বিধ্বস্ত বিমানটির যাত্রী ছিলেন যারা

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

ঢাকা থেকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটিতে মোট ৬৭ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে পূর্ণবয়স্ক ৬৫ জন; পুরুষ ৩৭, নারী ২৮ এবং দুইজন শিশু ছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশী ৩২, নেপালি ৩৩, মালদ্বীপের একজন এবং চীনা একজন নাগরিক ছিলেন। বাংলা নিউজ।
যাত্রীরা হলেনÑ তানিরা তানভীন শশী, পিয়াস, শেখ রাশেদ, কৃষ্ণ কুমার, উম্মে সালমা, আশনা সাকিয়া, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, সারুনা শ্রেষ্ঠ, সৈয়দা কামরুন নাহার, হরিপ্রসাদ, দয়ারাম তহরাখার, বালকৃষ্ণ থাপা, শ্বেতা থাপা, কিশোর ত্রিপতি, আবাদেশ কুমার যাদব, অনিরুদ্ধ জামান, মো: নুরুজ্জামান, মো: রফিক জামান, রিয়ানা আব্দুল্লাহ, পয়বাল আহমেদ, সামরিন আহমেদ, জাকদ আলী, আলিফুজ্জামান, আলমুন নাহার, বিলকিস আরা, শিলা বাজগাইন, বেগম নুরুন্নাহার বিলকিস, আলজিনা বড়াল, চারু বড়াল, আকজারা বেগম, শাহীন বেপারী, শুভিন্দ্র সিং, বসঞ্জিত বহরা, সামিরা বায়ানজানকর, প্রবীণ চিত্রকর, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, সাজানা দেবখোজা, প্রিন্সি ধামি, গায়নি কুমারী গুরুং, রেজকানুল হক, মো: রকিবুল হাসান, মেহেদী হাসান, এমরানা কবির হাসি, কবির হোসাইন, দীনেশ হুমাগাইন, সানজিদা হক, হাসানন ইমাম, মো: নজরুল ইসলাম, শ্রেয়া জিলা, পূর্ণিমা লুনানি, মিলি মেহেরজান, নিগা মেহেরজান, সঞ্জয়া মেহেরজান, জেংমিং, আঁখি মণি, মেহনাজ বিন নাসির, কেসাব পান্ডে, প্রসন্না পান্ডে, বিনোদ পাউডাল, হরিশংকর পাউডাল, সঞ্জয় পাউডাল, এফএইচ প্রিয়ক, থামারা প্রিয় নৈইয়ি, মতিউর রহমান, এসএম মাহবুবুর রহমান ও আশিষ রঞ্জিত।
এর মধ্যে উম্মে সালমা নামে একযাত্রীর মৃত্যুর খবর জানা গেছে। তিনি পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব।
তার বড় ভাই এস এম আবুল কালাম আজাদকে জানান, তিন দিনের অফিসিয়াল ট্যুরে নেপাল যাচ্ছিলেন সালমা।
এ দিকে বিমানটিতে সিলেটের রাগীব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজের ১৩ জন ছাত্রছাত্রী ছিলেন। কলেজের অধ্যক্ষ ডা: আবেদ হোসেন জানান, বিমানটিতে আমাদের কলেজের ১৩ জন নেপালি ছাত্র-ছাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে ১১ জন ছাত্রী ও দুইজন ছাত্র।
রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজের ১৩ শিক্ষার্থীর সবাই নিহত
সিলেট ব্যুরো জানায়, নেপালে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস বাংলার বিমানে সিলেটের জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজের ১৩ শিক্ষার্থীর সবাই প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবর পেয়েছেন জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল আবেদ হোসেন। তিনি জানান, নিহতরা সবাই ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা শেষ করে নিজেদের দেশ নেপালে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন। নিহত ১৩ শিক্ষার্থী হলেন সঞ্জয় পাউডাল, সঞ্জয়া মেহেরজান, নিগা মেহেরজান, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্ণিমা লুনানি, শ্বেতা থাপা, মিলি মেহেরজান, সারুনা শ্রেষ্ঠ, আলজিনা বড়াল, চারু বড়াল, আশনা সাকিয়া, প্রিন্সি ধামি ও সামিরা বায়ানজানকর।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজের উপপরিচালক ডা: আরমান আহমদ শিপলু।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.