মানবসৃষ্টির রহস্য

ড. মোজাফফর হোসেন

মানুষ সম্পর্কে মানুষের ধারণাগুলো খুবই আপেকি, বিশেষত পুরাণ ও বিজ্ঞানের। সেকারণে প্র্রতিনিয়তই ধারণাগত পরিবর্তন ঘটছে। তবুও মানুষ, মানুষ সম্পর্কে নতুন নতুন ধারণা প্রদানের ল্েয নিরলস পরিশ্রম করে চলেছে। মানুষের আদি অবস্থা সম্পর্কে প্রচলিত ধারণাগুলোর মধ্যে রয়েছে, পৃথিবী নামক গ্রহে মানুষ কিভাবে জন্মলাভ করল এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান, ভাষা-জ্ঞান কিভাবে শিখল ইত্যাদি। এসব বিষয়ে বিস্তর বৈজ্ঞানিক গবেষণা রয়েছে, রয়েছে মানুষ সৃষ্টি সম্পর্কে বহু পৌরাণিক মন্তব্য এবং পবিত্র কুরআনের অকাট্য দলিল। সে সব মন্তব্য ও বক্তব্য থেকে মানুষ সৃষ্টির রহস্য উন্মোচনের ধারণা লাভ করার পথ প্রসারিত হয়েছে।
প্রাচীন পারসিক পুরাণ (জেন্দআবেস্তা) মতে প্রধান দেবতা আহুরমাজদা ইয়ামা পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টি করেন। ব্যাবিলনি সৃষ্টি তত্ত্বে পাওয়া যায়Ñ পশ্বর মেরোডাকের সাথে আদিম দেবতা আপসু ও তিয়াওয়াথের যুদ্ধ বাধে। সে যুদ্ধে তিয়াওয়াথ পরাজিত হলে তার রক্তঅস্থি থেকে তৈরি করা হয় মানুষ। ঋগ্বেদের ঋষিদের মতে, ব্রহ্মার অনুকম্পায় সৃষ্টি হয়েছে মানুষ। উপনিষদে বলা হয়েছেÑ প্রজাপতি কর্তৃক দেবতা, দানব আর মানব সৃষ্টি হয়েছে। ঋগ্বেদের আরেক তথ্যে বলা হয়েছেÑ মানুষ ‘ঋষি মনু’র সন্তান বলে মানব নামে পরিচিতি পেয়েছে। ‘মহাভারত’ অনুযায়ী মানুষের জন্ম হয়েছে ‘ ‘বৈবস্বত মনু’ হতে। অর্থাৎ সনাতন ধর্মের প্রাচীন ঋষিদের মতে মানুষ দেবতার সন্তান। এই তত্ত্বে সম্ভবত রবীন্দ্রনাথও বিশ্বাস করতেন। গ্রিক পুরাণের কোনো কোনো উপাখ্যানে দেখা যায়, আইয়াপেটাসের পুত্র প্রমিথিউস কাদামাটি থেকে মানুষ সৃষ্টি করেছেন। ইহুদি ধর্মগ্রন্থ তৌরাত অনুযায়ী আল্লাহ প্রথমে মাটি দিয়ে আদমকে তৈরি করলেন এবং পরে তার মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করলেন, তাতে সেই মানুষ একটি জীবন্ত প্রাণী হলো। তবে মানুষ সৃষ্টি সম্পর্কে ইহুদি, খ্রিষ্টান ও মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থের ব্যাখ্যাগুলো প্রায় কাছাকাছি অবস্থান করেছে।
বিজ্ঞানের গবেষণা মতে, মানুষ পৃথিবীতে এসেছে বিবর্তনের মধ্য দিয়ে। আধুনিক এই সময়ে মানুষকে যেভাবে যে অবয়বে এবং যেভাবে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ দেখা যাচ্ছে, আদিতে মানুষ এরূপ অবয়বে ছিল না। একদল বিজ্ঞানী সিদ্ধান্তে উপনিত হওয়ার চেষ্টা করেছেন, প্রাণিজগতের ক্রমবিকাশের ফলে পশুজাতীয় প্রাণী বিবর্তিত হয়ে পরবর্তীতে মানুষে উন্নিত হয়েছে। কোনো কোনো বিজ্ঞানীর ধারণা, মানুষের সাথে সম্পর্ক ছিল বানর, গরিলা, শিম্পাঞ্জি, সাপ, ব্যাঙ ইত্যাদির। এসব বিজ্ঞানীর মধ্যে ছিলেন প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক ও শরীরবিদ হিপ্রোক্রাটিস (খ্রিষ্টপূর্ব ৪৬০-৩৭৭); অ্যারিস্টটল (খ্রিষ্টপূর্ব ৩৮৪-৩২২); চিকিৎসক ও শরীরবিদ কডিয়াস গ্যালেন (১৩০-২০০); বিজ্ঞানী লুচিলিও ভানিনি (১৫৮৫-১৬১৯); সুইডেনের বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস (১৭০৭-১৭৭৮); ইংল্যান্ডের ভূবিজ্ঞানী চার্লস লায়ল (১৭৯৭-১৮৭৫); বিবর্তনবাদের আদি প্রবক্তা জীববিজ্ঞানী জাঁ বাপতিস্ত লামার্ক (১৭৪৪-১৮২৯) এবং চার্লস ডারউইন অন্যতম। এদের মধ্যে চিকিৎসাবিজ্ঞানী কডিয়াস গ্যালেন প্রথম দেখিয়েছিলেন, মানুষের শরীরের সাথে বানরের শরীরের প্রচুর মিল রয়েছে, একই সাথে তিনি অন্যান্য জীবের সাথে মানুষের মিল এবং অমিলও ল করেছিলেন। জীববিজ্ঞানী ‘জাঁ বাপতিস্ত লামার্ক’ কর্তৃক প্রকাশিত গ্রন্থ ‘প্রাণিবিদ্যার দর্শন’ বইতে পাওয়া যায়, ‘মানুষও বোধহয় কোনো এক ধপ্রণর ‘এপ’ বা নরসদৃশ বানর থেকে এসেছে’। মানুষের পূর্বপ্রজন্মের অবয়ব নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে প্রায় সবাই কাছাকাছি দাবি করেছেন, আদিতে এপ জাতীয় পশু যেমনÑ গরিলা, শিম্পাঞ্জি, বানর ইত্যাদির সাথে মানুষের মিল পাওয়া যায়। লামার্ক তার ‘প্রাণিবিদ্যার দর্শন’ গ্রন্থে বিবর্তন তত্ত্বের সূত্রপাত করলেও চার্লস ডারউইন তার রচিত গ্রন্থ ‘অরিজিন অব স্পিসিস (১৮৫৯ প্রকাশিত) এ সেটার পূূর্ণরূপ দিতে চেষ্টা করেছিলেন। এ গ্রন্থেই তিনি বলার চেষ্টা করেছেন, মানুষ ও নর-বানর জাতীয় প্রাণিকুল একই উৎস থেকে বিবর্তিত হতে হতে আজকের রূপ লাভ করেছে। তবে ডারউইন কখনোই বলেননি যে, সরাসরি বানর থেকে মানুষ জন্মলাভ করেছে বা মানুষের পূূর্বপ্রজন্ম বানর ছিল। ডারউইন এরকমও বলার চেষ্টা করেছেন, প্রথমে আদি কোষ, পরে মাছজাতীয় প্রাণী, তারপর উভচর প্রাণী, তারপর স্তন্যপায়ী প্রাণী হয়ে আদিম মানুষে রূপান্তরিত হয়েছে।
আর একদল বিজ্ঞানী মানুষের পূর্বজন্ম সম্পর্কে দ্বিমত পোষণ করেছেন। যেমনÑ ফরাসি বিজ্ঞানী জর্জ ক্যুভিয়ের (১৭৬৯-১৮৩২)। তিনি বলতেন, সৃষ্টির পর থেকে প্রজাতির কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। যে জীব যে চেহারায় দেখা যাচ্ছে, তেমনটিই ছিল, আছে, থাকবে।
খেয়াল করার বিষয়, মানুষ আদিতে কেমন ছিল বা কেমন ছিল না সেটা নির্ধারণ করার চেষ্টা করেছেন মানুষ নিজেই এবং সেটাও আবার মানুষ মানুষ হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার হাজার হাজার বছর পরে, যখন মানুষ জ্ঞান-বিজ্ঞানে বিকশিত হওয়ার দাবি করছে সেই সময়ে। অর্থাৎ মানুষ নিজেই বলার চেষ্টা করল তাদের (মানুষের) আদি রূপটা আসলে মানুষ ছিল না, ছিল নিছক কিছু প্রাণীর পূর্ব সদস্য। প্রমাণ হিসেবে তারা ফসিলকে উপস্থাপন করেছেন।
মানুষ যখন এসব ধারণা ও গবেষণা করছে তারও এক হাজার বছর আগে পবিত্র কুরআন শরিফ মানুষ সৃষ্টি সম্পর্কে অকাট্য তত্ত্ব প্রকাশ করেছে। এ ছাড়া বস্তু ও মানুষের বিবর্তন সম্পর্কে পবিত্র কুরআনই প্রথম তথ্য দিয়েছে। প্রতিটি বস্তুই পরিবর্তনশীল। তবে সে পরিবর্তন বস্তুর অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন। পরিবর্তনটা এমন নয় যে, ছাগল পরিবর্তন হয়ে উট হতে পারে। ছাগল ছাগলই থাকবে, তবে ছাগলের অবয়বে তারতম্য হতে পারে। কাজেই মানুষকে আল্লাহ মানুষ হিসেবেই সৃষ্টি করেছেন এবং রূপান্তরের মাধ্যমে মানুষকে বিকশিত করেছেন এই প্রক্রিয়াটিকেই ডারউইনবাদীরা বিবর্তনবাদ বলছেন অন্যভাবে। তবে অন্যান্য আধুনিক বিজ্ঞানীদের বিবর্তনবাদের সাথে কুরআনের বিবর্তনবাদের সামঞ্জস্য ল করা যায়, যা নিম্নে উল্লিখিত আয়াত প্রমাণ করে।
মানুষের আদি সৃষ্টি সম্পর্কে পবিত্র কুরআন বলছে ‘আমরা তোমাদের নির্মাণ করেছি, এরপর আমরা তোমাদের দিয়েছি গঠনাকৃতি, তারপর আমরা ফেরেশতাদের বলেছি সিজদা করো আদমকে’ (সূরা আরাফ : ১১)। এই আয়াত দ্বারা পরিষ্কার হয়েছে, আল্লাহ মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং মানবজাতিকে প্রদান করেছেন গঠনাকৃতি। অন্য এক আয়াতে বলা হয়েছে, ‘যখন তোমার প্রভু প্রতিপালক ফেরেশতাদের বললেন, আমি একটি মানুষ তৈরি করতে যাচ্ছি কাদামাটি হতে, নকশাকাটা নরম মাটি হতে। অতঃপর যখন আমি সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে তার গঠন পুরোপুরি সমাপ্ত করব এবং তার মধ্যে আমার রূহ ফুৎকার করব, তখন তোমরা তার সামনে সেজদা নত হইও (সূরা হিজর : ২৮-২৯)। পবিত্র কুরআনের আরেক জায়গায় বলা হয়েছে, ‘সেই একক সত্তা যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, তোমাকে গঠন করেছেন সঠিক ও সুসমমাত্রায়; তোমাকে ভারসাম্যপূর্ণ করেছেন সেই সুরত বা আকৃতিতে, যা তিনি ইচ্ছা করেছেন এবং তিনি তোমাকে সুসম্পন্ন করেছেন বিভিন্ন উপাদানে’। (সূরা ইনফিতার : ৭-৮)। ‘আমার (আল্লাহ) মানুষকে গঠন করেছি সর্বোত্তম সাংগঠনিক পরিকল্পনা অনুসারে। (সূরা তিন : ৪)। ‘আল্লাহ গঠন করেছেন তোমাদের উন্নতির নানা মাত্রায়’(সূরা নুহ : ১৪)।
আলোচ্য আয়াতগুলো থেকে যে বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে, তার সাথে বিজ্ঞানের কোনো বৈপরিত্য ল করা যায় না। আসমান-জমিন সম্পর্কে কুরআন যে বক্তব্য দিয়েছে, জ্যোতিবিজ্ঞানও তাদের ‘বিগ ব্যাঙ’ থিউরি দিয়ে সেটিরই সামঞ্জস্য খুঁজেছেন। অন্য দিকে জীবাশ্ময় প্রাণী সম্পর্কিত কুরআনিক তত্ত্বের সাথে বিজ্ঞানের ‘এককোষ’ ধারণার সাদৃশ্য ল করা যায়। এ প্রসঙ্গে উদ্ভিদের কোন পদ্ধতিকেও স্মরণ করা যেতে পারে। অর্থাৎ মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণী যে একই কোষ থেকে উদ্ভূত হতে পারে, বিজ্ঞানের সে ধারণার কথা কুরআন দেড় হাজার বছর আগেই প্রকাশ করে দিয়েছে। কাজেই যে কোষ থেকে বানর তৈরি হয়েছে, সে কোষ থেকে মানুষ তৈরি হয়ে থাকলেও সব জীবই আলাদা আলাদা সত্তা নিয়েই জন্মেছে। অর্থাৎ মানুষকে মানুষ হিসেবেই সৃষ্টি করা হয়েছে।
প্র্রাচীন মানুষ চোখের সামনে এক একটি বস্তু দেখে বিচিত্র শব্দ করেছে আর সেসব শব্দ থেকেই ভাষার জন্ম। Yo-he-ho Theory-র ধারণা; মানুষ তার মনের অবসাদ দূর করার জন্য এক ধরনের শব্দ করে থাকে। যেমনÑ কুলি-মজুরের শব্দ ‘হেইয়ো’, হুঁ হুঁ ; এ থেকেও ভাষার উৎপত্তি হতে পারে। আবার Ta- ta Theory মতে, মানুষ হাতের তালি বাজাতে গিয়ে ‘তা তা’, ‘তাই তাই’ শব্দ করতে পারে; এভাবেও ভাষার জন্ম হতে পারে। ভাষার উৎপত্তি বিষয়ে এসব থিউরির ধারাবাহিকতা কিংবা যোগসূত্র শেষাবধি টিকে থাকতে পারেনি বলেই ভাষাবিজ্ঞানীরা এখন বলছেন; ভাষার উৎপত্তির সঠিক তথ্য এখন আর পুনর্গঠন করা সম্ভব নয়।
পবিত্র কুরআন বলছে, ‘ তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে ভাষা শিক্ষা দিয়েছেন’। (আয়াত : ২, ৩) পবিত্র কুরআনের অন্য জায়গায় বলা হয়েছে, ‘হে মানব, আমি তোমাদের এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদের বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিত হও’। (সূরা হুজরাত : ১৩) এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বলা যেতে পারে, মানুষ যখন পৃথিবীতে এসেছে তখন কথা বলার যোগ্যতা নিয়েই পৃথিবীতে পর্দাপণ করেছে। কাজেই পৃথিবীতে আগে মানুষ সৃষ্টি হয়েছে এবং পরে সেই মানুষ বিভিন্ন উপায়ে ভাষা শিখেছে এমন মন্তব্য গ্রহণযোগ্য কি না তা ভাবার অবকাশ রয়েছে।
মানুষ কিভাবে জ্ঞান লাভ করেছে, কিভাবে প্র্রযুক্তি শিখতে পেরেছে, সে বিষয়েও গবেষকদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে। এ বিষয়ে গবেষকদের ধারণা, মানুষ প্র্রথমে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে এবং সে সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে নতুন নতুন বিষয়ের উদ্ভব ঘটেছে। একটি সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে অন্য আরেকটি বিষয়ে ধারণা লাভ করেছে, যা পরবর্তীতে কাজে লেগেছে। কোনো কোনো গবেষক বলার চেষ্টা করেছেন, জ্ঞান হচ্ছে মানুষের অভিজ্ঞতার ফসল। মানুষ পর্যায়ক্রমে কিছু অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে এবং সেই অভিজ্ঞতা থেকেই জ্ঞানের উৎপত্তি ঘটেছে।
মানুষের জ্ঞানলাভের ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ ফেরেশতাদের সামনে মানুষ সৃষ্টির ইচ্ছা পোষণ করলে ফেরেশতারা মানুষের সম্ভাব্য দোষত্রুটি বর্ণনা করলে আল্লাহ বললেন, ‘আমি যা জানি, তোমরা তা জানো না।’ আল্লাহ মানুষ তৈরি করলেন এবং তাকে জ্ঞান-বিজ্ঞান শিক্ষা দিলেন। ‘এর পর আল্লাহ আদমকে সব জিনিসের নাম শেখালেন, তারপর এসব জিনিসকে ফেরেশতাদের সামনে পেশ করে বললেন, যদি তোমাদের ধারণা সঠিক হয়ে থাকে, তাহলে এসব জিনিসের নাম বলে দাও ফেরেশতারা ক্ষমা চাইলেন এবং আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করলেন।’ (সূরা বাকারা : ৩০-৩২) কাজেই জ্ঞানের বিষয়টিও আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষ লাভ করেছে। মানুষ নিজে নিজে জ্ঞান-বিজ্ঞানের আবিষ্কারক নয়, তবে পরিচর্যাকারী মাত্র। একটি কথা খেয়াল করার রয়েছে, পবিত্র কুরআন যে তত্ত্ব পরিবেশন করেছে, সেসব তত্ত্ব বিস্তারিত আলোচনা করলে তার ধারাবাহিকতা ও যোগসূত্র পাওয়া যায়। কিন্তু গবেষক ও বিজ্ঞানীদের তত্ত্ব-প্রমাণগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন, আলাদা আলাদাভাবে পরিচালিত হতে দেখা যায়।
লেখক : গবেষক

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.