ads

'আমার রিমন খায়ছেনি' বলেই মূর্ছা গেলেন রিমনের মা
'আমার রিমন খায়ছেনি' বলেই মূর্ছা গেলেন রিমনের মা
লাশ দাফন সম্পন্ন

'আমার রিমন খায়ছেনি' বলেই মূর্ছা গেলেন রিমনের মা

ফরিদপুর সংবাদদাতা

নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান দূর্ঘটনায় নিহত ফরিদপুরের নগরকান্দার ছেলে মাহমুদুর রহমান রিমনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার লস্করদিয়া খন্দকার আতিকুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাযা শেষে তাকে বড় মাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এর আগে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে রিমনের লাশ তার নিজ বাড়ি নগরকান্দার লস্করদিয়া গ্রামে পৌঁছে। এ সময় সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য সৃষ্টি হয়।

‘আমার রিমন খায়ছেনি’ এই বলে ছেলের লাশ পেয়ে মূর্ছা যান রিমনের মা লিলি বেগম। আর রিমনের মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন অসুস্থ বয়োবৃদ্ধ বাবা মশিউর রহমান।

এদিকে, রিমনের লাশ আনার সংবাদ পেয়ে স্বজনদের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে রিমনের বন্ধু-বান্ধবসহ শুভানুধ্যায়ীরা ছুটে আসেন শেষ বারের মতো রিমনের লাশ দেখার জন্য।

শোকার্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে সে সময় উপস্থিত হন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া, নগরকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ শাহিনুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বদরুদ্দোজা শুভ প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

মাহমুদুর রহমান চাকরি করতেন রানার গ্রুপের তেজগাঁও অফিসের হেড অব সার্ভিস পদে। অফিসের কাজে সে দিন ঢাকা থেকে নেপালে যাচ্ছিলেন তিনি।

মাহমুদুর রহমান রিমন ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের লস্করদিয়া গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড়।

ads

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.