, রিৎস-কার্লটন হোটেলে এখনো ৫৬ জন বন্দী আছেন।
যদিও দেশটির কোনো কোনো রিপোর্টে বলা হয়েছে, রিৎস-কার্লটন হোটেলের বাকি বন্দীদের কারাগারে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রিন্সসহ প্রভাবশালী গ্রেফতার ব্যক্তিদের সঙ্গে অর্থনৈতিক দণ্ডের রফা করেছে সরকার।
এ প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে ১০০ বিলিয়ন বা দশ হাজার কোটি ডলারের বেশি অর্থ উদ্ধার করেছে সরকার। যদিও সরকারের হিসাবে প্রভাবশালী দুর্নীতিবাজদের গোপন বা অফশোর হিসাবের অর্থের পরিমাণ আনুমানিক প্রায় ৮০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার।

গত নভেম্বরে দেশটিতে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালু হওয়ার পর থেকে গ্রেফার হওয়া প্রভাবশালী বন্দীদের রাখার জন্য রিৎস-কার্লটনসহ বেশ কয়েকটি বিলাসবহুল হোটেল ব্যবহৃত হতো। সৌদি আরবের যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান, দেশটির দুর্নীতি দমন কমিটির প্রধানের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই দুর্নীতি দমন অভিযান শুরু হয়। এরপর একে একে রাজপরিবারের সদস্য, মন্ত্রী, শীর্ষ ব্যবসায়ীরা গ্রেফার হন। তাদেরকে বিলাসবহুল হোটেলে আটকে রাখা হয়।

তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনার পাশাপাশি, তাদের ব্যক্তিগত বিমানগুলো আটকে রাখা হয় এবং তাদের সম্পত্তি জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে প্রিন্স আলওয়ালিদ বিন তালাল এবং সৌদি মিডিয়া মোগল ওয়ালিদ আল-ইব্রাহিম উল্লেখযোগ্য।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.