আগডুম বাগডুম কবিতাবলী

স্বাধীনতার গান
ইদ্রিস সরকার

স্বাধীনতার জন্য যখন
যুদ্ধে গিয়েছিলাম
পাকসেনাদের করব খতম
শপথ নিয়েছিলাম।
যুদ্ধে গেলাম বাপে-ছেলে
অস্ত্র নিয়ে হাতে
পাহাড় নদী আকাশ পথে
সকাল-সন্ধ্যা-রাতে।
কামান বোমা মেশিনগানে
করেই দিলাম ধ্বংস
যতই ছিল শত্রু সেনা
নিপাত তাদের বংশ।
‘নয়’ মাসে এই যুদ্ধে শহীদ
লক্ষ লক্ষ প্রাণের
স্বাধীনতা দিবসটি তাই
দুঃখ-শোক ও গানের।

স্বাধীনতা দিবস
পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী

স্বাধীনতা দিবস আমার
যুদ্ধে যাবার ডাক
দেশকে করতে শত্রুমুক্ত
বীর বাঙালির হাঁক।

স্বাধীনতা দিবস আমার
বীরের মতো বেশ
বাংলাদেশীর বজ্রশপথ
স্বাধীন করতে দেশ।

স্বাধীনতা দিবস আমার
জয় করা সব ভয়
বাঙালি ও বাংলাদেশের
স্বাধীনতার জয়।

স্বাধীনতা দিবস আমার
মেঘনা নদীর বান
অস্ত্র দিয়ে ঘায়েল করতে
পাক হায়েনার প্রাণ।

স্বাধীনতা দিবস আমার
‘সোনার বাংলা’ গান
বহু ত্যাগ আর তিতিক্ষাতে
বাংলাদেশের মান।

পরীদের সাথে
সোহেল রানা

লালপরী ডাকে আয়
নীলে করে মানা
কিছুতেই বুঝি নাকো
মতলব খানা।

সাদা পরী চুপচাপ
কালো কথা বলে
বেগুনিটা হাসে সদা
হাসি-খুশি চলে।

সবুজের সাথে আছে
গোলাপির ভাব
আকাশিটা অভিমানী
সাথীর অভাব।

হলুদটা রাগী বেশ
কমলাটা ভালো
পরীদের দেশ যেথা
চলো যাবে চলো।

বাদামির গান শুনে
তালি দিই হাতে
আনন্দে মেতে উঠি
পরীদের সাথে।

প্রজাপতি
আবু আফজাল মোহা: সালেহ

প্রজাপতি প্রজাপতি
রঙিন তোমার ডানা,
খোকা-খুকির মন খারাপ
উড়তে তাদের মানা।

দেখতে সুন্দর রঙিন কালার
বাহারি সাজ পরে,
রঙিন পাখে দিয়ে মেলে
প্রজাপতি ওড়ে।

প্রজাপতির রঙিন ডানায়
মন হয় তাদের রঙিন,
রঙিন ডানা পায় না ছুঁতে
মাঝপথে হয় সঙিন।

খোকা-খুকি প্রজাপতির
ছুট দেয় পিছে পিছে,
থামে একবার উড়ছে আবার
দৌড় দেয় মিছে মিছে।

ফাগুন এলেই
হুমায়ুন আবিদ

ফাগুন এলেই
শীত জড়তা দূরে ঠেলে
হাজার ফুলের পাপড়ি মেলে
খুশি নামে ধরায়
হালকা গরম হালকা শীতে
সুখে পরান ভরায়।

ফাগুন এলেই
গাছে দোলে কচিপাতা
শিল্পীর হাতে যেন গাঁথা
দেখে জুড়াই আঁখি
ভাবুক কবির উদাসী মন
স্বপ্নে মাখামাখি।

ফাগুন এলেই
আম বাগানে মুকুল হাসে
গুনগুনিয়ে ভোমর আসে
কোকিল করে কুহু
ঝির বাতাসে ফুলের গন্ধ
আসে মুহুর্মুহু।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.