জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির অনশন
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির অনশন
অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি

পুলিশের নির্দেশে বিএনপির অনশন তিন ঘণ্টায় শেষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে পূর্বঘোষিত অনশন কর্মসূচি পুলিশের অনুরোধে নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা আগেই শেষ করেছে বিএনপি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দুপুর একটার মধ্যেই অনশন শেষ করার কথা বললে অনেকটা তড়িঘড়ি করেই তা শেষ করা হয়।

আজ বুধবার দুপুর ১টায় রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনশনের সমাপ্তি বক্তব্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা এই অনশন কর্মসূচি থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার দাবি জানাচ্ছি এবং সব ধরনের নির্যাতনমূলক কর্মকাণ্ড থেকে সরকারকে বিরত থাকার আহবান জানাচ্ছি।

সকাল ১০টায় শুরু হওয়া অনশন কর্মসূচি বিকেল ৪টায় শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশের অনুরোধে তিন ঘণ্টায় অর্থাৎ দুপুর ১টায় তা শেষ করে বিএনপি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের অনশন কর্মসূচি ৪টা পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আমরা এটা ১টা পর্যন্ত করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও বরেণ্য রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ নেতৃবৃন্দকে পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙান। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনশন করেন।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে অনশন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। সকাল ১০টায় কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রেস ক্লাব চত্বরে আসতে শুরু করেন। তারা প্রেস ক্লাবের সামনের ফুটপাতের ওপর বিছানো কার্পেটে বসে পড়েন। দলের সিনিয়র নেতারা ফুটপাতের ওপর রাখা চেয়ারে বসেন। প্রেস ক্লাবের সামনে সড়কের একপাশে কদম ফোয়ারা মোড় থেকে সচিবালয় মোড় পর্যন্ত হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থকরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

এসময় নেতাকর্মীরা ‘বুলেট দিয়ে আন্দোলন, বন্ধ করা যাবে না’, ‘আমার মা জেলে কেনো? খুনি হাসিনা জবাব চাই’, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, মুক্তি চাই’, ‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে আগুন জ্বলবে ঘরে ঘরে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
ধীরে ধীরে কর্মসূচিতে ২০ দলীয় জোট, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী ও কৃষিবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন।

অনশন কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি, সোমবার দুপুরে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনেসহ সারা দেশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে বিএনপি। বিএনপির অনশন চলার সময় প্রেস ক্লাবের সামনে রাস্তা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় পুলিশের সদস্যরা রাস্তা থেকে ভিড় সরানোর চেষ্টা করেন।

একপর্যায়ে মাইকে বিএনপির নেতারা বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে অনশন কর্মসূচি বেলা একটার মধ্যে শেষ করতে হবে। পরে বিএনপির নেতা-কর্মীরা যে যার মতো চলে যেতে থাকেন।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর পরিচালনায় অনশন কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য রাখেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা আতাউর রহমান ঢালী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, সালাহউদ্দিন আহমেদ, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, ঢাকা মহানগরীর বজলুল বাসিত আঞ্জু, কাজী আবুল বাশার, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহম্মেদ, যুবদলের মোরতাজুল করিম বাদরু, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিউল বারী বাবু, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসাইন, ছাত্রদলের মামুনুর রশিদ মামুন, আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।

বিশদলীয় জোট নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন দেন, খেলাফত মজলিসের মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের অ্যাডভোকেট এমএ রকীব, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির একাংশের মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, অপর অংশের হামদুল্লাহ আল মেহেদি, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, এলডিপির সাহাদাত হোসেন সেলিম, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহবায়ক অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান।

অনশনের শেষ দিকে প্রচণ্ড ভিড় ডিঙিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল হালিম আসেন।

তিনি কিছুক্ষণ থেকে নেতাদের সাথে করমর্দন করে চলে যান।

অন্যানের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, মো: শাহজাদা মিয়া, কবীর মুরাদ, ফজলুল হক মিলন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সাখাওয়াত হোসেন জীবন, মীর সরফত আলী সপু, কামরুজ্জামান রতন, আমিনুল হক, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, হারুনুর রশীদ, বেবী নাজনীন, মো: মুনির হোসেন, আবদুল আউয়াল খান, জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, শামীমুর রহমান শামীম, কাদের গনি চৌধুরী, রিয়াজ উদ্দিন নসু, শেখ রবিউল আলম রবি, রফিক সিকদার, সালাউদ্দিন ভুঁইয়া শিশির, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, বজলুল করীম চৌধুরী আবেদ, নিপুন রায় চৌধুরী, শামসুজ্জামান সুরুজ, যুবদলের সাইফুল আলম নীরব, নূরুল ইসলাম নয়ন, মাহবুবুল হাসান পিঙ্কু, আ ক ম মোজাম্মেল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ হাবিবুর রশীদ হাবিব, তানভীর আহমেদ রবিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সাদরেজ্জামান, আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, শহিদুল্লাহ ইমরান, ছাত্রদলের আলমগীর হাসান সোহান, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, জহিরুল ইসলাম বিপ্লব, মফিজুর রহমান আশিক, আবুল হাসান, রাজীব আহসান চৌধুরী পাপ্পু, মহিলা দলের হেলেন জেরিন খান, শ্রমিক দলের নূরুল ইসলাম খান নাসিম, মুক্তিযোদ্ধা দলের ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাদেক আহমেদ খান, উলামা দলের হাফেজ এম এ মালেক, শাহ নেছারুল হক জাসাসের হেলাল খান, শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা, জিয়া পরিষদের ড. এমতাজ হোসেন, আব্দুল্লাহিল মাসুদ প্রমুখ নেতারা ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী সাদা দলের শিক্ষকেরাও অনশন কর্মসূচিতে অংশ নেন। অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান এবং ড. মোর্শেদ হাসান খানের নেতৃত্বে ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, অধ্যাপক ড. নূরুল আমিন, ড. আল মোজাদ্দেদী আলফেছানী, ইসরাফিল প্রামাণিক রতন, অধ্যাপক দেবশীষ পাল, ড. নূরুল আমিন, ড. গোলাম রব্বানী, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক সাবরিনা, অধ্যাপক আলামিন প্রমুখ।

শিক্ষকেরা অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেন।

অনশনে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এ সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়াই আবারো একতরফা নির্বাচন করতে চায়। কিন্তু সেটা হতে দেয়া হবে না। সরকার দেশনেত্রীকে বন্দি করে আগুনে হাত দিয়েছে। তারা আগুন নিয়ে খেলছে। মনে রাখবেন এদেশের জনগণ খালেদা জিয়াকে মুক্ত করেই আগামী নির্বাচনে যাবে ইনশাল্লাহ। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হতে হবে।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, এ সরকার একটি ভুয়া, বানোয়াট ও মিথ্যা মামলায় দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়েছে। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশে এবং বিএনপিকে দুর্বল করতেই এটা করা হয়েছে। কিন্তু খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে দুর্বল করা যাবে না। আমরা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই আমাদের নেত্রীকে মুক্ত করে আনবো ইনশাল্লাহ।
তিনি বলেন, আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকুন। আরো আন্দোলন হবে। খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না।

মির্জা আব্বাস বলেন, আজকে দেশের মানুষের স্বাধীনতা নেই। দেশের স্বাধীনতা আজকে হুমকির সম্মুখে। আমাদের শাসনামলে জেলকোড আমরা সংস্কার করেছি- কারাগারে যাওয়া মাত্র যেকোনো এমপি, মন্ত্রী সাবেক কিংবা বর্তমান যিনি হোন- সাথে সাথে তাকে ডিভিশন দিতে বাধ্য। অথচ যারা চারদিন ধরে অবৈধভাবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে ডিভিশন দেয়নি আমি মহাসচিবকে বলব, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হোক, তাদের বিচারের ব্যবস্থা করা হোক।
তিনি বলেন, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে বেগম জিয়ার মামলার রায়ের কপি পাওয়ার কথা থাকলেও তা মেলেনি। আসলে তাদের দীর্ঘসূত্রিতা প্রমাণিত হয় তারা খালেদা জিয়াকে জেলে আটকে রাখতে চায়।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিচারকদেরকে ক্যালকুলেটর দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুই কোটি টাকার জন্য যদি পাঁচ বছর জেল হয় তাহলে হলমার্কসহ বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের জন্য কত বছরের জেল হবে? সেটা মাথায় হিসাব করা যাবে না। এজন্য বিচারকদেরকে ক্যালকুলেটর দেয়ার জন্য সরকারকে আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, দেশনেত্রী নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের কথা বলেছেন। আমরা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু সবাইকে বলে দিতে চাই, এটাকে কেউ দুর্বলতা ভাববেন না। জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমিক সৈনিক একজন বেঁচে থাকতে ষড়যন্ত্রকারীরা কেউ পার পাবে না।

বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শুধু কারাগারে নন, ১৬ কোটি মানুষ আজ কারাগারে। সরকারকে বলে দিতে চাই, বাংলাদেশের কোনো আদালতের খাঁচায় কিংবা কোনো নির্বাহী আদেশের কলমের খোঁচায় তাকে বন্দি করে রাখা যাবে না, তাকে ছাড়া কোনো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যাবে না। আমার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী হবেন ইনশাল্লাহ। আমরা তাদের বিচার করব। ধৈর্য ধরুন। রাজপথ থাকবে আমাদের নেতৃত্বে। আওয়ামী লীগ ৫০টার বেশি ইনশাল্লাহ আসন পাবে না।

এদিকে নয়া পল্টনে বিকেল চারটা পর্যন্ত অনশনরত বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে শরবত পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করা ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন ও জাসাস সভাপতি ড. মামুন আহমেদ।

সেখানে অনশনে ছিলেন সহদফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, বেলাল আহমেদ, নিবার্হী সদস্য আমিনুল ইসলামসহ বিএনপির কার্যালয়ের স্টাফবৃন্দ।

বেলা ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন বিএনপির নেতা-কর্মীরা ছোটাছুটি শুরু করলে দেখা যায়, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেলকে গ্রেফতারের জন্য তার পিছু নেয়। ডিবি পুলিশের দলটি প্রেস ক্লাবের ভেতর দিয়ে সচিবালয়ের সামনে যায়, এরপর গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয়। তবে কাউকে গ্রেফতার বা আটকের খবর পাওয়া যায়নি।

তবে অনশনে আসার পথে ছাত্রদলের পাঁচ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ।

তাদের মধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি জহিরউদ্দিন তুহিন রয়েছেন।

আজ দুপুরে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির সামনে থেকে তাদের আটক করা হয় বলে অভিযোগ করেছে ছাত্রদল।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.