ads

ওমানের কাছে টানা চতুর্থ পরাজয়

কোচের পদত্যাগ দাবি
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ফাজারি রাশাদ ও রজব বাসিম খাতার। ওমানের দুই পরীক্ষিত খেলোয়াড়। এটি সবাই জানেন। কিন্তু ফিল্ডে তাদের আটকানো গেলেও পেনাল্টি কর্নারের সময় বাধা দেয়া কঠিন। সেটি আবারো প্রমাণ করে দেখালেন আরব দেশের এই দুই খেলোয়াড়। এশিয়ান গেমস বাছাই হকিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে যাওয়া ১৮তম আসরে অংশ নিতে পারল না বাংলাদেশ। স্বাগতিক ওমানের কাছে ২-০ গোলে হেরে রানার্স আপ হয়েই যেতে হবে এশিয়ান গেমসে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ৪-১ গোলে হারিয়েছে থাইল্যান্ডকে। তারাও যাচ্ছে এশিয়ান গেমসে। বাছাই পর্ব থেকে মোট পাঁচটি দেশ অংশ নিবে চূড়ান্ত পর্বে।
তাতেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটালেন হকি প্রেমীরা। দুর্বল দলগুলোর বিপক্ষে খেলে যদি চ্যাম্পিয়ন হতে না পারে বাংলাদেশ, তাহলে চূড়ান্তপর্বে বড় দলগুলোর বিপক্ষে কী রেজাল্ট হবে সেটি সবারই জানা। হকি স্টেডিয়ামের গ্রাউন্ডস কমিটির প্রধান হাজী মনোয়ারের কথায়, ‘প্রধান কোচ মাহবুব হারুনের স্ব-ইচ্ছায় পদত্যাগ করা উচিত। তার জায়গায় যদি তৃণমূলের কোচ ওস্তাদ ফজলু হলেও একই রেজাল্ট হতো। অযথা ফেডারেশন থেকে এত এত খরচা করার কী দরকার ছিল। ফজলুকে আরো কম বেতন দিয়েও রানার্স আপ হওয়া যেত। যেহেতু পাঁচটি দল চূড়ান্ত পর্বে খেলবে, সেহেতু ফেডারেশনের খরচ কম করলেই হতো। চ্যাম্পিয়নের আশ্বাস দিয়ে সেটি পূরণ করতে না পারায় কোচকে নিজের ইচ্ছায়ই সরে যাওয়া উচিত।’
এ বিষয়ে বাহফে অ্যাডহক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাদেক বলেন, ‘সবাইতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। হারুনতো ভালো কোচ। শুরুতে দেশের দুই প্রধান কোচ মাহবুব হারুন ও মামুনুর রশিদকে দায়িত্ব নিতে বলেছি। তারা কেউই একসাথে রাজি হননি। খেলায় এরকম হতেই পারে। তাই বলে পদত্যাগের কথাটি সমীচীন নয়। তবে চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে সবারই ভালো লাগত। এমন কথাও উঠত না।’
এ নিয়ে টানা চারবার ওমানের কাছে হারলো বাংলাদেশ হকি দল। ২০১৪ সালে ইনচন এশিয়ান গেমসে ওমানের কাছে ৩-২ গোলে হেরে অষ্টম স্থান, ২০১৫ সালে সিঙ্গাপুরে ওয়ার্ল্ড লিগ রাউন্ড টুতে ৩-৩ গোলে সমতায় থাকার পর শুটআউটে ২-০ গোলে পরাজয়, ২০১৭ সালে ঢাকায় ওয়ার্ল্ড হকি লিগ রাউন্ড টুয়ে ৩-২ গোলে হারের পর সর্বশেষ ওমানে এশিয়ান গেমসের বাছাইপর্বে ২-০ গোলে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

ads

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.