কাজিপুরে পাটগ্রাম ফ্লাডশেল্টারে ভাঙনের কবলে নির্মাণাধীন গুচ্ছগ্রাম  :নয়া দিগন্ত  
কাজিপুরে পাটগ্রাম ফ্লাডশেল্টারে ভাঙনের কবলে নির্মাণাধীন গুচ্ছগ্রাম :নয়া দিগন্ত  

কাজিপুরে নির্মাণাধীন গুচ্ছগ্রাম যমুনার ভাঙনের কবলে

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) থেকে সংবাদদাতা

যমুনার ভাঙনের কারণে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের গান্ধাইল ইউনিয়নের পাটগ্রামে অবস্থিত নির্মাণাধীন গুচ্ছগ্রাম ব্যাপক ভাঙনের কবলে পড়েছে। এতে করে ঘর উঠানো দূরে থাক মাটি ফেলার কাজ শেষ না হতেই পুরো এলাকা নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, গুচ্ছগ্রামের নির্ধারিত স্থান থেকে যমুনা নদী মাত্র তিন-চার গজ দূরে রয়েছে এবং ক্রমাগত ভেঙে চলেছে।
জানা গেছে, ১৯৭৮ সালে উল্লিখিত স্থানে সরকারিভাবে ফ্লাডশেল্টার নির্মাণ করা হয়। পরে মূল কাজিপুর থানা সদর যমুনার ভাঙনের কবলে পড়লে ফ্লাডশেল্টারটি ১৯৮৩ সালে উপজেলা পরিষদ কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হয়।
ফ্লাডশেল্টারটি ১৯৮৭ সালে যমুনার ভাঙনের কবলে পড়লে উপজেলা সদর বর্তমান অবস্থান আলমপুরে স্থানান্তর করা হয়। সেই থেকে গুচ্ছগ্রাম স্থানটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। গত ডিসেম্বরে গ্রচ্ছগ্রামে আবার কাজ শুরুর পর থেকে যমুনার ভাঙন শুরু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত ১২-১৩ অর্থবছরে বর্তমান অবস্থান থেকে এক কিলোমিটার ভাটিতে সিডিএমপির অর্থায়নে উপজেলার শুভগাছায় প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে একটি গুচ্ছগ্রাম নির্মাণের পর সুবিধাভোগীদের মধ্যে বণ্টনের আগেই যমুনা বক্ষে চলে যায়।
নতুন করে যমুনার ভাঙন দেখে স্থানীয়রা নির্মাণাধীন গুচ্ছগ্রামটির ভবিষ্যৎ নিয়ে একই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। নির্মাণাধীন গুচ্ছগ্রামটির জন্য ইতোমধ্যে মাটি ফেলার কাজে ৯০ টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের স্থানটি যমুনা নদীর ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.