দাঁতের চিকিৎসায় পারদ ব্যবহার বন্ধের ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক

গর্ভবতী মা ও শিশুদের দন্ত চিকিৎসায় এখন থেকে আর পারদ ব্যবহার করা হবে না। কারণ এটি কেবল বিষাক্ত ধাতুই নয় আমাদের শরিরের পাশাপাশি পরিবেশকেও ক্ষতি করছে।
আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলন কওে এ ঘোষণা দেন ডেন্টাল সার্জনরা। বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির পক্ষ থেকে গর্ভবতী মা ও শিশুদের দন্ত চিকিৎসায় পারদ ব্যবহার বন্ধের ঘোষণা দেন তারা। ২০১৮ সালের জুন মাসের মধ্যে এই পণ্যের ব্যবহার বন্ধে সকল ডেন্টাল সার্জনদের প্রতি আহ্বান জানায় সংস্থাটি।
এনভায়রণমেন্টাল এন্ড স্যোশাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) এর সহযোগিতায় এসংবাদ সম্মেলনেওএসডো’র চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব সৈয়দ মার্গুব মোরশেদ এআহবান জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,“মিনামাটা কভেনশনটি যেহেতু আন্তর্জাতিক কোর্টে যুক্ত হয়েছে তাই মিনামাটা কনভেশনের স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে ২০২০ সালের মধ্যে মার্কারিযুক্ত সকল পণ্যের ব্যবহার ও আমদানি বন্ধের ক্ষেত্রে সরকারের কাছে আবেদন জানাই।”
সংবাদ সম্মেলনে,“বিড্এিস এর সভাপতি মো. আবুল কাশেম বলেন,“মার্কারির মত একটি বিশাক্ত ধাতু শুধু আমাদের শরিরকেই নয়, পরিবেশকেও ক্ষতি করছে। তাই আমি সকল ডেন্টাল সার্জনদের অনুরোধ করবো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের এবং পরিবেশ রক্ষার সার্থে জুন ২০১৮ এর মধ্যে গর্ভবতী, সন্তান দানকারী মা ও শিশুর দন্ত চিকিৎসায় মার্কারি ব্যবহার সম্পুর্ণরুপে পরিহারের জন্য।”
বিড্এিসের মহাসচিব হুমায়ুন কবির বুলবুল বলেন,“মিনামাটা কভেনশনটিনের স্বাক্ষরকারী দেশে হিসেবে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মার্কারীমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলা আমাদের অত্যন্ত জরুরী।” সংবাদ সম্মেলনে এসডো’র সেক্রেটারি শাহরিয়ার হোসেন, এসডোর নির্বাহী পরিচালক সিদ্দীকা সুলতানা।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.