এটিসির গাফিলতিকে সন্দেহ করছে ইউএস বাংলা

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

কাঠমান্ডুতে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ হিসেবে সেখানকার বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের (এটিসি) গাফিলতিকে সন্দেহ করছে এয়ারলাইন্সটির কর্তৃপক্ষ।
গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারায় ইউএস-বাংলার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ সন্দেহ প্রকাশ করেন এয়ারলাইন্সটির সিইও ইমরান আসিফ। বাংলা নিউজ।
বেলা ২টা ২০ মিনিটে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ঢাকা থেকে যাওয়া ৭৮ আসনের বিমানটিতে চারজন ক্রুসহ মোট ৭১ আরোহী ছিলেন।
ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়া একটি রেকর্ড-বার্তার বরাত দিয়ে ইউএস-বাংলার সিইও বলেন, বিমানবন্দরের এটিসি টাওয়ারের সাথে পাইলটের কথোপকথনের অডিও পেয়েছি। এই রেকর্ড-বার্তা শুনলে আপনারা বুঝতে পারবেন, আমাদের ধারণা এটিসি টাওয়ারের ভুল নির্দেশনার কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।
অভিযোগ করা হচ্ছে কি না প্রশ্ন করা হলে ইমরান আসিফ বলেন, আমরা অভিযোগ করছি না, সন্দেহ করছি। বিমানবন্দরের কোন দিক দিয়ে রানওয়েতে ফ্লাইটটি অবতরণ করবে, সে বিষয়ে কোনো ভুল বার্তা দেয়া হয়েছে। অডিওটি ইতোমধ্যে অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে।
আবেদ সুলতান নামের পাইলট বিমানবাহিনীর সাবেক অফিসার উল্লেখ করে ইউএস-বাংলার সিইও বলেন, তিনি জীবিত রয়েছেন। তার পঁাঁচ হাজার ঘণ্টার ফ্ল¬াইং অভিজ্ঞতা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আমাদের মনে হচ্ছে, যান্ত্রিক কোনো ত্রুটি নয়, বৈমানিকেরও কোনো গাফিলতি ছিল না, এটিসির কোনো গাফিলতি ছিল।
এর আগে অবশ্য ত্রিভুবন বিমানবন্দরের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) রাজকুমার ছেত্রি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, ‘বিমানটি বেলা ২টা ১৮ মিনিটে বিধ্বস্ত হয়। তার আগে কন্ট্রোল টাওয়ারের পক্ষ থেকে বিমানের পাইলটের সাথে যোগাযোগ করা হয়, সে হিসাবে এটি ২টার দিকে অবতরণের কথা।’
ছেত্রির ভাষ্যে, ‘যোগাযোগ করা হলে পাইলট কন্ট্রোল টাওয়ারকে জানান, তিনি বিমাবন্দরের উত্তর পাশ থেকে এসে নামবেন, কিন্তু হঠাৎ দেখা যায় বিমানটি উত্তর-পূর্ব পাশে চলে গেছে। এরপর কন্ট্রোল টাওয়ার ফের তার সাথে যোগাযোগ করে কোনো সমস্যা হয়েছে কি না জানতে চায়, তখনো পাইলট বলেন যে, সব ঠিক আছে।’
‘তারপর দেখা গেল বিমানটি হঠাৎ রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ল এবং সাথে সাথে আগুন ধরে গেল।’

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.