জানা-অজানা

বনমানুষের কথা

ছোট্ট বন্ধুরা,
বনমানুষ মানুষ নয়Ñ এ বিষয়ে তোমাদের নিশ্চয়ই ধারণা আছে। এটি কী? পশু বা জন্তু। লেজ নেই এ রকম বড় প্রজাতির বানরকে বলা হয় বনমানুষ। এ প্রাণী কয় প্রজাতির? তিন প্রজাতিরÑ শিম্পাঞ্জি, গরিলা ও ওরাংউটাং।
আজ তোমরা জানবে ওরাংউটাং সম্পর্কে
ওরাংউটাং বুদ্ধিমান প্রাণী। পৃথিবীতে মানুষের পরেই এদের বুদ্ধিমান মনে করা হয়। ওরাংউটাং কী? বনমানুষ। ওরাংউটাং কোথায় দেখা যায়? বোর্নিও ও সুমাত্রায় দেখা যায়। মানে ইন্দোনেশিয়ায়। ওরাংউটাং মানে জঙ্গলের লোক বা বনমানুষ। এরা জঙ্গল বা বনেই থাকে। স্যাঁতসেঁতে জলা-জঙ্গল এদের বেশি পছন্দ। এদের ছোট ছোট পরিবার একসাথে বাস করে। এদের চেহারা বুড়োটে ধরনের। রঙ কিছুটা বেগুনি। চালচলনে শিম্পাঞ্জির সাথে এদের মিল আছে। ওরাংউটাংকে গেছো প্রাণী হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। গাছের ওপর এ-ডাল থেকে ও-ডালে ছুটে চলে। তবে মাটিতে হাঁটার সময় এদের গতি যায় কমে। এ সময় এরা টলতে টলতে হাঁটে। ওরাংউটাং লম্বায় হয় প্রায় চার ফুট। ওজন প্রায় ১৫০ পাউন্ড। ওরাংউটাংয়ের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্যÑ মানুষের মতোই এদের স্নেহ, মায়া, ভালোবাসা আছে। এরা মানুষের মতো আদব-কায়দা নকল করতে পারে। এরা বাঁচে ৫৭ বছর পর্যন্ত।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.