রংপুরের সাবেক এমপি শাহ আবদুর রাজ্জাকের ইন্তেকাল

রংপুর অফিস

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক গণপরিষদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদ সদস্য শাহ আবদুর রাজ্জাক খন্দকার ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সোমবার সকালে তিনি রংপুর মহানগরীর মাহিগঞ্জে ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তিনি তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে বাদ আসর পীরগাছার চালুনিয়া গ্রামে বাবা-মার পাশে দাফন করা হয়।
শাহ আবদুর রাজ্জাকের ছেলে সাংবাদিক শাহ জামাল ফারুক লাবু নয়া দিগন্তকে জানান, মরহুম শাহ আবদুর রাজ্জাক পীরগাছার কৈকুড়ি ইউনিয়নের চালুনিয়া গ্রামে ১৯৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছের মানুষ ছিলেন। তিনি ছিলেন বায়ান্নোর ভাষাসৈনিক। এ ছাড়া মাহিগঞ্জ আফান উল্লাহ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। ২০১৪ সালে স্ত্রী সাবেক মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও রংপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক রেজিনা রাজ্জাকের মৃত্যুর পর অনেকটাই নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন তিনি। বেশির ভাগ সময় বাসা থেকে তেমন একটা বের হতেন না। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। পীরগাছার পারুলিয়া গ্রামে পঞ্চম নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মার কবরের পাশে দাফন করা হয়। দাফনের আগে চালুনিয়া গ্রামে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়।
এ দিকে তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এলজিআরইডি প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানম, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মমতাজ উদ্দিন, সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজু, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি সাফিউর রহমান সফি প্রমুখ।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.